/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

রায়ের কপি পেলে রিভিউ

তারিখ: ২০১৫-০৭-২৯ ১২:৪৭:৪৯  |  ২০৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি হাতে পেলে সাকা চৌধুরীর আইনজীবীরা রিভিউ আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আদালত রায় প্রদান করেছেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করা হবে। আশা করি রিভিউয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

বুধবার সকালে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড আপিল বিভাগ বহাল রাখলে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এ কথা বলেন।

এদিকে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সালাউদ্দিন কাদেরের ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ। আশা করি একদিন এ সত্য প্রমাণিত হবে। মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে কাউকে ফাঁসি দেওয়া যায় না। এটি অন্যায়। এরও একদিন বিচার হবে।’

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ বুধবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড বহালের আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

গত ৭ জুলাই এ মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২৯ জুলাই রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

গত ১ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন।

গত ১৬ জুন তার মামলার আপিল শুনানি শুরু হয়। প্রথমে শুনানি শুরু করে ট্রাইব্যুনালের রায়, সাক্ষীদের সাক্ষ্য এবং রায়সংক্রান্ত নথিপত্র (পেপারবুক) উপস্থাপন করছে আসামিপক্ষ। এরপর উভয় পক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।

২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর খালাস চেয়ে আপিল দায়ের করেন তার আইনজীবীরা।

আপিল আবেদনে মোট ১ হাজার ৩২৩ পৃষ্ঠার নথিপত্রের ডকুমেন্টসহ দাখিল করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো আপিল দায়ের করা হয়নি।

২০১৩ সালের ১ অক্টোবর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

সর্বমোট ১৭২ পৃষ্ঠার রায়ে তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে আনীত ২৩টি অভিযোগের মধ্যে ৯টি অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে। বাকি ১৪টি প্রমাণ হয়নি।

প্রমাণিত অভিযোগগুলো হলো- ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১৭ ও ১৮ নম্বর। এর মধ্যে ৩, ৫, ৬ এবং ৮ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর ২, ৪, ৭ অভিযোগে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১৭ এবং ১৮ নম্বর অভিযোগে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে শুধু ৭ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলোতে ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •হলি আর্টিজান মামলার অভিযোগপত্র দাখিল •আমতলীতে ৫শ’পিচ ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল •বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document