/* */
   Sunday,  Jun 24, 2018   6 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

ছয় মাসে ক্রসফায়ারে মৃত্যু ১০১

তারিখ: ২০১৫-০৬-৩০ ২৩:৫৮:৫৫  |  ২১২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

গত ছয় মাসে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও ক্রসফায়ারে মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের। মঙ্গলবার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনটি করা হয়েছে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০জুন পর্যন্ত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে সাদা পোশাকে এসে ২৯ জনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে চারজনের লাশ পাওয়া যায়। একজন ফেরত আসে। একজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। তবে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

আসক আরো জানায়, চলতি বছর গত ছয় মাসে গুলি, এসফায়ার, অপহরণসহ বিভিন্নভাবে মৃত্যু হয়েছে ৬১৭ জনের। নির্যাতনে শিকার হয়ে আত্নহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন আরো ৭১ জন।

নির্যাতনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতৃর্ক হেফাজত/ক্রসফায়ারে মারা গেছেন মোট ৯৪জন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে অপহরণ হয়েছে ৭৪ জন। রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা গেছেন ১১৭ জন।

কারা হেফাজতে মারা গেছেন ২৮ জন। গণপিটুনিতে মারা গেছেন ৬৯ জন এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৬৫ জন নারী। এরমধ্যে হত্যা করা হয়েছে ২৯ জনকে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে- র‌্যাবের ক্রসফায়ারে ২৭জন, পুলিশের ক্রসফায়ারে ৩৯জন, র‌্যাব ও পুলিশের ক্রস ফায়ারে এক জন, যৌথবাহিনীর ক্রসফায়ারে সাত জন, র‌্যাব ও বিজিবির ক্রসফায়ারে দুই জন কোস্টগার্ডের ক্রসফায়ারে তিন জন, ডিবি পুলিশের ক্রস ফায়ারে দুই জন মারা গেছেন। 
এছাড়াও পরিশের নির্যাতনে সাত জন, বিজিবির নির্যাতনে এক জন, র‌্যাবের নির্যাতনে এক জন, পুলিশের গুলিতে তিন জন এবং মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি এ কারণে মৃত্যু হয়েছে আরো এক জনের।

গত ছয় মাসে রাজনৈতিক সংঘাতের মোট ঘটনা ঘটেছে ৬৬০ টি। এতে নিহত হয়েছেন ১৩২ জন। আহত হয়েছেন তিন হাজার ৮৯২ জন। নিহতদের মধ্যে ৭০ জনই মারা গেছেন অগ্নিদগ্ধ হয়ে। ছয় মাসে সাতটি বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ১৯ বার ১৪৪ ধারা জারির ঘটনা ঘটে। শুধু গণপিটুনিতেই মৃত্যু হয় ৬৯ জনের।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ৯৪টি বাড়ি ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেয়া হয়। ১৩৭টি প্রতিমা ভেঙে ফেলা হয়। বিভিন্ন ঘটনায় ২৮ জন আহত হন। ১৬১ জন গণমাধ্যমকর্মী বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।

ছয় মাসে ধর্ষণের শিকার হয় ৩২৬ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় ২৯ জনকে। আত্মহত্যা করেন একজন। ৫২ জনের বেশি নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। যৌন হয়রানির কারণে ছয়জন নারী আত্মহত্যা করেন। এ ধরনের ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে একজন নারী ও একজন পুরুষ নিহত হন।

২২ জন গৃহকর্মী বিভিন্ন ভাবে নির্যাতনের শিকার হন। এর মধ্যে মারা যান তিনজন। রহস্যজনক মৃত্যু হয় ১১ জনের। সালিস ও ফতোয়ার কারণে নির্যাতনের শিকার হন চারজন নারী।

যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হন ১৩৩ জন। হত্যা করা হয় ৯১ জন নারীকে। আত্মহত্যা করেন চারজন। পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হন ২০০ জন। এর মধ্যে ১৪৮ জনকে হত্যা করা হয়। এ ধরনের নির্যাতনে আত্মহত্যা করেন ৩২ জন।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document