/* */
   Saturday,  Jun 23, 2018   00:26 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •নাশকতার মামলায় শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজের প্রভাষক গ্রেফতার। •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা
Untitled Document

৩২২ কোটি টাকা প্রত্যাহার করল ডব্লিউএফপি

তারিখ: ২০১৫-০৭-০৯ ১৫:০৫:৩২  |  ১৮৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাবসহন প্রকল্প থেকে ৩২২ কোটি টাকা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যদিও প্রকল্প বাস্তবায়নে তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না। বাস্তবায়নকারী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) বলছে, ডব্লিউএফপিকে অর্থায়নকারীরা (দাতারা) এ প্রকল্পে অর্থ জোগানে অসম্মতি জানিয়েছে। এ কারণে জাতিসংঘের পক্ষে এ অর্থ বাংলাদেশকে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজের বিনিময়ে খাদ্য, প্রশিক্ষণ ও আয়বর্ধক বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালিত হতো। অর্থ প্রত্যাহারের ফলে দুর্যোগে দুস্থ ও অসহায় ৮৯ হাজার উপকারভোগী সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে দারিদ্র্য বিমোচনে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ- এ বিবেচনায় এখন সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এটি চালু রাখবে বলে জানিয়েছে এলজিইডি।

সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পে সংশোধনীর একটি প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে এলজিইডি। এতে দেশীয় অর্থায়ন থেকে বিভিন্ন কম্পোনেন্টের ব্যয় ও মেয়াদকাল বাড়ানো প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ব্যয় ৩২২ কোটি টাকা কমিয়ে এক বছর মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়, ২০১২ সালে ৫ বছরমেয়াদি এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে এলজিইডি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ডব্লিউএফপি ১ লাখ ৩৪ হাজর টন খাদ্যশস্য, ৮ হাজার টন ডাল ও ৪ হাজার টন ভোজ্যতেল দেয়ার কথা ছিল। এর অংশ হিসেবে ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রতিশ্রুত ৮০ হাজার ৪০০ টন খাদ্যশস্যের স্থলে ডব্লিউএফপি মাত্র ৪২ হাজার ৫৪০ টন খাদ্যশস্য পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের ৩য় ধাপে আর কোনো খাদ্য সহায়তা দেয়া যাবে না বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। এ অবস্থায় প্রকল্পের কার্যক্রম হ্রাস করে সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে। জানা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা ‘সবার জন্য খাদ্য (এফএফএ)’ থেকে এ প্রকল্পে খাদ্য সহায়তা দেয়া হতো।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক হাসান কবির খসরু বলেন, জাতিসংঘের এ সংস্থাকে যেসব দাতারা খাদ্য সহায়তা করত তাদের অপারগতার কারণে ডব্লিউএফপি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এটি ডব্লিউএফপির পক্ষ থেকে লিখিত আকারে নয়, মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হয়। এজন্য অনিয়ম হওয়ার সুযোগ কম।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো দাতা সংস্থা চলমান প্রকল্প থেকে অর্থ প্রত্যাহার করে নিলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। তাই এ সংক্রান্ত তদন্ত জোরদার করা উচিত। এ প্রসঙ্গে ডব্লিউএফপির বাংলাদেশ অফিসের যোগাযোগ কর্মকর্তা ডেনিয়েল ভানলুন্ত বলেন, এ প্রকল্প ২০১২ সালে শুরু হয়ে ২০১৬ সালে শেষ হবে। ডব্লিউএফপি ফান্ড প্রাপ্তির নিশ্চয়তা সাপেক্ষে এতে অর্থায়ন করবে।

বরাদ্দ ও ব্যয় : এলজিইডি সূত্র জানায়, মার্চ পর্যন্ত এ প্রকল্পের বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৩৫০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা মোট বরাদ্দের ৩৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে ৫২৯ কোটি টাকা দেয়া হবে, বাকি টাকা ডব্লিউএফপির দেয়ার কথা ছিল। সংশোধিত প্রস্তাব অনুসারে প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়াবে ৭১৫ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

প্রস্তাবনা প্রশ্নবিদ্ধ : সংশোধিত প্রস্তাব ৪টি জেলাকে বাদ দিয়ে ৮ জেলার ২৭টি উপজেলা রাখা হয়েছে। এ চারটি জেলা হল- বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও বাগেরহাট। কমিশন এ চার জেলাকে পুরোপুরি বাদ দেয়ার যৌক্তিকতা জানতে চেয়েছে। ডব্লিউএফপির অর্থ প্রত্যাহারে সুবিধাভোগীর সংখ্যা কমানো হচ্ছে ৮৯ হাজার। এ বিবেচনায় প্রকল্পের তিনটি কম্পোনেন্টে আনুপাতিক হারে ব্যয় কমার কথা। সংশোধনীতে জিওবির বরাদ্দ কমানো হয়নি। উল্টো বাড়ানো হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন এর ব্যাখ্যা চাইবে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক সহায়তা না থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের প্রকল্প ২০১৭ সাল পর্যন্ত চালু রাখার প্রয়োজন আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

এ প্রসঙ্গে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, জাতিসংঘের মতো একটি সংস্থা কোনো দেশকে খাদ্যশস্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে তা নিশ্চিত হয়েই দেয়। কোন কোন দেশ থেকে তারা খাদ্যশস্য নিয়ে বাংলাদেশকে দেবে তার কমিটমেন্ট আগেই নিশ্চিত করে ডব্লিউএফপি। এছাড়া বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ও মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। বড় কোনো ক্রাইসিসও নেই। এ অবস্থায় খাদ্যশস্য সংকটের কারণে অর্থ প্রত্যাহারের কথাটি বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক নয়। তিনি বলেন, দাতা সংস্থা এভাবে অর্থ প্রত্যাহার করে নিলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। তাই এ প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে ও রেগুলেশনে সমস্যা আছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করেন তিনি।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document