/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   10:51 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বাস্তবের ডাইনোসর

তারিখ: ২০১৫-০৬-২৩ ১১:৩২:০৯  |  ৩৩৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: নতুন সাড়া জাগানো সিনেমা জুরাসিক ওয়ার্ল্ডের শেষ দৃশ্যে দুই অতিকায় ডাইনোসরের মরণপণ লড়াই দেখে যে কারও গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সে তো সিনেমা। টেলিভিশনের পর্দায় অবাস্তব ঘটনা দেখেই যদি শরীর শিউরে ওঠে, তবে বাস্তবে ঘটলে কেমন লাগবে? তাও চোখের সামনে! জুরাসিক ওয়ার্ল্ড কিংবা জুরাসিক পার্ক নয়, ডাইনোসরের
মতো অতিকায় বাস্তবের দুই ড্রাগনের লড়াই-ই হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপে। কমোডো ড্রাগন নামের দুই দানবের লড়াইয়ের ছবি সম্প্রতি ধরা পড়ে ক্যামেরায়। লড়াইরত দুটি ড্রাগনের এ ছবি তোলা হয় মাত্র ১০ মিটার দূর থেকে। দুই দফায় প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে চলে দুই দানবের লড়াই। কমোডো দ্বীপে এমন ড্রাগন শুধু একটি-দুটি নয়, আছে শত শত।
কমোডো ড্রাগন নামে পরিচিত প্রাণীগুলো আসলে বিকটদর্শন প্রজাতির গুইসাপ। বিরাট আকৃতির জন্য এগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ড্রাগন। বিশ্বের মধ্যে কেবল ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপেই দেখা যায় বলে নাম কমোডো ড্রাগন। বিশাল আকার, সমতল মাথা, নোয়ানো পা এবং লম্বা ও মোটা লেজের অধিকারী এরা প্রাণিকূলের বিস্ময়। এদের দেহের রঙও বৈচিত্র্যময়। কোনটা নীল, কোনটা কমলা আবার কোনটার গায়ের রঙ সবুজ অথবা ধূসর। তবে গায়ের চামড়া খসখসে। হিংস্র ও মাংসাশী প্রাণিগুলো লম্বায় ১০ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। আর গড়ে ১৪০ পাউন্ডের এই বিশালাকৃতির ড্রাগনগুলো বড় বড় ছাগল কিংবা হরিণছানাকে গিলে ফেলতে পারে। কমোডো জাতীয় উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় এখনও অন্তত চার হাজার কমোডো ড্রাগন বেঁচে আছে বলে ধারণা গবেষকদের।
আগে ধারণা করা হতো, কমোডো ড্রাগন স্তন্যপায়ীদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, এমনকি কুমিরের চেয়েও। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষক্রিয়া এবং সূঁচালো দাঁতের কারণে এদের কামড় ভয়ঙ্কর হলেও চোয়ালের শক্তি কুমিরের চেয়ে বেশি নয়। স্থানীয়ভাবে ডাঙার কুমির খ্যাত কমোডো ড্রাগনের ৬০টির মতো ধারালো দাঁত আছে। আর কামড়ের সময় এরা বেশ শক্তিশালী বিষক্রিয়া করে।

সূত্র : মেইল অনলাইন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কালকিনিতে ডিকে আইডিয়াল কলেজের হোস্টেল সিট বরাদ্দের অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদের অনশন। •আমতলীর আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণা •আমতলীতে ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তির স্মরণ সভা। •পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী কাল • (জ্যাক) এর বিজ্ঞপ্তি , সাংবাদিক গাজী রহমত উল্লাহ. বহিস্কার •শোক সংবাদ গোলাম মোস্তফা • ঝিনাইদহে খালার সঙ্গে অভিমানে স্কুল শিক্ষার্থীর বিষপানে আত্মহত্যা •শৈলকুপায় আবারো বাবা-মাকে মারধর ও খেতে না দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document