/* */
   Saturday,  Jun 23, 2018   00:51 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস •নাশকতার মামলায় শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজের প্রভাষক গ্রেফতার। •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী
Untitled Document

বেড়েছে সরকারের ব্যাংক ঋণ

তারিখ: ২০১৫-০৭-২৬ ১৫:০৬:১৪  |  ১৯২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেশি হওয়ায় গত অর্থবছরজুড়েই ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার চাহিদা ছিল কম। তবে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোয় ও বিভিন্ন বড় প্রকল্পের বিপরীতে ঠিকাদারের পাওনা পরিশোধ করতে গিয়ে হঠাৎ করে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ দিনেই ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থায় বর্তমানে প্রচুর উদ্বৃত্ত তারল্য থাকায় সরকারের ঋণ নেওয়ার এ প্রবণতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩৮ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। গত অর্থবছরের শুরুতে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। পরে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৩১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা করা হয়। তবে অর্থবছর শেষে ঋণ না বেড়ে ৬ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা কমে সরকারের পুঞ্জিভূত ব্যাংক ঋণ নেমে আসে এক লাখ ৭ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা নেওয়ায় সরকারের মোট ঋণ বেড়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। প্রথম ৯ দিনে নেওয়া এ ঋণের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা আর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬৭৭ কোটি টাকা। এতে এ সময় পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের পুঞ্জিভূত ঋণ ২০ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকে দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল সমকালকে বলেন, ব্যাংকগুলোর কাছে এখন প্রচুর উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়াটা ইতিবাচক। সরকারের ঋণ বাড়ার কারণে আপাতত বেসরকারি খাত কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। তিনি বলেন, গত মে মাসে সরকারের ঋণ নেওয়ার নিলাম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। তবে ওই মাসের শেষ দিকে সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানোর পর এর বিক্রি কিছুটা কমেছে। এ ছাড়া জুলাইতে এসে হয়তো সরকারকে অনেক প্রকল্পের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বাড়ছে। ব্যাংকের চেয়ে সুদহার বেশি থাকায় জাতীয় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ গত অর্থবছরের শুরু থেকেই হু হু করে বাড়ছিল। বিক্রি কমাতে গত ২৩ মে সঞ্চয়পত্রের সুদহার গড়ে ২ শতাংশ কমিয়ে ১১ শতাংশের আশপাশে নির্ধারণ করা হয়। এর পরও গত মে পর্যন্ত ১১ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে নিট ২৬ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা পেয়েছে সরকার। অথচ অর্থবছরের শুরুতে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে মাত্র ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সংশোধিত বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ২১ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়। তবে সুদহার কমানোর প্রভাবে জুন-জুলাইতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document