/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বেড়েছে সরকারের ব্যাংক ঋণ

তারিখ: ২০১৫-০৭-২৬ ১৫:০৬:১৪  |  ২০৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেশি হওয়ায় গত অর্থবছরজুড়েই ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার চাহিদা ছিল কম। তবে সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমানোয় ও বিভিন্ন বড় প্রকল্পের বিপরীতে ঠিকাদারের পাওনা পরিশোধ করতে গিয়ে হঠাৎ করে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ দিনেই ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থায় বর্তমানে প্রচুর উদ্বৃত্ত তারল্য থাকায় সরকারের ঋণ নেওয়ার এ প্রবণতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
চলতি অর্থবছরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৩৮ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। গত অর্থবছরের শুরুতে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। পরে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৩১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা করা হয়। তবে অর্থবছর শেষে ঋণ না বেড়ে ৬ হাজার ৮৭০ কোটি টাকা কমে সরকারের পুঞ্জিভূত ব্যাংক ঋণ নেমে আসে এক লাখ ৭ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৯ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা নেওয়ায় সরকারের মোট ঋণ বেড়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৪৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। প্রথম ৯ দিনে নেওয়া এ ঋণের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা আর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৬৭৭ কোটি টাকা। এতে এ সময় পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের পুঞ্জিভূত ঋণ ২০ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকে দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল সমকালকে বলেন, ব্যাংকগুলোর কাছে এখন প্রচুর উদ্বৃত্ত তারল্য রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়াটা ইতিবাচক। সরকারের ঋণ বাড়ার কারণে আপাতত বেসরকারি খাত কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। তিনি বলেন, গত মে মাসে সরকারের ঋণ নেওয়ার নিলাম সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল। তবে ওই মাসের শেষ দিকে সঞ্চয়পত্রে সুদহার কমানোর পর এর বিক্রি কিছুটা কমেছে। এ ছাড়া জুলাইতে এসে হয়তো সরকারকে অনেক প্রকল্পের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বাড়ছে। ব্যাংকের চেয়ে সুদহার বেশি থাকায় জাতীয় সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ গত অর্থবছরের শুরু থেকেই হু হু করে বাড়ছিল। বিক্রি কমাতে গত ২৩ মে সঞ্চয়পত্রের সুদহার গড়ে ২ শতাংশ কমিয়ে ১১ শতাংশের আশপাশে নির্ধারণ করা হয়। এর পরও গত মে পর্যন্ত ১১ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে নিট ২৬ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা পেয়েছে সরকার। অথচ অর্থবছরের শুরুতে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে মাত্র ৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সংশোধিত বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ২১ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়। তবে সুদহার কমানোর প্রভাবে জুন-জুলাইতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এডিবি রূপসা পাওয়ার প্লান্টে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে •ভুটানের জনগণের জন্য ২০ কোটি টাকার ওষুধ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ •কমলো স্বর্ণের দাম •মহেশখালীতে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর •বিশ্বব্যাংক মিয়ানমারে প্রকল্প অনুমোদন বন্ধ করেছে : অর্থমন্ত্রী •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document