/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   9 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

ফের ঝুঁকিতে মেঘনা সেতু

তারিখ: ২০১৫-০৭-২২ ১৩:১০:৪৪  |  ৪৫৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: পুনর্বাসন ও মেরামতের প্রায় দুই বছরের মধ্যে নতুন করে ঝুঁকিতে পড়েছে মেঘনা সেতু। ভারী যানবাহন চলাচল করলেই আগের মতোই সেতুটি কেঁপে উঠছে। পিয়ার বা পিলারের কাছের মাটি সরে বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে স্রোত বেশি থাকায় গর্ত দ্রুত বড় হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করতে না পারলে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এ সেতুটি। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের এক মনিটরিং সার্ভেতে মেঘনা সেতুর ঝুঁকির এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা না মেনে মেঘনা সেতুর নিচ থেকে বালু উত্তোলন এবং ঘূর্ণি স্রোতের কারণে পিলারের পাশে ১২ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহনের গতি বেশি থাকলে ঝাঁকুনির মাত্রা বেশি হয়। ট্রাক, লরি, বাস কিংবা যে কোনো ভারী যানবাহন অতিক্রম করলে সেতুটি কেঁপে ওঠে। এজন্য সেতুটি মেরামতে পরিকল্পনা কমিশনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ৪২ কোটি টাকা চেয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। এ অর্থ থেকে গোমতী সেতু মেরামতেও কিছু টাকা ব্যয় করা হবে। এ অর্থ দ্রুত অনুমোদন দিতে পরিকল্পনা কমিশনে কয়েক দফা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন সিদ্দিকী সমকালকে বলেন, আগে যেসব পিয়ারে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল, সেখানে কোনো সমস্যা নেই। নানা কারণে অন্য পিয়ারের পাশে গর্ত তৈরি হয়েছে, যা আগে ছিল না। এজন্য নতুন করে মেঘনা সেতু ঝুঁকিতে পড়েছে। সেতুটি মেরামতে পরিকল্পনা কমিশনের কাছে অর্থ চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। এবারও কাজটি সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে। মেঘনা এবং গোমতী সেতু রক্ষায় দুই বছর আগে ৪৩৭ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। সেতু দুটির পুনর্বাসন কাজ ২০১৩ সালের জুনে শেষ হয়।

মেঘনা সেতুতে ৩৬টি হিঞ্জ বিয়ারিং ও ১৩টি সম্প্রসারণযোগ্য সংযোগ এবং গোমতী সেতুতে ৬০টি হিঞ্জ বিয়ারিং ও ১৭টি সম্প্রসারণযোগ্য সংযোগ প্রতিস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি মেঘনা সেতুর তিনটি পিয়ারের তলদেশে গর্ত বন্ধ করা হয়। এজন্য সাত, আট এবং নয় নম্বর পিয়ার ঝুঁকিমুক্ত করতে বালুর বস্তা ও বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়। সিসি ব্লকও ফেলা হয় কয়েক হাজার। এ মেরামতের পর সেতু দুটি ১০ বছরের জন্য নিরাপদ ঘোষণা করা হয়। যৌথভাবে মেরামত করে বাংলাদেশের ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এবং মালয়েশিয়ার হারকিউলিস ইঞ্জিনিয়ারিং। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্ক অর্গানাইজেশন।

এক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ঢাকা জোন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ও (বুয়েট) সহযোগিতা করে। নতুন মেরামতের বিষয়ে সওজের দাবি, মেঘনা ও গোমতী সেতু পুনর্বাসন প্রকল্পের মাধ্যমে মূলত গোমতী সেতুর তলদেশের গর্ত বন্ধ করার কাজ করা হয়। এবার মেঘনা নদীর তলদেশে গর্ত বন্ধ করা হবে। এ ছাড়া শিগগিরই দ্বিতীয় মেঘনা ও গোমতী সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে। এতে বিদ্যমান সেতুর পিয়ার ঝুঁকিতে থাকলে নতুন সেতুর পাইলিংয়ের সময় তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই দ্রুত প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সড়ক পরিবহন উইংয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সেতু দুটি মেরামতের জন্য ২০১২ সালে বড় অঙ্কের অর্থ নেয় সওজ।

দুই বছর পার না হতে একই ধরনের কাজের জন্য আবার অর্থ নেওয়া হচ্ছে। ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় মেঘনা সেতুর পিলারের কাছে গর্ত বন্ধ এবং মেঘনা সেতু ও গোমতী সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ শীর্ষক একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এটি উপস্থাপন করা হবে। সওজের অধীনে মেঘনা সেতু নির্মাণ করা হয় ১৯৯১ ও গোমতী সেতু ১৯৯৪ সালে। উভয় ক্ষেত্রে সহায়তা করে জাপান সরকার। সেতু দুটির স্থায়িত্ব ১০০ বছর ধরা হলেও সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না করায় দ্রুতই সেগুলো ঝুঁকিতে পড়ে। এ ছাড়া যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যাওয়ায় দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতু নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন সেতু নির্মাণেও সহযোগিতা করবে জাপান।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document