/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   1 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

থেমে নেই পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস

তারিখ: ২০১৫-০৬-২৫ ১৫:৩১:১৭  |  ২৫৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে টানা তিন দিন ধরে হচ্ছে ভারি বর্ষণ। আবহাওয়া অফিস বলছে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এ চিত্র অব্যাহত থাকবে আরও কয়েকদিন। মাইক নিয়ে তাই পাহাড়ে পাহাড়ে ছুটছে প্রশাসন। পাদদেশে বসবাস করা হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে চালাচ্ছে উচ্ছেদ অভিযানও। এসবের কিছুকেই পরোয়া করছে না ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীরা। টানা বর্ষণের মধ্যেই ১৩ পাহাড়ে বসে তারা গুনছে মৃত্যুর প্রহর! স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করা না হলে পাহাড় ছাড়তে নারাজ তারা। অথচ সাত বছর গত হলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শেষ করতে পারেনি তাদের জন্য তৈরি সাত তলা ভবনের নির্মাণকাজ। আট বছর ধরে হিমাগারে পড়ে আছে পুনর্বাসনের সেই ৩৬ সুপারিশও। ২০০৭ সালের এ মাসে পাহাড় ধসে ১২৭ জনের প্রাণহানির পরই তৈরি করা হয়েছিল এসব সুপারিশ।
আট বছর আগে পাহাড় ধসের যে ২৮টি কারণ চি?চিহ্নিত করেছিল তদন্ত কমিটি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল_ ভারি বর্ষণ, পাহাড়ের বালির আধিক্য, পাহাড়ের উপরিভাগে গাছ না থাকা, গাছ কেটে ভারসাম্য নষ্ট করা, পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস গড়ে তোলা, পাহাড় থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না রাখা, বনায়নের পদক্ষেপের অভাব, বর্ষণে পাহাড় থেকে নেমে আসা বালি ও মাটি অপসারণে দুর্বলতার বিষয়টি।
আবার সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল_ গাইডওয়াল নির্মাণ, পাহাড়ের ৫ কিলোমিটারের মধ্যে হাউজিং প্রকল্প না করা, জরুরি বনায়ন, নিষ্কাশন ড্রেন ও মজবুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা, বসতি স্থাপনাসমূহ টেকসই করা, পাহাড়ের পানি ও বালি অপসারণের ব্যবস্থা করা, যত্রতত্র পাহাড়ি বালি উত্তোলন নিষিদ্ধ করা, পাহাড়ি এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা নিষিদ্ধ করা, মতিঝর্ণা ও বাটালি হিলের পাদদেশে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদ করে পর্যটন স্পট করা, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসতি স্থাপনা নিষিদ্ধ করা, পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা, মহানগরীকে পাহাড়ি এলাকা হাটহাজারীর দিকে সম্প্রসারণ না করে কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়ে পটিয়া ও আনোয়ারার দিকে সম্প্রসারণ ও বর্তমানে যেসব পাহাড় প্রায় খাড়া অবস্থায় রয়েছে সেসব পাহাড়ে স্বাভাবিক বনায়ন সম্ভব নয় বিধায় সেখানে মুলি বাঁশ, মিতিঙ্গা রোপণ করা প্রভৃতি।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহউদ্দিন বলেন, 'স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ৩৬টি সুপারিশ থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতার

কারণে এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। খালি জায়গা পড়ে থাকলেও পুনর্বাসনের জন্য জায়গা চাইলে নেই বলে দিচ্ছে রেলওয়ে। আবার কারও থেকে জায়গা পেলে মেলে না অর্থ। অবশ্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পাহাড়ের পাদদেশে থাকা ১৬১টি পরিবারকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করতে উদ্যোগ নিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী অন্য পরিবারগুলোকে অস্থায়ীভাবে পাশের কোনো ক্যাম্পে সরিয়ে নিচ্ছি আমরা।'
জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পাদদেশে বসবাসকারী ১৬১টি পরিবারকে স্থায়ীভাবে পুনর্বাসন করতে সাততলা বিশিষ্ট একটি বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও আলোর মুখ দেখেনি তা সাত বছরেও। তাই সিটি করপোরেশন এখন ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং করলেও তাতে সাড়া দিচ্ছে না নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নগরীর আকবর শাহ এলাকায় পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে শাপলা আবাসিক এলাকা। আবার কৈবল্যধামের বিশ্বব্যাংক কলোনিতে গেলে দেখা যাবে এক্সক্যাভেটর ও বুলডোজার দিয়ে এখানে পাহাড় কাটছে খোদ সিটি করপোরেশন। আবার জলাধার নির্মাণ করতে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় পাহাড় কাটছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। উভয় প্রতিষ্ঠান পাহাড় কাটার আগে অনুমতি নিয়েছে তদারকি সংস্থা সিডিএ থেকে। শর্ত মেনে পাহাড় কাটছে না দুই প্রতিষ্ঠানের কেউই। আবার যে প্রতিষ্ঠান শর্ত তৈরি করছে মানছে না তা সেও। এদিকে সলিমপুরে পাহাড় কেটে আবাসন প্রকল্প করার অভিযোগ আছে সিডিএর বিরুদ্ধেও। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এভাবে পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীরাও পাহাড় কাটছে দেদারছে। এ কাটা পাহাড়ের নিচেই দিন দিন বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির সংখ্যা। ২০০৭ সালে তাই পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে এক রাতেই মারা গেছে ১২৭ জন। সংখ্যায় কম হলেও মৃত্যুর এ মিছিল অব্যাহত ছিল প্রতি বছর। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস চলতে থাকায় মৃত্যুর মিছিলে এবার যুক্ত হতে পারে নতুন কারও নাম।
৫০ পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে প্রশাসন
পাহাড় ধসে প্রাণহানি বন্ধে নগরীর মতিঝর্ণা পাহাড় থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ৫০ পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বুধবার তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়। চট্টগ্রামে টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে ধসের আশঙ্কায় নগরীর আকবর শাহ, শাপলা আবাসিক এলাকা, বিশ্ব কলোনি, টাইগারপাস, লালখান বাজার, মতিঝর্ণা, বাটালি হিল, বায়েজিদসহ বিভিন্ন পাহাড়ের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরে যেতে মাইকিং করে প্রশাসন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document