/* */
   Monday,  Jun 25, 2018   10 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রয়েছে: সিপিডি

তারিখ: ২০১৫-০৬-০১ ১৭:১৮:১০  |  ৪৬৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিনিধি: 'গবেষণা সংস্থা সিপিডি বলেছে, 'দেশের অর্থনীতিতে এক ধরণের স্থিতিশীলতা রয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় স্বস্তির দিক রয়েছে। এ স্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতি সংস্কার উদ্যোগে বড় ধাক্কা দিতে হবে। এটি করতে পারলে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির ফাঁদ থেকে বের হতে পারবে বাংলাদেশ।'
 
অবশ্য সংস্কারের জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলের মতামত  এবং সর্বোপরি নাগরিক ঐক্যের দরকার বলে মনে করছে সংগঠনটি।
 
আগামী অর্থবছরের (২০১৫-১৬) জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে অর্থনীতির ওপর এক পর্যালোচনায় সিপিডি এমন মতামত দিয়েছে।
 
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে 'বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৪-১৫: তৃতীয় অন্তর্বতীকালীন পর্যালোচনা' নামে সংস্থার প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
 
সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
 
প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সংস্থার গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান।
 
এ সময় সিপিডির সংলাপ ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফসহ সংস্থার অন্যান্য গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।
 
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, 'বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্ত সেই পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদে আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনায় ২০১১-১২ অর্থবছর পর্যন্ত যেটুকু গতি ও উদ্যম লক্ষ্য করা গেছে,কেন জানি এখন তা নেই। আর্থিক পরিকল্পনার গুণগত মানের ক্ষয় হয়েছে। এর মানে, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ঘাটতি বাড়ছে। আবার বড় ধরনের সংস্কারেও সরকার ঢোকেনি। এর বড় উদাহরণ পিপিপি ও বেসরকারিকরণ পরিস্থিতি।'
 
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র্র মোদির সফরে সম্ভাব্য বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'বিচ্ছিন্নভাবে না করে দু'দেশের মধ্যে সামগ্রিক ট্রানজিট ও বিনিয়োগ চুক্তির দরকার ছিল।'
 
কালো টাকাকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে আইন করার পরামর্শ দেন তিনি।
 
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, '৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছরে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সেদিক থেকে বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বিনিয়োগের মাত্রা ও উৎকর্ষতা বাড়াতে হবে।'


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document