/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   9 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

গুগল অ্যাডসেন্সের আয় থেকে বঞ্চিত বাংলা অনলাইন

তারিখ: ২০১৫-০৭-০৮ ১২:০৯:৩৯  |  ২৫৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি উদ্যোগ না থাকায় গুগল অ্যাডসেন্সের বিশাল বিজ্ঞাপন বাজার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলা অনলাইন পোর্টালগুলো। পাশাপাশি অ্যাডসেন্সে বাংলা স্বীকৃত না হওয়ার সুযোগে কিছু মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান 'আইফ্রেম' পদ্ধতিতে বাংলা অনলাইন পোর্টালে বিজ্ঞাপন দিয়ে মুনাফা করছে বিপুল পরিমাণ অর্থ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলা স্বীকৃত হলে এ ভাষার ওয়েবসাইটগুলো বৈধভাবে এ খাত থেকে আয়ের সুযোগ পাবে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিবেশী ভারত ও শ্রীলংকায় অনলাইন লেনদেন সহজ করতে 'পেপাল' চালু হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে গুগল অ্যাডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ায় স্থানীয় ভাষার সাইটগুলো বিপুল আয়ের সুযোগ পাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলা সাইটে গুগল অ্যাডসেন্স স্বীকৃত হলে দেশের প্রথম শ্রেণীর দৈনিকের নিউজ পোর্টাল ও বাংলা সাইটগুলো পরিদর্শনকারীর (ভিজিটর) সংখ্যা
বিচারে মাসে এক লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করতে সক্ষম হবে। বর্তমানে এ আয়ের বেশিরভাগ নিয়ে যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।
গুগল বাংলাদেশের নির্বাহী ব্যবস্থাপক তানজিল ইসলাম সমকালকে জানান, গুগলের পরিকল্পনায় অ্যাডসেন্সে বাংলা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে যেসব বাধা আছে, তা দূর করতে সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলে খুব কম সময়ের মধ্যে বাংলাকে গুগল অ্যাডসেন্সে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ আনোয়ার মনে করেন, গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলা স্বীকৃত না হওয়া এবং বাংলা অনলাইন পোর্টালগুলো বড় আয় থেকে বঞ্চিত হওয়ার বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, অনলাইনে বাংলাকে স্বীকৃত ও জনপ্রিয় করার জন্য সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো গুগল ট্রান্সলেটরে সাত লাখ বাংলা শব্দের সংযোজন। তিনি বলেন,' গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলাকে অন্তর্ভুক্ত করতে যেসব উদ্যোগ দরকার, তা অবশ্যই নেওয়া হবে।'
গুগল অ্যাডসেন্সের বর্তমান অবস্থা :গুগলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গুগল অ্যাডসেন্স ৩৮টি ভাষা সমর্থন করে। অর্থাৎ ওই ৩৮টি ভাষার ওয়েবসাইটে সরাসরি গুগল অ্যাডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত বাংলা ভাষা গুগল অ্যাডসেন্স সমর্থন করে না। তাই বাংলা পোর্টালে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে সরাসরি বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় না। তবে দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করে বাংলা ওয়েবসাইটেও অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন আসছে। এর একটি হচ্ছে 'আইফ্রেম' পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কিছু মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান নিজেদের ইংরেজি সাইট থেকে গুগলের বিজ্ঞাপন কপি করে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে বন্দি করছে, যাকে বলা হচ্ছে 'আইফ্রেম'। এ ফ্রেমটি বাংলা সাইটগুলোতে বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হচ্ছে। ওই ফ্রেমে 'অ্যাডস বাই গুগলের' পরিবর্তে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম থাকছে। পদ্ধতিটি গুগল-স্বীকৃত নয় এবং অনৈতিক বলে মনে করেন গুগল বাংলাদেশের নির্বাহী ব্যবস্থাপক তানজিল ইসলাম। তিনি বলেন, গুগল যে বিষয়টি একেবারেই অবহিত নয়, তা নয়। তবে গুগল বেশ কিছু বিজ্ঞাপন 'বাল্ক' আকারে বিক্রি করে। 'ওপেনঅ্যাপ'সহ একাধিক অনলাইন মার্কেট প্লেস থেকে সেসব বিজ্ঞাপন কিনে বিভিন্ন অঞ্চলের বিজ্ঞাপনদাতা স্থানীয় ভাষার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করছেন। এই স্থানীয় বিজ্ঞাপনদাতারা হয়তো নিজেদের সাইট থেকে 'আইফ্রেম' করে কিছু বিজ্ঞাপন বাড়তিও প্রকাশ করছেন। ফলে সরাসরি এ পদ্ধতিকে অবৈধ বলা মুশকিল। গুগলের পক্ষে 'আইফ্রেম' নির্ণয় করাও সব সময় সম্ভব হয় না। এ ছাড়া ডাবল ক্লিক ফর পাবলিশার (ডিএফপি) পদ্ধতিতেও বাংলা সাইটে গুগল অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে।
