/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   02:00 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

ইসলামের দৃষ্টিতে নাগরিকের দায়-দায়িত্ব

তারিখ: ২০১৫-০৬-০৮ ২২:১৮:৪১  |  ৩৬৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

মানুষ হিসেবে আমরা সমাজে বাস করি। সমাজ ছাড়া মানুষের জীবন অচল। জীবনের নিরাপত্তা বিধান এবং জীবিকা নির্বাহের তাগিদে প্রাচীন যুগ থেকে সমাজব্যবস্থা চালু হলেও কালক্রমে সমাজের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়ে চলছে। তাই মানুষ এখন একটি সুন্দর সমাজ ও রাষ্ট্র চায়। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ নির্বিশেষে সমাজের সব মানুষ একটি সুখী সমৃদ্ধ সমাজ প্রত্যাশী। কিন্তু শান্তিপূর্ণ সমাজ চাইলেই তো আর হবে না, এ জন্য সমাজে বসবাসরত সবাইকেই কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। এটাই ইসলামে বিধান ও শরিয়তের হুকুম। সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা ও পারস্পরিক দায়-দায়িত্বের অর্ন্তভুক্ত একটি দায়িত্ব ও বিধান হলো, পরস্পরে সম্মান প্রদর্শন। 

এ প্রসঙ্গে হজরত নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যারা বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করে না, তারা আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।’ একটি সুন্দর সমাজ গঠনে এ গুণটি সবার মেনে চলা উচিত।

একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে উপরোল্লিখিত হাদিসের আলোকে আমাদের আচরণ পরিশূদ্ধ হওয়া দরকার। হাল সময়ে দেখা দেখা যায়, আমাদের সমাজ নানাভাগে বিভাজিত হয়ে আছে। ফলে হিংসা-বিদ্বেষ, দলাদলি, খুন-খারাবী লেগেই আছে। অবস্থার এমন অবনতি হয়েছে যে, নিজ দলের, নিজ ধর্মের লোক না হলে তাকে সালাম বা শুভেচ্ছা জানাতেও আমরা কুণ্ঠাবোধ করি। কিন্তু নবী করিম (সা.)-এর নির্দেশ অনুযায়ী যদি আমরা জীবন-যাপন করতাম তাহলে বিভাজনের এক ভয়ঙ্কর পরিণতি থেকে আমরা রক্ষা পেতাম। 

নবী করিম (সা.)-এর নির্দেশ অনুযায়ী যদি আমরা বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করতাম, তাহলে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে হিংসা-বিদ্বেষ, খুন-খারাবী অনেকাংশে কমে যেতো। বয়সে যেই বড় হোক না কেন আমি তাকে সম্মান করবো। তিনি যদি অমুসলিম হন, যদি বিরোধী দলের নেতাকর্মী হন অথবা সমাজের দুর্বল শ্রেণীর কোনো লোক হন। মোট কথা, তিনি যেই হোন না কেন, আমার বয়সের বড় হলেই আমি তাকে সম্মান করবো, সালাম দেবো, তার প্রতি সৌজন্যতা দেখাবো। আর আমার চেয়ে বয়সে ছোট হলে তাকে স্নেহ করবো, ভালো উপদেশ দেবো। 

এভাবে যদি আমরা পরস্পরে আমাদের আচার-আচরণ ও ব্যবহারকে সংশোধন করে নেই, তাহলে সমাজের অশান্তিময় পরিবেশ কেটে যাবে, একটি সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে। আমাদের সমাজে শিক্ষার হার পূর্বের তুলনায় বেশ বেড়েছে, অর্থনৈতিকভাবে আমরা আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ হয়েছি। কিন্তু আমাদের আচার-আচরণে উন্নতি হয়নি। যার কারণে এক ধরনের ভীতি ও অস্থিরতার মধ্যে জীবন-যাপন করতে হয়। এমতাবস্থায় নিজেদের স্বার্থেই আমাদের আচরণ সংশোধন করতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধগুলো আঁকড়ে ধরতে হবে। তবেই একটি সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।

বাংলাদেশের মানুষ এমনি একটি সুন্দর সমাজের জন্য অপেক্ষা করছে। বস্তুত যারা সুন্দর সমাজ চান, জীবনের নিরাপত্তা চান, শান্তিময় সমাজ কামনা করেন- তিনি মুসলিম অথবা অমুসলিম হন, নারী বা পুরুষ হন, শিক্ষিত বা নিরক্ষর হন, ধনী বা দরিদ্র হন সবাই সামাজিক মূল্যবোধের এই উপলব্ধি হৃদয়ঙ্গম করে নিজ নিজ জীবনে বাস্তবায়িত করতে পারি- তাহলেই একটি সুন্দর, শান্তিময় সমাজ আমরা গড়ে তুলতে পারবো- ইনশাআল্লাহ। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.



এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে প্রশিক্ষণ গ্রহণ অপরিহার্য : ধর্মমন্ত্রী •আমতলীতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •প্রত্যেক উপজেলায় মসজিদ-মন্দিরসহ সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প •রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন •ওমরাহ পালনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলার এখন মক্কায় •খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী •বিয়ে বাঁচাতে যখন অচেনা লোকের সাথে রাত কাটাতে হয় •যুক্তরাজ্যে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় দেড়'শ মসজিদ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document