/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অব্যাহতি

তারিখ: ২০১৫-০৭-৩০ ১৪:২৫:৩২  |  ২৪৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না নিয়ে গোপনে দুই শতাধিক স্কুল-কলেজকে পাঠদানের অনুমতি প্রদানের অভিযোগ থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অব্যাহতভাবে চলা গুরুতর অনিয়মের ওই অভিযোগ কমিশন সম্প্রতি নথিভুক্তির (অব্যাহতি) মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে। দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

চলতি বছরের জুন মাসে ওই অভিযোগের কোন সত্যতা না পাওয়ায় দুদকের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও সূত্রটি জানায়।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, বোর্ডের কর্তাব্যক্তিরা নাম সর্বস্ব ও মানহীন দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে পাঠদানের অনুমতি দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সিন্ডিকেট স্কুল প্রতি ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার বিনিময়ে নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলকে মাধ্যমিক স্তরে, উচ্চ মাধ্যমিককে কলেজ ও ডিগ্রি স্তরের পরিবর্তন করার অভিযোগ ছিল।

অথচ বোর্ডের ওই ধরনের কোন ক্ষমতা বা এখতিয়ার নেই। এ সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, পাঠদানের অনুমতির জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ড সেই প্রতিষ্ঠান (স্কুল-কলেজ) সরেজমিনে পরিদর্শন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন প্রদান করবে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের ১৩টি শর্ত (যার মধ্যে নিজস্ব জমি, অবকাঠামো, অবস্থান ইত্যাদি) পূরণ হলে পাঠদানের অনুমতি প্রদান করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য খতিয়ে দেখবে। অথচ এখানে তা মানা হয়নি।

সূত্র আরো জানায়, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে অনুমোদিত ওই সকল প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমি বা অবকাঠামো অন্যান্য সুবিধা ছিল না বলেও অভিযোগে উল্লেখ ছিল। অসাধু একটি চক্র বোর্ডের শীর্ষ ব্যক্তিদের যে কোনভাবে ম্যানেজ করে নীতিমালার শর্ত ইচ্ছেমতো শিথিল করে এসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়। বোর্ডের বড় কর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা এ সিন্ডিকেট চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নিজেরাই পাঠদানের অনুমোদন নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পেছনে ওই মেয়াদকালে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রায় সকল কর্মকর্তাই ছিল সন্দেহের তালিকায়।

এ ছাড়াও বোর্ডের ওই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক আবদুছ ছাত্তার অভিযোগটি অনুসন্ধান করেন। অনুসন্ধানে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা না পাওয়ায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দিয়েছে দুদক।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও ভুক্তির কাজ চলছে : নাহিদ •রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document