/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   8 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

সাক্ষ্য বাতিলে খালেদার আবেদন খারিজ

তারিখ: ২০১৫-০৬-২৯ ১৪:০৩:৫৩  |  ৩৮৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বাদী ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার এ আদেশ দেন বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
 
বিচারিক আদালতে পাঁচ কার্যদিবসে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বাদী ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়ার কারণ দেখিয়ে সাক্ষ্য বাতিল করে নতুন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্দেশনা চেয়ে গত ১৫ জুন এ ফৌজদারি আবেদনটি জানান খালেদার আইনজীবীরা। পাশাপাশি ওই সাক্ষ্য কেন বাতিল করা হবে না, সেই রুল চাওয়া হয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিতেরও আরজি জানান তারা। আবেদনে সরকার ও দুদককে বিবাদী করা হয়।

গত ২২ থেকে ২৫ জুন চার কার্যদিবসে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন খালেদার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাহবুব হোসেন ও মাহবুবউদ্দিন খোকন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান।

গত ২৫ মে খালেদার আইনজীবীরা মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদের সাক্ষ্য বাতিল চেয়ে আবেদন জানালে রাজধানীর বকশিবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার তা খারিজ করে দিয়ে পরবর্তী সাক্ষ্যের দিন ধার্য করেন। এ খারিজাদেশের বিরুদ্ধেই হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করেন আসামিপক্ষ।

এদিকে বিচারিক আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়ও প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২৫ মে পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন বাদী হারুন-অর রশিদ। দুই মামলায়ই তাকে আংশিক জেরা করেছেন আসামিপক্ষ। আগামী ২৩ জুলাই দুই দুর্নীতি মামলায় প্রথম সাক্ষীর বাকি জেরা ও পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ মোট আসামি ছয়জন। অপর পাঁচজন হলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, খালেদা জিয়ার শাসন আমলের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

আসামিদের মধ্যে ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক। বাকিরা জামিনে রয়েছেন।
 
অপরদিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ আসামি চারজন। অপর তিনজন হলেন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর সাবেক একান্ত সচিব ও বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র  নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
 
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে আর্থিক লেনদেন ও মোট সোয়া ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই ও ২০১১ সালের ৮ আগস্ট মামলা করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়। অন্যদিকে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত শেষে মামলা দু’টির চার্জশিট দেওয়া হয়। অভিযোগ গঠনের আগেও মামলা দু’টি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। আবেদন দু’টি খারিজ করেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায়।

এ অভিযোগ গঠন বিধিসম্মত হয়নি দাবি করে হাইকোর্টে আরও একটি আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে এ আবেদন খারিজ করেন হাইকোর্ট।

এরপর মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে এবং বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবারও রিট করেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে গত বছরের ২৫ মে বিভক্ত রায় দেন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি এক আদেশে তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে দিলে গত বছরের ১৯ জুন ওই রিট দু’টিও খারিজ করেন।
 
এদিকে আগের বিচারকের প্রতিও অনাস্থা জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানানো ছাড়াও তার আদালতে বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে এজলাসকক্ষেই বিশৃঙ্খলা ও হই-হট্টগোল এবং বিচারকের প্রতি কটূক্তি করে আসছিলেন খালেদার আইনজীবীরা।

এ পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশে ও প্রধান বিচারপতির পরামর্শে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আইন মন্ত্রণালয় আগের বিচারক বাসুদেব রায়ের বদলে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ হিসাবে নিয়োগ দেয় আবু আহমেদ জমাদারকে।

নানা কারণ দেখিয়ে মামলা দু’টির শুনানির জন্য নির্ধারিত ৬৮ কার্যদিবসের মধ্যে ৫৮ কার্যদিবসই অনুপস্থিত থেকেছেন খালেদা জিয়া, হাজির হয়েছেন মাত্র ১০ দিন।

দীর্ঘদিন ধরে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও শরফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন বিচারিক আদালত। পরে গত ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন খালেদা জিয়াসহ ওই তিন আসামি।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ •প্রথমে ছেলে, পরে বাপ এসে আমার ওপর নির্যাতন করে' •ঝিনাইদহে সার কারখানা থেকে বিপুল পরিমান সালফিউরিক এ্যাসিড জব্দ, লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা •হাইড্রোলিক হর্ন ১৫ দিনের মধ্যে থানায় জমা দিতে হবে : হাইকোর্ট •ঝিনাইদহে ৭ বছর পর রিপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডের আদেশ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document