/* */
   Wednesday,  Sep 19, 2018   03:50 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে কোন বাধা নেই : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী •একাদশ সংসদ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম •লন্ডনে গঠিত বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে ভিসা দেয়া হয়নি •প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন •কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিএনপির সরকার পদত্যাগের দাবির কোন বাস্তবতা নেই : তথ্যমন্ত্রী •মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় : শিল্পমন্ত্রী
Untitled Document

শালবনের বনচালিতা

তারিখ: ২০১৫-০৭-০২ ১৪:৪৬:৪৬  |  ৩৪৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: এই তো মাত্র কয়েক দিন আগে বর্ষা তার চিরচেনা রূপে ফিরে এসেছিল। বর্ষার আনুষ্ঠানিক যাত্রার আগের দিনই দিনভর-রাতভর বিভিন্ন ছন্দ-লয়ে একটানা বৃষ্টি। এই বৃষ্টি মন আউলা করে। উদাস ভাবনাগুলো ভেজা বাতাসের সঙ্গী হয়ে ভেসে বেড়ায় দূর-দূরান্তে। এমন একটি দিনেই আমরা গিয়েছি গাজীপুরের শ্রীপুর। গ্রামের নাম গোসিংগা। সকালটা বেশ শান্ত, নিরিবিলি। আকাশে ভারি মেঘের আনাগোনা। সূর্যদেবের দেখা নেই। ছুটির দিনের ভোর বলে কোনো যানজটও নেই। পথের দু'পাশে বিক্ষিপ্ত শালবন। রাজেন্দ্রপুর ছাড়িয়ে বনের গভীরতা যেন আরেকটু বেড়েছে। কোথাও কোথাও লতা-গুল্মের ঠাসবুনন। দু-একটি পায়েচলা সরু পথ। হঠাৎ
করেই এক টুকরো লাল গালিচা যেন দৃষ্টিসীমা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর আরও একটি। নাহ্, এভাবে আর চুপচাপ বসে থাকা যায় না। রহস্য উন্মোচিত হওয়া প্রয়োজন, কোন ফুলটি বনের ভেতর এমন বর্ণাঢ্য আয়োজন করেছে। জাহিদ ভাই গাড়ি থামালেন। ক্যামেরা হাতে ছুটলাম। কাছে গিয়ে দেখি_ আরে, এ তো বনচালিতা! আমাদের বনবাদাড়ে অঢেল জন্মে। বিশেষ করে শালবনেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তবে শালবনের অব্যাহত বিলুপ্তির কারণে অন্যান্য বৃক্ষের পাশাপাশি এ গাছটিও বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
বনচালিতার (খববধ ধষধঃধ) প্রচলিত অন্যান্য নামের মধ্যে কাকজঙ্ঘা, কুকুরজিহ্বা, কুকুরা ও লিয়া অন্যতম। স্থানীয়ভাবে এ গাছের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ঢোলসমুদ্র। ঢোলসমুদ্রের পাতা বেশ বড়। বনচালিতা শক্ত কা ের ছোট গুল্মের গাছ। কা ১ দশমিক ৭ মিটার পর্যন্ত লম্বা, মসৃণ কিন্তু ওপরে ওঠা বিন্দু দ্বারা আবৃত। পত্র সরলভাবে সচূড় পক্ষল, খাটো বৃন্তযুক্ত, পত্রবৃন্ত লালচে, পত্রক ৩০ থেকে ৩৫ সেমি., সাধারণত ৫টি, কখনও কখনও ৩টি, অবৃন্তক এবং আয়তাকার। পাতা অসমভাবে দন্তরপ্রান্তিক, নিচের পিঠ ঈষৎ লালচে এবং শিরা অত্যন্ত তীক্ষষ্ট এবং স্পষ্ট। পুষ্পমঞ্জরি লোমশ ও লালচে, মঞ্জরিদ ৫ থেকে ১৭ সেমি. লম্বা, খাঁজযুক্ত তবে পুষ্পবৃন্তিকা বেশ খাটো। ফুল ক্ষুদ্র, লাল এবং সংখ্যায় অঢেল ও পরাগধানী যুক্ত। ফল লাল, আড়াআড়িভাবে প্রায় ১ সেমি., পরিপকস্ফ ফল নীলাভ-রক্তবেগুনি রঙের। ফুল ফোটার মৌসুম সাধারণত জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত।
বনচালিতার অনেক গুণ। রাজনিঘন্টুকারের উদ্ধৃতি থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। 'কাকজঙ্ঘা তু তিক্তোষ্ণা ক্রিমিব্রণকফাপহা। বাধির্য্যাজীর্ণ জিৎ-জীর্ণ বিষমজ্বরহারিণী' এই উদ্ধৃতি থেকে বনচালিতার অনেক রোগ উপশমের উল্লেখ পাওয়া যায়। শিকড়ের রস কৃমিনাশক, আবার ব্রণ এবং চর্মরোগেও কার্যকর। তা ছাড়া মূলের রস কানের বধিরতা চিকিৎসায় ফলপ্রসূ। আমাদের স্বার্থেই বিপন্ন শালবনগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে। বাঁচিয়ে রাখতে হবে সেখানকার প্রাণবৈচিত্র্য।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা • ১৫ আগষ্ট’ ২০১৭ ইং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিলখী ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরে তোবারক বিতরন।
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document