/* */
   Friday,  Jun 22, 2018   11:10 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

স্মার্টফোনে স্মার্ট চার্জার

তারিখ: ২০১৫-০৮-১১ ১২:৫০:৫৭  |  ২৭৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: বহনযোগ্য ডিভাইস হিসেবে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসি আমাদের জীবনের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহার, গান শোনা কিংবা ভিডিও দেখা, গেমস খেলা এমন নানা ব্যবহারে স্মার্টফোন ও ট্যাব দারুণ জনপ্রিয়। কিন্তু স্মার্ট ও ট্যাব ব্যবহারে সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হচ্ছে চার্জ! নানা কাজের কাজি এ ডিভাইসে যেমন এক চার্জে দিন পার হচ্ছে না, তেমনি প্রয়োজনীয় মুহূর্তে ব্যাটারির শক্তি ফুরিয়ে যাওয়ায় ঘটে বিপত্তিও। এ সমস্যা এড়াতে স্মার্ট ডিভাইসে স্মার্ট চার্জিংয়ে বিকল্প ব্যাটারি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে 'পাওয়ার ব্যাংক'। পাওয়ার ব্যাংককে সোজা ভাষায় বলা চলে একটি ব্যাকআপ ব্যাটারি বা বহনযোগ্য চার্জার।

ডিভাইসটি ব্যবহার করে যে কোনো স্থানে যে কোনো জায়গায় আপনার স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্যান্য গ্যাজেট চার্জ করা যায়। পাওয়ার ব্যাংক অনেক ধরনের হয়ে থাকে। মূলত ধরনগুলো ক্যাপাসিটির ওপরই নির্ভর করে। বাজারে বিভিন্ন আকৃতি, ক্ষমতা ও দামে বাজারে ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ডের বেশ কিছু পাওয়ার ব্যাংক রয়েছে। সেসব কেনার আগে আসুন জেনে নেই এর আদ্যোপান্ত।
পাওয়ার ব্যাংক কেন : স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের অধিকাংশের জীবন-যাপনই যেন স্থবির! স্মার্টফোন ও ট্যাব ছাড়া অফিসের কাজও যেন হোঁচট খায় অলস সময়েও এই স্মার্ট ডিভাইসগুলো এখন আমাদের সঙ্গী। ফলে এত কাজ সামাল দিতে গিয়ে কখন যে চুপিসারে মোবাইল বা ট্যাবে চার্জ শেষ হয়ে যায় তা বোধগম্য নয়। আর তাই সবসময় এই গ্যাজেটগুলো সচল রাখতে দরকার হয় এক্সট্রা পাওয়ার সোর্স। মোবাইল এখন অবশ্য সেই বিপজ্জনক পরিস্থিতির মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে পাওয়ার ব্যাংক বা পোর্টেবল ব্যাটারি।
স্মার্ট চার্জারের ধরন :অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে স্মার্টফোন বা ট্যাবে ব্যাটারি দ্রুত ড্রেইন হয়। ফলে এক্সট্রা পাওয়ার সোর্স বা এক কথায় পাওয়ার ব্যাংক ছাড়া আমাদের গতি থাকে না। ব্যবহারকারীদের এই সমস্যা সমাধানে বাজারে বিচিত্র ধরনের পাওয়ার ব্যাংক রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই আকৃতিতে মুঠোফোনের মতো। আকারে ছোট এবং পাতলা হওয়ার পাশাপাশি পাওয়ার ব্যাংকে ব্যবহৃত ব্যাটারির ধরন, ক্ষমতা, চার্জিং ডিসপ্লে এবং অতিরিক্ত সুবিধা বা বাড়তি ফিচার গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর গড় শক্তি ধারণক্ষমতা ঘণ্টাপ্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পেয়ার [এমএএইচ] হয়ে