/* */
   Thursday,  Dec 13, 2018   01:57 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রয়েছে: সিপিডি

তারিখ: ২০১৫-০৬-০১ ১৭:১৮:১০  |  ৫৪২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিনিধি: 'গবেষণা সংস্থা সিপিডি বলেছে, 'দেশের অর্থনীতিতে এক ধরণের স্থিতিশীলতা রয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় স্বস্তির দিক রয়েছে। এ স্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতি সংস্কার উদ্যোগে বড় ধাক্কা দিতে হবে। এটি করতে পারলে ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির ফাঁদ থেকে বের হতে পারবে বাংলাদেশ।'
 
অবশ্য সংস্কারের জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলের মতামত  এবং সর্বোপরি নাগরিক ঐক্যের দরকার বলে মনে করছে সংগঠনটি।
 
আগামী অর্থবছরের (২০১৫-১৬) জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে অর্থনীতির ওপর এক পর্যালোচনায় সিপিডি এমন মতামত দিয়েছে।
 
সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে 'বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৪-১৫: তৃতীয় অন্তর্বতীকালীন পর্যালোচনা' নামে সংস্থার প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
 
সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
 
প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন সংস্থার গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান।
 
এ সময় সিপিডির সংলাপ ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফসহ সংস্থার অন্যান্য গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।
 
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, 'বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্ত সেই পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে না। আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদে আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনায় ২০১১-১২ অর্থবছর পর্যন্ত যেটুকু গতি ও উদ্যম লক্ষ্য করা গেছে,কেন জানি এখন তা নেই। আর্থিক পরিকল্পনার গুণগত মানের ক্ষয় হয়েছে। এর মানে, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ঘাটতি বাড়ছে। আবার বড় ধরনের সংস্কারেও সরকার ঢোকেনি। এর বড় উদাহরণ পিপিপি ও বেসরকারিকরণ পরিস্থিতি।'
 
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র্র মোদির সফরে সম্ভাব্য বিভিন্ন চুক্তি সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'বিচ্ছিন্নভাবে না করে দু'দেশের মধ্যে সামগ্রিক ট্রানজিট ও বিনিয়োগ চুক্তির দরকার ছিল।'
 
কালো টাকাকে অর্থনীতির মূলধারায় আনতে আইন করার পরামর্শ দেন তিনি।
 
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, '৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছরে ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সেদিক থেকে বড় ঘাটতি রয়ে গেছে। ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বিনিয়োগের মাত্রা ও উৎকর্ষতা বাড়াতে হবে।'


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এডিবি রূপসা পাওয়ার প্লান্টে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে •ভুটানের জনগণের জন্য ২০ কোটি টাকার ওষুধ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ •কমলো স্বর্ণের দাম •মহেশখালীতে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর •বিশ্বব্যাংক মিয়ানমারে প্রকল্প অনুমোদন বন্ধ করেছে : অর্থমন্ত্রী •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document