/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   12:34 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী রাজ্জাক আলী আর নেই

তারিখ: ২০১৫-০৬-০৭ ২১:৫৪:০০  |  ২৭৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা  ডেস্ক         বর্ণাঢ্য কর্মময় রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী ছিলেন শেখ রাজ্জাক আলী। তিনি খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুর গ্রামে ১৯২৮ সালের ২৮ শে আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মরহুম শেখ এনতাজ আলী ও মাতার নাম মরহুম গোলছেয়ারা বেগম। শেখ রাজ্জাক আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ১৯৫২ সালে ও বাংলা সাহিত্যে ১৯৫৪ সালে মাস্টার্স পাস করে এলএলবি সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকা অবস্থায় শেখ রাজ্জাক আলী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে তিনি খুলনা জেলা জজ কোর্টে আইনপেশা শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি ঢাকা হাইকোর্ট বারের সদস্য লাভ করেন ও ১৯৬৪ সালে খুলনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। শেখ রাজ্জাক খুলনা ল’কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-অধ্যক্ষের দায়িত্বও পালন করেন। পরবর্তিতে তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর উক্ত কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৯ সালে খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি খুলনা-২ (খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা) আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি আইন প্রতিমন্ত্রী হন এবং একই বছর ডেপুটি স্পিকার ও পরে স্পিকার নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে শেখ রাজ্জাক শ্রীলঙ্কার কলোম্বোতে প্রথম সার্ক স্পিকার্স সম্মেলনে যোগ দেন ও সার্ক স্পিকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শেখ রাজ্জাক আলীর সভাপতিত্বেই জাতীয় সংসদে স্বল্প সময়ের অধিবেশনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়।

২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। একই বছর চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০২ সালে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাই কমিশনার নিযুক্ত হন তিনি। শেখ রাজ্জাক আলী ২০০৬ সালের শেষ দিকে বিএনপি ছেড়ে কর্নেল অলি আহমদের সঙ্গে এলডিপি নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি পরিবারের সঙ্গে নিভৃতে সময় কাটাতে থাকেন।

শেখ রাজ্জাক আলী ১৯৫৩ সালে প্রখ্যাত সমাজসেবী, ভাষা-সৈনিক ও লেখিকা অধ্যাপক বেগম মাজেদা আলীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের পাঁচ কন্যা সন্তানের সবাই নিজ নামে খ্যাতিমান ও সুপ্রতিষ্ঠিত। বড় কন্যা ড. রানা রাজ্জাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। দ্বিতীয় কন্যা ডা. সাহানা রাজ্জাক স্ত্রীরোগ (গাইনি) বিশেষজ্ঞ হিসেবে খুলনায় কর্মরত। তৃতীয় কন্যা জার্মানিতে কর্মরত ডা. অ্যানা রাজ্জাক মেডিসিন ও আকুপাংচার বিশেষজ্ঞ। চতুর্থ কন্যা লীনা রাজ্জাক চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্ট এবং কনিষ্ঠা কন্যা ব্যারিস্টার ড. জনা রাজ্জাক ইউনিভার্সিটি অব দি ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ড এর আইন বিভাগের অধ্যাপক।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিসের স্বপ্ন পূরণ হলো •কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য বুলেট ও মিরনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ॥ •নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এমপিওভুিক্তর চেষ্টা করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময় •ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলধারার গণমাধ্যমকে নিরাপত্তা দেবে
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document