/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

'বাজেটে তামাক কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে'

তারিখ: ২০১৫-০৬-২২ ১৬:২৪:৩৬  |  ২৫১ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্স সেন্টারের (এইচডিআরসি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেছেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর যৎসামান্য বাড়িয়ে অতীতের মতই বহুজাতিক ও দেশীয় সিগারেট কোম্পানিগুলোকে সুবিধা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এইচডিআরসি আয়োজিত ‘তামাক কর-তামাক রাজনীতি : ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়া ও সুপারিশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আবুল বারাকাত বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য আমাদের প্রস্তাব ছিল সিগারেটের কর নির্ধারণ প্রক্রিয়া সহজ করা কিন্তু তা প্রস্তাবিত বাজেটে জটিল।

প্রস্তাবিত তামাক কর নীতিমালা ২০১৫ যৌক্তিকতার নিরিখে গণ্য ও গ্রহণ করা হলে সরকার আগামী তিন অর্থবছরে তামাকজাত পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ বাড়তি রাজস্ব আদায় করতে পারবে বলেও জানান এই অর্থনীতিবিদ।

তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে ওই সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয় সিগারেটে কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল্যস্তর বাতিল করে তুলনামূলক উচ্চ হারে নির্দিষ্ট পরিমাণ এক্সাইজ ট্যাক্স আরোপ করা, এই অর্থবছর থেকে তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় মূল্যের ওপর বর্তমানে আরোপিত স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ১ শতাংশ সারচার্জ বাড়িয়ে ২ শতাংশ করাসহ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সরকার যদি তামাক কর সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবসমূহ চুড়ান্ত বাজেটে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে তাহলে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বহুমূখী সুফল পাওয়া সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, প্রস্তাবিত তামাক কর নীতিমালা  ২০১৫ যোক্তিকতার নিরিখে গণ্য ও গ্রহণ করা হলে আগামী ৩ বছরে এই পণ্য থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারবে। হিসাব অনুযায়ী আগামী ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ১৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকায় এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তামাকের অপ-রাজনীতি থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তামাকজাত পণ্যের ভোগ কমলে সুযোগ ব্যয়ের সৃষ্টি নিরিখে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত মানুষসহ শিশু ও নারীরা তুলনামূলক বেশি উপকৃত হবেন, কারণ নিন্ম আয়ের মানুষেরা হ্রাস পাওয়া নিট খরচের তুলনামূলক বড় অংশের সুবিধা পাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার, প্রগতির জন্য জ্ঞান, এন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স এবং ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এডিবি রূপসা পাওয়ার প্লান্টে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে •ভুটানের জনগণের জন্য ২০ কোটি টাকার ওষুধ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ •কমলো স্বর্ণের দাম •মহেশখালীতে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর •বিশ্বব্যাংক মিয়ানমারে প্রকল্প অনুমোদন বন্ধ করেছে : অর্থমন্ত্রী •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document