/* */
   Wednesday,  Dec 19, 2018   8 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

ক্রেডিটকার্ডই খুদে কম্পিউটার!

তারিখ: ২০১৫-০৭-০৫ ১২:০৯:০৮  |  ২৫৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: ক্রেডিট কার্ড এ সময়ের অনেকের নিত্যসঙ্গী। পকেটে টাকা নিয়ে ঘোরার দিন অনেক আগেই শেষ হয়েছে এই ক্রেডিট কার্ডের বদৌলতে। সিঙ্গাপুরের ক্রেডিট কার্ড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান 'মাস্টার কার্ড' ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে নতুন এক ধরনের ক্রেডিট কার্ড তৈরি করেছিল। এটি কোনো সাধারণ ক্রেডিট কার্ড ছিল না। নতুন এ কার্ডে সংযুক্ত হয়েছিল এলসিডি ডিসপ্লে এবং বিল্ট-ইন কি-বোর্ড। কার্ডটিতে আরও ছিল টাচ-সেনসিটিভ বাটন এবং ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড, যা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের কাজকে অনেক সহজ করে দেবে। শুধু তাই নয়, গ্রাহক ইচ্ছা করলেই যে কোনো সময় পাসওয়ার্ড দিয়ে এ ক্রেডিট কার্ডের পর্দায় নিজের ব্যাংক হিসাবের ব্যালেন্স কিংবা সাম্প্রতিক লেনদেনগুলোও দেখতে পারতেন। বর্তমানে পৃথিবীর অনেক ব্যাংকই অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেনের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি টোকেন হিসেবে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকে। এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকরা সিকিউরিটি ডিভাইস বা টোকেন বহনের ঝামেলা সহজেই এড়াতে পারবেন। বহুদিন ধরেই কম্পিউটারে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এ বিষয়টি মাথায় রেখে একই কার্ডের মাধ্যমে সব তথ্য দিয়ে সাহায্য করতেই মাস্টারকার্ড এমন একটি কার্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিল।
সবশেষে এখন বলা হচ্ছে, আপনার ক্রেডিট কার্ডটি কাজ করবে মিনি কম্পিউটারের মতো। কি, অবাক হচ্ছেন! হয়তো প্রশ্ন আসবে_ এটা কীভাবে সম্ভব? এক বা দু'ভাবে নয়, ছয়ভাবে এর উপকার পাওয়া যাবে, যা কেবল কম্পিউটারেই পাওয়া সম্ভব। এখন বলা হচ্ছে, এই ক্রেডিট কার্ড আর সাধারণ একটি প্লাস্টিক কার্ড হয়ে থাকছে না, মিনি কম্পিউটার হয়ে স্থান করে নেবে আপনার ওয়ালেটে। তাতে আপনার টাকা পরিশোধ যেমন হবে আরও নিরাপদ, তেমনি এখন যেমন একাধিক কার্ড পকেটে নিয়ে ঘুরতে হয় তারও প্রয়োজন হবে না। নতুন এ কার্ড বাজারে আনছে 'মানি মেইল'। ডিজাইন করছে 'মাস্টার কার্ড'। ভবিষ্যতের জন্য তারা ছয় ধরনের সার্ভিস নিয়ে আসছে।
কার্ড নিজেই ব্যালেন্স দেখাবে
আপনার অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে তা জানতে এটিএমে কার্ড চার্জ করতে হয়। কিন্তু নতুন কার্ড সহজেই বলে দেবে আপনার ব্যালেন্স কত আছে। মাস্টার কার্ডের এ ডিজাইনে ডান দিকের ওপরের কোনায় আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স ভেসে উঠবে। মিনি ক্যালকুলেটরের যেমন স্ক্রিন থাকে, এখানেও তেমন স্ক্রিন থাকবে। অনেকেই ভাবতে পারেন, এই ডিসপ্লে থেকে অন্যরা ব্যালেন্স দেখে ফেলবে। কিন্তু না, সে ভয় থেকে মুক্ত থাকতে ডিসপ্লেটি আপনি পিন কোড ব্যবহার করে নিজেই অফ-অন করতে পারবেন। এমন চমৎকার সুবিধা দিলেও কার্ডটি আগের মতোই পাতলা থেকে যাচ্ছে। এর মধ্যে যে ব্যাটারি রয়েছে তাতে মাপের কোনো হেরফের হচ্ছে না।
আঙুলের ছাপে তালা খুলুন
