/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   08:23 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

ঈদের ছুটিতে যেখানে যাবেন

তারিখ: ২০১৫-০৭-১৬ ১৩:৩২:৪০  |  ৭৭০ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: কারও পছন্দ পাহাড়, কারও সমুদ্র। আবার কারও সমতলের সবুজ। কারও কাছে বন, আবার কারও কাছে জলরাশিতে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানো। একেক জনের পছন্দ এক এক রকম। তবে এর সবকিছুই রয়েছে আমাদের দেশে। পছন্দ অনুযায়ী ঘুরতে যেতে পারবেন দেশের যেকোনো জায়গায়।

বলছিলাম ঈদের ছুটিতে বেড়ানোর কথা। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হন, এমন লোকের সংখ্যা কিন্তু নেহাতই কম নয়। আবার দেশ ছেড়ে বিদেশে ঘুরতে যাওয়া লোকজনের সংখ্যাও অনেক। তবে বাংলাদেশে ভ্রমণ করার মতো রয়েছে অনেক জায়গা। হাতেগোনা কয়েকটি বাদে দর্শনীয় অনেক স্থানের বিষয়ে অনেকেই অবগত নয়। ঈদে ঘুরতে যাওয়ার মতো কয়েকটি স্থান নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন।

কক্সবাজার

এখানে সারা বছরই পর্যটকদের কমবেশি আনাগোনা থাকে। তবে ঈদে এতে পায় বাড়তি মাত্রা। ঈদের ছুটিতে এখানে পর্যটকদের ঢল নামে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। রয়েছে নানান মানের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট। তাছাড়াও পর্যটকদের ভ্রমণকে নির্বিঘ্ন করতে আছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঢাকার সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন মানের বাস ছেড়ে যায়। ভাড়া কমবেশি ৭০০ থেকে ২০০০ টাকা।

সেন্টমার্টিন

অনেকেই আছেন যারা কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন, কিন্তু সেন্টমার্টিন যাওয়া হয়নি। তারা সরাসরি সেন্টমান্টিন যেতে পারেন। এখানেও রয়েছে ভালো মানের থাকার হোটেল। তাছাড়া ভালো মানের খাবার হোটেল পাবেন এখানে। সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন মানের বাস ছেড়ে যায়। বাস সরাসরি যাবে টেকনাফ ঘাটে। সেখান থেকে টিকিট কেটে জাহাজে চেপে যেতে পারবেন সেন্টমার্টিন। সমুদ্রপথের এই যাত্রা আপনার ভ্রমণে যোগ করবে বাড়তি আনন্দ।


চট্টগ্রাম

বাংলাদেশের বিভাগীয় শহর এটি। তাছাড়াও এটিকে বলা হয় বাংলাদেশের বন্দর নগরী। এই জেলায় রয়েছে ফয়েস লেক। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসতে পারেন এখানে । রয়েছে থাকার মতো মানসম্মত কটেজ। এছাড়াও, এই জেলায় রয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। শহরের মধ্যেও রয়েছে ভালো মানের হোটেল। সেখানে থেকে ঘুরে আসতে পারেন সমুদ্র সৈকতে।

সুন্দরবন

সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। বাংলাদেশের দক্ষিণে খুলনা জেলায় এটি অবস্থিত। সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত। ঢাকা থেকে সরাসরি খুলনায় বাস যায়। সেখান থেকে সুন্দরবন যাওয়া যায়। তাছাড়াও ভ্রমণের বিভিন্ন প্যাকেজ প্রোগ্রামের মাধ্যমেও ঘুরে আসা যাবে বাঘ মামার বাড়িতে।   

সিলেট

দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ বলা হয় সিলেটকে। এই জেলায় রয়েছে শাহ জালাল, শাহ পরানের মাজার। রয়েছে রূপ কন্যা হিসাবে পরিচিত জাফলং। যা কিনা দেশে এবং বিদেশে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং। তাছাড়াও ঘুরে আসতে পারেন লালাখাল, বিছানাকান্দি। আর শহরের খুব কাছেই রয়েছে খাদিমনগর চা বাগান। থাকতে পারবেন সিলেট শহরে। আপনার থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন মানের অনেক হোটেল।

শ্রীমঙ্গল

মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা শ্রীমঙ্গল। বাংলাদেশের ভ্রমণ পিপাসু মানুষের পছন্দের জায়গা এটি। এখানে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাইক্কার বিলসহ আরও অনেক কিছু। বিশেষ করে বর্ষায় এই এলাকার সৌন্দর্য পায় ভিন্ন এক মাত্রা। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যায় শ্রীমঙ্গল। সেখানে রয়েছে থাকার মতো অনেক হোটেল। তাছাড়াও শহর থেকে একটু দূরে প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ভালো মানের রিসোর্ট।   

রাঙ্গামাটি

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পার্বত্য চট্টগ্রামের এই জেলা। ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসতে পারেন এখানে। কাপ্তাই লেক ছাড়াও জেলার সর্বত্রই রয়েছে নানান বৈচিত্র্য। বছরের  বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে এই জলার জায়গাগুলো। তবে আসল রূপ দেখা যায় বর্ষায়। ঢাকার কলাবাগান ও সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যায়। থাকার জন্য এখানে রয়েছে ভালো মানের হোটেল।

খাগড়াছড়ি

ভ্রমণের জন্য অন্যতম চমৎকার একটি জায়গা খাগড়াছড়ি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই জেলা নিজেকে স্বতন্ত্র করেছে বিভিন্ন অনন্য বৈশিষ্ট্যে। আকাশ-পাহাড়ের মিতালী,  উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্রতা আর পাহাড়ে মেঘের বাড়ি। আর যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর রহস্যময়তায় ঘেরা এই খাগড়াছড়ি। মূলত প্রকৃতিপ্রেমী, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বা ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান এটি।

বান্দরবান

যাদের মেঘ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে আছে, তারা ঘুরে আসতে পারেন পাহাড়ি কন্যা বান্দরবান। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে চড়ে চলে যেতে পারবেন এই জেলায়। তাছাড়াও, ঢাকা থেকে ট্রেনে বা বাসে করে প্রথমে চট্টগ্রাম তারপর সেখান থেকে সোজা বান্দরবান যাওয়া যায়। নীলগিরি, স্বর্ণমন্দির, মেঘলা, শৈল প্রপাতের মতো আরও অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে এখানে। বান্দরবান শহরে থাকার মতো রয়েছে অনেক হোটেল।

ছবিসূত্র: ইন্টারনেট


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা • ১৫ আগষ্ট’ ২০১৭ ইং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিলখী ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরে তোবারক বিতরন।
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document