/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ই-টিকিটিং কার্যক্রম

তারিখ: ২০১৫-০৬-২০ ১৬:৪০:০৫  |  ২৩৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ বিমান যাত্রীসেবার মান আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
 
শনিবার জাতীয় সংসদের টেবিলে উত্থাপিত মমতাজ বেগমের এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
সংসদকে দেওয়া মন্ত্রীর তথ্যানুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড ২০০৭ সালের মার্চ মাস থেকে দেশ ও বিদেশের সব অফিস থেকে আন্তর্জাতিক গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকিট (ই-টিকেট) কার্যক্রম শুরু করে। বিমানে সব আন্তর্জাতিক যাত্রী দেশ থেকে বিদেশে ও বিদেশ থেকে দেশের অভ্যন্তরে সব গন্তব্যের জন্য ইলেকট্রনিক টিকিট ও চেক-ইনের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের সুযোগ পান।
 
রাশেদ খান মেনন বলেন, ২০১৩ সাল থেকে সম্মানিত হজ যাত্রীদের জন্যও ইলেকট্রনিক টিকিট চালু করা হয়। দেশের অভ্যন্তরে অভ্যন্তরীণ যাত্রীর জন্য ইলেকট্রিক টিকিট ইস্যু কার্যক্রম ২০১৪ সালের এপ্রিল থেকে চালু হয়েছে। এছাড়াও সিট রিজারভেশন ও টিকিট ক্রয়ের জন্য অনলাইন সিস্টেম আগস্ট ২০১০ থেকে চালু রয়েছে। যাত্রীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে বিমানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে টিকিট বুকিং ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে পারেন।
 
বিমান মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ইন্টারনেট বুকিং কার্যক্রম আরও আধুনিকভাবে চালু করা হয়েছে। উপরন্তু ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে পরিপূর্ণভাবে ‘টিএপি’ (ট্রাভেল এজেন্সি পোর্টাল) পদ্ধতি চালু হওয়ায় এজেন্টরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বুকিং ও টিকিট করার সুযোগ পাচ্ছেন।
 
মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রেভিনিউ ইন্টিগ্রিটি (আরআই) ও রেভিনিউ ম্যানেজমেন্ট (আরএম) চালুর ফলে যাত্রী সাধারণের সেবার মান বৃদ্ধি এবং চাহিদা মতো টিকিটের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ যাত্রীদের উন্নত সেবা প্রদানের জন্য নতুন হুইল চেয়ার সংগ্রহ করা হয়েছে। তদুপরি হুইল চেয়ার পরিচালনার জন্য নারী কর্মীসহ কিছু কর্মীকে নির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এবং নতুন আরো হুইল চেয়ার ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যাত্রী সেবার মান্নোয়নে আগমনী ও বহির্গমন যাত্রী হলে দু’টি গ্রাহক সেবা ডেস্ক প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে উন্নত যাত্রী সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।
 
তিনি বলেন, সম্মানিত যাত্রীদের সেবার মান উন্নতিকল্পে বিমানের চেক-ইন ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক সফটওয়্যার প্রবর্তন করার ফলে উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত হয়েছে। এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে যে সব যাত্রী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম/সিলেট স্টেশন হয়ে বিদেশ ভ্রমণ করবেন তাদের ট্রানজিট, বোর্ডিং কার্ড মূল স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালে হজযাত্রীদের জন্য ফিরতি বোর্ডিং কার্ড এবং মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের হোটেল থেকে তাদের ব্যাগেজ সংগ্রহপূর্বক জেদ্দা এয়ারপোর্টে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এডিবি রূপসা পাওয়ার প্লান্টে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে •ভুটানের জনগণের জন্য ২০ কোটি টাকার ওষুধ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ •কমলো স্বর্ণের দাম •মহেশখালীতে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর •বিশ্বব্যাংক মিয়ানমারে প্রকল্প অনুমোদন বন্ধ করেছে : অর্থমন্ত্রী •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document