/* */
   Friday,  Jun 22, 2018   00:01 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

ফেঁসে যাবে অনেক রাঘববোয়াল!

তারিখ: ২০১৫-০৭-০৫ ১২:০৯:৪৮  |  ২৪৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: সূর্যমুখী তেলের আড়ালে তরল কোকেন পাচারের ঘটনায় ফেঁসে যেতে পারে অনেক রাঘববোয়াল। জব্দ করা কম্পিউটার, ই-মেইল বার্তা ও রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসছে নতুন অনেক তথ্য। এলসি ছাড়া বাংলাদেশে আসা তরল কোকেন খালাস করতে চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। চালানটি অন্য দেশে পাঠাতে যোগাযোগ করেছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বকুল ও ভারতীয় নাগরিক রাজুও। তাদের গ্রেফতার করলে জানা যাবে এ চক্রের মূলহোতাদের নাম।

চালানটি খালাস করতে সেকেন্ড পার্টি হিসেবে কাজ করেছেন এ দু'জন। তাদের ধরতে তাই ইন্টারপোল ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সহায়তা চাইবেন গোয়েন্দারা। কত টাকার চুক্তিতে এ পণ্য খালাস করার চেষ্টা হয়েছিল, খোঁজা হচ্ছে সেই তথ্যও। আবার চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ফাঁকে যাতে মাদকের নতুন কোনো চালান বন্দর দিয়ে পাচার হতে না পারে, সে জন্য দেশের সব বন্দরে ডগ স্কোয়াড রাখার সুপারিশ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এ প্রসঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান বলেন, 'চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে যেহেতু একবার মাদক আনা হয়েছে, তাই এটিকে আবারও রুট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্র। একটি চালান আটকের ফাঁকে আসতে পারে নতুন আরেকটি চালান। তাই দেশের সব স্থল ও সমুদ্রবন্দরে ডগ স্কোয়াড রাখার সুপারিশ করছি আমরা। পাশাপাশি প্রতিটি বন্দরের ল্যাব আধুনিক করারও সুপারিশ আছে আমাদের।' চলমান তদন্ত কার্যক্রম সম্পর্কে পুলিশ কমিশনার আবদুল জলিল মণ্ডল বলেন, 'গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি আমরা। নতুন করে আসছে কিছু নামও।

যাচাই-বাছাই করে এদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এক ব্রিটিশ ও এক ভারতীয়কে ধরতে পারলে এ মামলার অনেক অগ্রগতি হবে। এ জন্য প্রয়োজনে ইন্টারপোল ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সাহায্য নেওয়া হবে।' মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামান বলেন, 'জিজ্ঞাসাবাদে বন্দর কাস্টমসহ বিভিন্ন সংস্থার নতুন অনেকের নামই আসছে। এগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করছি।'

রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিদের উদৃব্দতি দিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি বলিভিয়া থেকে উরুগুয়েতে চালানটি পাঠায়। সিলেটের বকুল নামের যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এক নাগরিক চালানটি খালাসের ব্যাপারে প্রথম যোগাযোগ করেন ঢাকায় থাকা তার মামাতো ভাই মোস্তফা কামালের সঙ্গে। মোস্তফা কামাল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তার ভাতিজা আতিকুর রহমানের সঙ্গে। এর মধ্যে বকুল চালানটি খালাসের ব্যাপারে খানজাহান আলী লিমিটেডের জনৈক গোলাম মোস্তফা সোহেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন আতিক ও মোস্তফা কামালকে।

তারা কসকো শিপিং এজেন্টের ম্যানেজার এ কে আজাদের সঙ্গে চালানটি আপাতত ভারতে নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করেন। এই চালানের ব্যাপারে কাগজপত্রও পাঠাতে বলেন বকুলকে। তবে বকুল জানান, তার ভারতীয় বন্ধু রাজু এ চালানের মালিক। তার কাছে কোনো কাগজ নেই। যেভাবে আছে চালানটি সেভাবেই অন্য দেশে পাঠানো যায় কি-না, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তা আলোচনা করতে বলেন বকুল। এ নির্দেশনা পেয়ে সিঅ্যান্ডএফ ও বন্দর কাস্টমসের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা হয় সোহেল ও আতিকের। এরই মধ্যে বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জেনে যাওয়ায় ফেঁসে যান আতিক, মোস্তফা কামাল, সোহেল ও এ কে আজাদ। তবে পুলিশ বলছে, ব্রিটিশ নাগরিক বকুল ও ভারতীয় নাগরিক রাজুকে গ্রেফতার করা গেলে আন্তর্জাতিক চক্রের মূল হোতাদের নাম জানা সম্ভব হবে। এ জন্য ১৮৮টি দেশে অপরাধ নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ও ব্রিটেনের বিশেষায়িত পুলিশ সংস্থা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের শরণাপন্ন হচ্ছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা থেকেই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তরল কোকেনের চালান আসার খবর পায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, বন্দর কর্তৃপক্ষ, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খবর পেয়ে এ চালানের নথি সংগ্রহ করেন। নথি সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখা যায়, চালানটি আমদানির জন্য ব্যাংকে কোনো ঋণপত্র খোলা হয়নি। আবার বলিভিয়া থেকে সূর্যমুখী তেলের কোনো চালান এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস হয়নি। তাই চালানটি নিয়ে তাদের সন্দেহ বাড়তে থাকে। পুলিশের ধারণা, এ চালানের সঙ্গে ব্রিটেন, বলিভিয়া, উরুগুয়ে, সিঙ্গাপুর ও ভারতের চোরাচালানি চক্র জড়িত। ব্রিটিশ ও ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা গেলে অপর তিন দেশের চোরাকারবারিদের ব্যাপারেও জানা যাবে বলে ধারণা নগর গোয়েন্দা পুলিশের।

ব্যাংকে এলসি না খুলে ভুয়া কাগজ তৈরি করে বলিভিয়া থেকে আনা হয় কোকেন মেশানো এক কনটেইনার সূর্যমুখী তেল। ১০৭টি ড্রামে ভরে ২০ টন তেল আনা হলেও একটিতে ছিল তরল কোকেন। ৯৬ নম্বর ড্রামে থাকা ১৮৫ কেজি সূর্যমুখী তেল ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে গত সপ্তাহে কোকেন থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এরপরই তোলপাড় শুরু হয় দেশ-বিদেশে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম নিষিদ্ধ কোকেনের এত বড় চালান ধরা পড়ল চট্টগ্রাম বন্দরে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document