তবে আইফ্রেম পদ্ধতিতে মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানের কাছেই বিজ্ঞাপনের টাকার বড় অংশ চলে যায় বলে মনে করেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আসিফ আনোয়ার। তিনি বলেন, 'এর কারণ হলো বাংলা সাইটে প্রকাশিত আইফ্রেমে ক্লিক করলে সেটি মধ্যস্বত্বভোগীর ওয়েবসাইটের নামেই চিহ্নিত করছে গুগল। আর মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের প্রকৃত আয় কারও পক্ষে জানা সম্ভব হয় না। ফলে বাংলা ওয়েবসাইটগুলো গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনের প্রকৃত আয়ের হিস্যা থেকে বঞ্চিত হতেই পারে।' তিনি আরও বলেন, ডিএফপি পদ্ধতিতে গুগল অ্যাডসেন্স বাংলা সাইটে প্রকাশ করা হলেও বাস্তবে এখান থেকে খুব সামান্যই আয় করা সম্ভব হয়। কারণ এ পদ্ধতিতেও গুগলের কাছে প্রকৃত ক্লিক সংখ্যা যায় না।
আন্তর্জাতিক মার্কেট প্লেস থেকে গুগলের সবচেয়ে বেশি বিজ্ঞাপন কিনে প্রকাশ করছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান আরআইটিএস। প্রতিষ্ঠানটির সিইও রাশেদুল মজিদ সমকালকে বলেন, 'আইফ্রেম পদ্ধতি অবৈধ। আরআইটিএস ওপেনঅ্যাপের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন কিনে বৈধ পদ্ধতিতেই প্রকাশ করছে।' তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে গুগলকে বিজ্ঞাপন দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হাতেগোনা। বিজ্ঞাপনদাতা বাড়লে এবং চাহিদা তৈরি হলে গুগল অ্যাডসেন্স অবশ্যই বাংলা সমর্থন করবে।'
এ বিষয়ে বাংলাদেশে গুগলের সঙ্গে সরাসরি চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান 'গ্রিন অ্যান্ড রেড'-এর হেড অব পাবলিশার আইয়ুব শাহরিয়ার বলেন, 'গুগলের বৈধ অংশীদার হিসেবে আমরা গুগল অ্যাডসেন্সের কোনো বিজ্ঞাপন বাংলা সাইটে দিতে পারি না, এটি নীতিবিরুদ্ধ কাজ। কারণ বাংলা গুগল অ্যাডসেন্সে সমর্থিত নয়। তাই শুধু ইংরেজি সাইটে অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন দিতে পারি।'
গুগল অ্যাডসেন্সের প্রতিবন্ধকতা :অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশের দুটি বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর এবং একটি ই-কমার্স সাইট থেকে গুগলে বিজ্ঞাপন যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠান ওই বিজ্ঞাপন বাবদ যে টাকা গুগলকে দিচ্ছে, সে টাকাই গুগল অ্যাডসেন্স হয়ে দেশীয় বিজ্ঞাপনদাতা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠানগুলো পাচ্ছে। যদিও ওইসব বিজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে দেশের বাংলা অনলাইন পোর্টালেই। ফলে দেশের টাকা ঘুরে দেশেই আসছে।
এ বিষয়ে সমকালের প্রশ্নের জবাবে ই-মেইলে গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুগল অ্যাডসেন্স ওয়েবসাইটের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। গুগল অনুবাদে বাংলা ভাষা এখনও পরীক্ষাধীন। এটি সমৃদ্ধ হলে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়বস্তু আরও ভালোভাবে খুঁজতে পারবে এবং গুগল অ্যাডসেন্সে ইতিবাচক প্রমাণিত হলে বাংলা ভাষাও অ্যাডসেন্স সমর্থন করবে। গুগল আরও জানায়, আয় প্রদানের ক্ষেত্রে ক্লিক ও অ্যাড কতবার প্রদর্শিত হলো সেটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, বাংলাদেশের ইন্টারনেট গ্রাহকদের অধিকাংশের কোনো ইউনিক বা 'একক' আইপি নেই। বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের জন্য ডায়নামিক আইপি বরাদ্দ করে। ফলে ডায়নামিক আইপি দিয়ে কোনো বিজ্ঞাপনে ক্লিক হলে প্রকৃত ক্লিকদাতাকে নির্ণয় করা যায় না। কারণ সেই ক্লিক মূল ইন্টারনেট সেবাদানকারীর আইপি চিহ্নিত করে। এ কারণে ক্লিকদাতার সংখ্যা নির্ধারণ করার জটিলতাও অ্যাডসেন্সের জন্য বড় অন্তরায়।
এ সম্পর্কে প্রযুক্তিবিদ আসিফ আনোয়ার বলেন, 'ডায়নামিক আইপি দিয়ে অতিরিক্ত ক্লিক সংখ্যার কারণে নীতি অনুযায়ী অনেক অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দিচ্ছে গুগল। ফলে দেশে ইউনিক আইপি ব্যবহার বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া উচিত।'
গুগলের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশে অনলাইন বিজ্ঞাপনদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি, গুগল ট্রান্সলেটরে বাংলা ভাষা আরও সমৃদ্ধকরণসহ বাংলা আধেয় (কনটেন্ট) আরও সমৃদ্ধ হলে গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলা সমর্থনের পথ ত্বরান্বিত হবে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিসের স্বপ্ন পূরণ হলো •কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য বুলেট ও মিরনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ॥ •নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এমপিওভুিক্তর চেষ্টা করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময় •ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলধারার গণমাধ্যমকে নিরাপত্তা দেবে
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document