/* */
   Friday,  Jun 22, 2018   10 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

'বাজেটে তামাক কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে'

তারিখ: ২০১৫-০৬-২২ ১৬:২৪:৩৬  |  ২৩৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্স সেন্টারের (এইচডিআরসি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেছেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর যৎসামান্য বাড়িয়ে অতীতের মতই বহুজাতিক ও দেশীয় সিগারেট কোম্পানিগুলোকে সুবিধা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এইচডিআরসি আয়োজিত ‘তামাক কর-তামাক রাজনীতি : ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আবুল বারাকাত বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রস্তাব ছিল সিগারেটের কর নির্ধারণ প্রক্রিয়া সহজ করা কিন্তু তা প্রস্তাবিত বাজেটে জটিল।

প্রস্তাবিত তামাক কর নীতিমালা ২০১৫ যৌক্তিকতার নিরিখে গণ্য ও গ্রহণ করা হলে সরকার আগামী তিন অর্থবছরে তামাকজাত পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ বাড়তি রাজস্ব আদায় করতে পারবে বলেও জানান এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ওই সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয় সিগারেটে কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল্যস্তর বাতিল করে তুলনামূলক উচ্চ হারে নির্দিষ্ট পরিমাণ এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপ করা, এই অর্থবছর থেকে তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের ওপর বর্তমানে আরোপিত স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ১ শতাংশ সারচার্জ বাড়িয়ে ২ শতাংশ করাসহ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সরকার যদি তামাক কর সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ চুড়ান্ত বাজেটে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে তাহলে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বহুমূখী সুফল পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, প্রস্তাবিত তামাক কর নীতিমালা  ২০১৫ যোক্তিকতার নিরিখে গণ্য ও গ্রহণ করা হলে আগামী ৩ বছরে এই পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারবে। হিসাব অনুযায়ী আগামী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ১৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকায় এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তামাকের অপ-রাজনীতি থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তামাকজাত পণ্যের ভোগ কমলে সুযোগ ব্যয়ের সৃষ্টি নিরিখে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষসহ শিশু ও নারীরা তুলনামূলক বেশি উপকৃত হবেন, কারণ নিন্ম আয়ের মানুষেরা হ্রাস পাওয়া নিট খরচের তুলনামূলক বড় অংশের সুবিধা পাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার, প্রগতির জন্য জ্ঞান, এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স এবং ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document