থাকে। ডিজাইন, সুবিধা ও ব্র্যান্ডের ভিত্তিতে পাওয়ার ব্যাংকের দাম এক হাজার ২০০ থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। পাওয়ার ব্যাংকে দুই রকমের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। একটি লিথিয়াম আয়ন, অন্যটি লিথিয়াম পলিমার। এর মধ্যে লিথিয়াম আয়ন অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং সহজলভ্য। লিথিয়াম পলিমার দেওয়া ব্যাটারিসমৃদ্ধ পাওয়ার ব্যাংকের দাম একটু বেশি। এগুলো খোলাবাজারে খুব একটা পাওয়া যায় না। এ ধরনের পাওয়ার ব্যাংকের দাম বেশি হলেও প্রতি ইউনিটে বেশি চার্জ ডেনসিটি দেয়। যেটা মোবাইলের পক্ষে ভালো। বাজে-সস্তা ধরনের পাওয়ার ব্যাংক থেকে মোবাইল চার্জ করলে তা পারফরম্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলে। শুধু তাই নয়, ওভারচার্জ বা ওভারহিটেড হলে এগুলো বিস্টেম্ফারিত হতে পারে। ফলে কেনার আগে পাওয়ার ব্যাংকের ধরন যাচাই করে নেওয়া দরকার।
পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে : কম দামে অধিক মিলি অ্যাম্পেয়ারের ব্যাটারি কেনার সহজাত প্রবণতা রয়েছে। তবে এত খুব লাভ হয় না। কেননা বেশিরভাগ বেশি ক্যাপাসিটিযুক্ত কম দামের পাওয়ার ব্যাংকের মধ্যে ব্যবহার করা হয় রিফারবিশ ব্যাটারি। অর্থাৎ, পুরনো ব্যাটারিই কিছুটা পলিশ করে ব্যবহার করা হয়। এজন্য বিক্রয়োত্তর সেবা না থাকা কিংবা নন ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। পাশাপাশি শর্টসার্কিট এবং অন্যান্য সমস্যা এড়াতে এবং স্ট্যাবল ও পর্যাপ্ত আউটপুটের জন্য পাওয়ার ব্যাংকের সঙ্গে এর মূল এক্সেসরিজগুলো ব্যবহার করা উচিত। এখনকার সব হ্যান্ডসেটই ২.১ অ্যাম্পেয়ার কারেন্টে চার্জ করতে হয়। ফলে ১ এবং ২.১- এই দুই ধরনের ইউএসবি পোর্ট সমর্থিত পাওয়ার ব্যাংকই কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। সর্বোপরি কেনার আগে পাওয়ার ব্যাংকের ইউএল সার্টিফিকেশন ও রিয়েল আউটপুট যাচাই করে দেখলে ঠকার সম্ভাবনা থাকবে না।অনেক সময়ই আমরা পাওয়ার ব্যাংক কিনতে গেলে খুঁজি ক্যাপাসিটি কোনোটির বেশি। বাজারে ১০ হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ার পর্যন্ত পাওয়ার ব্যাংক রয়েছে। কিন্তু অনেকেই এর চাইতেও বেশি সক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংক খুঁজে থাকেন। আপাতদৃষ্টিতে বেশি ক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংক নেওয়াটা ক্ষতির নয়, তবে মাথায় রাখতে হবে আপনার ডিভাইসের সবচাইতে ভালো ব্যবহার কীভাবে করা যায়। ৫০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্যাপাসিটির পাওয়ার ব্যাংকেই কাজ চললে ২০ হাজার মিলি অ্যাম্পিয়ারের পেছনে না ছোটাই ভালো। কেননা ক্যাপাসিটি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংকের আকার ও ওজনও বাড়ে। ফলে চলার পথে এটি ব্যবহার স্বাচ্ছন্দ্যময় নয়। এক্ষেত্রে ফোনের ব্যাটারি ১৮০০ বা ২২০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার হলে পাওয়ার ব্যাংকগুলো ছয় হাজার, ১০ হাজার কিংবা ১৫ হাজার মিলি অ্যাম্পেয়ারে হলেই চলে। কেননা ফোনের ব্যাটারি ২০০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার হলে ১০ হাজার মিলি অ্যাম্পেয়ারের পাওয়ার ব্যাংক দিয়ে ৫ বার ফোন ফুল চার্জ দেওয়া যাবে।