কার্ডটিতে একটি অতিরিক্ত স্তর সংযোজিত হচ্ছে, যা আপনাকে প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা করবে। চুরি করে নিলেও কেউ ফায়দা করতে পারবে না বা কোনো কাজ করতে পারবে না। কারণ এটি আপনার আঙুলের ছোঁয়া না পেলে খুলবে না। কার্ডের ওপর একটি ছোট্ট প্যাড রয়েছে, যেটিতে পরিচিত আঙুলের ছোঁয়া পেলেই কার্ডের তালা খুলবে। আপনি শপিং করতে চাইলেও এই একই ব্যবস্থা। তবে স্ক্যানারে সোয়াইপ করে পিন নম্বর দিলে তা কাজ করবে। আর ক্যাশ মেশিনে আঙুলের ছাপ থাকলেই হবে না, পিন নম্বরটিও ইনসার্ট করতে হবে।
পাউন্ড-ডলারে পরিশোধ
আপনি যখন বিদেশ ভ্রমণে যাবেন, তখন আর একাধিক কার্ড বহন করার প্রয়োজন হবে না। মজার ব্যাপার হলো, এই কার্ডে আপনার মুদ্রার ধরন পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। সামনের কয়েকটি বোতাম টিপলে আপনি অনায়াসে পছন্দমতো ডলার কিংবা পাউন্ড নির্ধারণ করে নিতে পারবেন। যে ধরনের মুদ্রা নির্ধারণ করা হবে, তার সিগন্যাল জ্বলবে কার্ডের ওপর। সুতরাং আপনি যখন নিউইয়র্কে থাকবেন তখন ডলার আর লন্ডনে থাকলে পাউন্ডেই খরচ করতে পারবেন। এতে মুদ্রা বিনিময়ের খরচ বাঁচবে, যার পরিমাণও নেহায়েত কম নয়।
ডেবিট-ক্রেডিট দুই সুবিধা
অনেক ব্যাংকই তাদের খদ্দেরকে দুই ধরনের কার্ড দেয়_ ডেবিট ও ক্রেডিট। তাদের আবার সেভিংস অ্যাকাউন্টস কার্ডও থাকে। এ ছাড়া কারও কারও একই ব্যাংকে ব্যবসা সংক্রান্ত এবং ব্যক্তিগত দুই ধরনের হিসাবও বজায় রাখতে হয়। এই বিশেষ কার্ড থাকলে দুই ধরনের হিসাব খুলতে হবে না, একটিতেই চলবে। খদ্দের তার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের সময় একেকটি নির্ধারণ করে নেবে। মজার ব্যাপার হলো, কেনাকাটা শেষ হলে কার্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পরের লেনদেনের জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকবে।
লুকানো কার্ড নম্বর
সব ক্রেডিট কার্ডেই এ নম্বরটি দেখা যায়; কিন্তু এই মিনি কম্পিউটার কার্ডে তা থাকবে আংশিক লুকানো। ১৬ ডিজিটের নম্বরের কয়েকটি হতে পারে ৮টি কিংবা ৪টি ডিজিট আপনি অদৃশ্য করে রাখতে পারবেন। 'এ' থেকে 'ই' পর্যন্ত বর্ণগুলো দিয়ে আপনি একটি কোড তৈরি করে রাখলে সেটি ঢোকালেই পুরো নম্বরটি দেখা যাবে। ভুল কোড ঢোকানো হলে কার্ড লক্ড হয়ে যাবে। আর কেনা শেষ হওয়া মাত্র কার্ড নিজেই আবার নম্বর লুকিয়ে ফেলবে।
বিশেষ সিকিউরিটি কোড
এই কার্ডে রয়েছে একটি বিশেষ নিরাপত্তা কোড। অনলাইনে কেনাকাটার সময় টেলিফোনে আপনাকে সাধারণত কোডের শেষ তিনটি ডিজিট জানতে চাওয়া হয়। স্মৃতি থেকেই তা বলতে হয়। এই কার্ডে কোডের শেষ তিনটি ডিজিট স্ক্রিনেই ভেসে উঠবে। তবে এ নম্বরটি কয়েক ঘণ্টা পরপরই পাল্টে যাবে, যাতে কোনো প্রতারক এ থেকে প্রতারণা করতে না পারে।

সূত্র :বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম এত বেশী কেন? •মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করা যাবে! •ফেসবুক ব্যবহারে সারা পৃথিবীতে দু'নম্বরে ঢাকা •এক হলো রবি-এয়ারটেল •বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের অর্ধেক কাজ সমাপ্ত. তারানা হালিম। •বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা •পৌ‌নে ২ ঘণ্টা সময় দিলেন প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম। •সিম নিবন্ধন, শেষ সময় ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা তারানা হালিম
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document