/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   10 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

ইবি শিক্ষকের আলমারিতে মিলল বিবস্ত্র ছাত্রী!

তারিখ: ২০১৫-০৮-১৩ ১৫:৪১:২০  |  ৩১৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: আলমারিতে কাপড় চোপড় আর মূল্যবান জিনিসপত্রের পরিবর্তে পাওয়া গেছে এক ছাত্রীকে! ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক আবদুল হালিমের বাসার আলমারিতে ওই ছাত্রীকে পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রমতে, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের সিটি কলেজের সামনে অবস্থিত ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক আবদুল হালিমের বাসায় ওই ছাত্রী প্রবেশ করে। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয় যুবকদের একটি দল ঐ বাসার দরজায় কড়া নাড়ে। দীর্ঘক্ষণ দরজায় শব্দ করার পর শিক্ষক আবদুল হালিম দরজা খুলে দেন। এসময় তারা বাসায় যে মেয়েটি প্রবেশ করেছে সে কোথায় তা জানতে চায়। কিন্তু আবদুল হালিম বাসায় কোনো মেয়ে থাকার কথা অস্বীকার করেন। এসময় উভয় পক্ষ বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে আলমারির কড়া নড়ে উঠে। তখন যুবকরা তালাবদ্ধ আলমারিতে আঘাত করলে ভেতর থেকে নারী কণ্ঠের আর্তনাদ আসে। পরবর্তীতে তালা খোলা হলে আলমারি থেকে প্রায় বিবস্ত্র অবস্থায় ছাত্রীকে পাওয়া যায়।

এর কিছুক্ষণ পর পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক ড. সাজ্জাদ হোসেন, ভিসির একন্ত সহকারী মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষক কর্মকর্তা গিয়ে স্থানীয় যুবকদের নিবৃত করে ওই ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেন।

স্থানীয় যুবক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই ঐ ছাত্রী আবদুল হালিমের ব্যাচেলর বাসায় যাতায়াত করে। প্রায়ই আমরা তাকে দেখতাম। মঙ্গলবারও ঐ ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নেমে বিকেল পাঁচটার দিকে ওই বাসায় প্রবেশ করতে দেখে আমরা তাকে অনুসরণ করি। প্রায় আধাঘণ্টা পর আমরা ওই বাসায় গিয়ে অপ্রীতিকর অবস্থায় আলমারি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করি।’

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক ও ছাত্রীকে অপ্রীতিকর অবস্থায় আটককারী স্থানীয় যুবকরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ওই শিক্ষকও আওয়ামীপন্থী হওয়ায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টুর নির্দেশে স্থানীয় যুবকরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল হালিমের মুঠোফোনে অসংখ্য বার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও ভুক্তির কাজ চলছে : নাহিদ •রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document