পাওয়ার ব্যাংকের হাটে : বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডে নানা ধরনের পাওয়ার ব্যাংক রয়েছে। অ্যাপাসার, শওমি, অ্যাডাটা, প্রোলিংক, ওয়ালটন ইত্যাদি ব্র্যান্ডেড পাওয়ার ব্যাংক ছাড়াও রয়েছে নন-ব্র্যান্ডেড বেশ কিছু পাওয়ার ব্যাংক। স্মার্টফোন ও ট্যাবের চার্জ দিতে অ্যাপাসার ব্র্র্যান্ডের রয়েছে পাঁচটি মডেলের বহনযোগ্য পাওয়ার ব্যাংক। এগুলো দিয়ে স্মার্টফোন, ট্যাব চার্জ করা যায়। এর মধ্যে অ্যাপাসার বি-৫১০ মডেলের ৫ হাজার এমএইচ পাওয়ার ব্যাংকের দাম দেড় হাজার, ১০ হাজার এমএইচ পাওয়ারের বি-৫২০ মডেলের দাম দুই হাজার ৯০০ টাকা এবং বি১২৪ মডেলের ১১ হাজার এমএইচ ক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংকটির দাম ১১ হাজার টাকা। অ্যাপাসার পাওয়ার ব্যাংক পরিবেশক কম্পিউটার সোর্স। চীনা ব্র্যান্ড শওমি পাওয়ার ব্যাংকে আছে ১০৪০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি। দাম দুই হাজার ৭০০ টাকা। মূল পাওয়ার ব্যাংকটি বিভিন্ন রঙে পাওয়া যায়। তবে আমাদের রিভিউ ইউনিট ছিল সিলভার রঙের। এখানেও অনেকে রঙ ও ফিনিশিংয়ের সঙ্গে অ্যাপলের হার্ডওয়্যারের [ম্যাকবুক, ম্যাক মিনি, ইত্যাদি] যথেষ্ট মিল রয়েছে। নান্দনিক ডিজাইন ও বাহারি রঙের দুটি পাওয়ার ব্যাংক আছে প্রোলিংক ব্র্যান্ডের। এর মধ্যে ৭,২০০ মিলি অ্যাম্পেয়ার ক্ষমতার পিপিবি৭২১ মডেলের দাম এক হাজার ৯০০ টাকা এবং ১২ হাজার এমএইএচ ক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংকটির মূল্য দুই হাজার ৫০০ টাকা। রিচার্জেবল লি-পলিমার ব্যাটারি সংযুক্ত অ্যাডাটা পাওয়ার ব্যাংক পিভি-১১০ পাওয়ার ব্যাংকে রয়েছে ১০৪০০ এমএএইচ ব্যাটারি। গ্গ্নোবাল ব্র্যান্ড পরিবেশিত এই পাওয়ার ব্যাংকটির দাম দুই হাজার ৪০০ টাকা। দেশি ব্র্যান্ডের ওয়ালটনের ডবি্লউপিবি-৬০০০ মডেলের ৬০০০এমএএইচ ধারণক্ষমতার লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি সংযুক্ত পাওয়ার ব্যাংকটির মূল্য এক হাজার ৫০০ টাকা।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করা যাবে! •ফেসবুক ব্যবহারে সারা পৃথিবীতে দু'নম্বরে ঢাকা •এক হলো রবি-এয়ারটেল •বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের অর্ধেক কাজ সমাপ্ত. তারানা হালিম। •বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা •পৌ‌নে ২ ঘণ্টা সময় দিলেন প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম। •সিম নিবন্ধন, শেষ সময় ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা তারানা হালিম • যে ভাবে নাম্বার গোপন রেখে কল করবেন
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document