/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   11:28 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

ভারতে যেতে চান ছিটমহলের ৯৭৯ জন

তারিখ: ২০১৫-০৭-২১ ২০:১৭:১৯  |  ৩২৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা  ডেস্ক  বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের ৯৭৯ জন দেশটিতে চলে যেতে চান। এ সব ছিটমহলে ৪১ হাজার ৪৪৯ জনকে জনগণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১১১টি ছিটমহলের জনগণনার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত সংবাদ সম্মেলনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন।

দিলোয়ার বখ্ত বলেন, বাংলাদেশের ভেতরে ১১১টি ছিটমহলের জনগণনায় ৪১ হাজার ৪৪৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭৯ জন ভারতে যেতে চান। তারা ১ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে ভারতে যেতে পারবেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ভারতের অভ্যন্তরে ৫১টি ছিটমহল থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছি, সেখান থেকে কোনো বাসিন্দাই বাংলাদেশে আসতে আবেদন করেননি।’

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ছিটমহলগুলো আর আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে না। এগুলো ৩১ জুলাই অটোমেটিক হস্তান্তর হয়ে যাবে। মতমত দেয়ার পরে যারা বাংলাদেশে থাকতে আগ্রহী তারা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন। আর যারা ভারতে থাকতে আগ্রহী তারা ভারতের নাগরিক হয়ে যাবেন।

এর আগে সকালে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমীন, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. সালাউদ্দিন ও নীলফামারী জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন সংশ্লিষ্ট জেলার অভ্যন্তরে ছিটমহলের জনগণনার তালিকা রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের নিকট জমা দেন।

সোমবার ভারতের চ্যাংরাবান্দায় দুই দেশের যৌথ জরিপ দল জনগণনার ডাটাবেজ তৈরি করে। সেখানে ১১১টি ছিটের ভারতে গমনেচ্ছুদের খসড়া তালিকা তৈরি করে রাতেই সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়।

দুই দেশের যৌথ সমীক্ষা দল ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই ১১ দিন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালানাগাদ সমীক্ষা করে।



এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের •ইসরায়েলি সৈন্যকে চড় মেরে ঝড় তুলেছে ফিলিস্তিনি এক কিশোরী •মেক্সিকোর জন্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বছর ২০১৭ •ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমঝোতা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে জাতিসংঘে রাশিয়ার আহবান •রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে নমপেনের সহযোগিতা কামনা ঢাকার •মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত •বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী: “আঁর পোয়াইন্দার বাপ ইঞ্জিনিয়ার আছিল” •বাবা-মাকে ছাড়াই বাংলাদেশে তেরোশো রোহিঙ্গা শিশু
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document