/* */
   Tuesday,  Jun 19, 2018   4 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

৫৭ বছরের চেষ্টায় পাহাড় কেটে ৪০ কিমি রাস্তা

তারিখ: ২০১৫-০৮-২৫ ১২:৫০:৪৯  |  ১৩৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: আর এক ‘মাউন্টেন ম্যান’ দশরথ মানঝি। পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করে খ্যাতি কুড়িয়েছেন মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার ৮৪ বছরের রাজারাম ভাপকার। সাত সাতটা পাহাড় কেটে প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা গড়েছেন কার্যত একক প্রচেষ্টায়। গত ৫৭ বছর এই কাজই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। এই কৃতিত্বের জন্য প্রাক্তন এই শিক্ষককে এক ডাকে চেনে সমগ্র অঞ্চলই। তিনি এলাকায় ভাপকার গুরুজি নামেই পরিচিত। আটপৌরে পোশাকের এই বৃদ্ধকে দেখতে আর পাঁচটা গ্রামের লোকের মতোই। এক ঝলক দেখলে আলাদাভাবে কিছুই বোঝা যাবে না। সাদ পাজামা-জামা আর গাঁধী টুপি পরেন তিনি। আর এই সারল্যের আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে ইস্পাত কঠিন সংকল্প।

সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা। তাঁর জেদের সামনে বাধা হয়ে উঠতে পারেনি কোনও প্রতিকূলতা। জিলা পরিষদের অধীনে কোলেগাঁও-এর একটি স্কুলে কাজ করেছেন ১৯৯৫৭ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত। তিনটি গ্রাম ঘুরে তাঁর গ্রামের লোকজনকে আসতে হতে কোলেগাঁও-এ। ভাপকারের কথায়, স্বাধীনতার সময় গুডেগাঁওয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী অন্যান্য গ্রামের মধ্যে যাতায়াতের কোনও রাস্তা ছিল না। মাঝে ছিল ৭০০ মিটার উঁচু সন্তোষা পাহাড়। ওই পাহাড় বরাবর একটি রাস্তা তৈরির জন্য তিনি প্রশাসনের দোরে দোরে ঘুরেছেন। কিন্তু কোনও সাহায্য পাননি তিনি। অগত্যা নিজেই উদ্যোগ নেন তিনি। দীর্ঘ  ৫৭ বছরের প্রচেষ্টা ও তাঁর দৃঢ়তায় সাতটি রাস্তা তৈরি হয়েছে। মোট দৈর্ঘ্য ৪০ কিলোমিটার। আর এই রাস্তাগুলি তাঁর গ্রামের সঙ্গে অন্যান্য গ্রামগুলির সংযোগ সাধন করেছে।

এর আগে দেউলিগাঁও হয়ে কোলেগাঁওয়ের দুরত্ব ছিল ২৯ কিলোমিটার। কিন্তু ভাপকারের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পাহাড় কেটে কাঁচা সড়ক গড়ে ওঠার পর সেই দুরত্ব কমে হয়েছে ১০ কিলোমিটার।

রাস্তা তৈরির জন্য শ্রমিকদের মজুরি নিজের পকেট থেকে দিয়েছেন ভাপকার। ভাপকার জানিয়েছেন,  তাঁর বেতনের অর্ধেক মজুরি দিতে ব্যয় হয়েছে। আর এই কাজে সরকারের কাছ থেকে একটি পয়সাও পাওয়া যায়নি।

১৯৯৭-এ রাস্তা নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ভাপকার জানিয়েছেন, চাকরি থেকে অবসর সূত্রে পাওয়া অর্থ ও পেনশন রাস্তা নির্মানের কাজেই ব্যয় হয়েছে। চিরাচরিত কোদাল ও শাবল ছাড়াও কাজ দ্রুতগতিতে করার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও ভাড়া করেছেন ভাপকার।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •কলাপাড়ায় শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি প্রদান ॥ •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •তুর্কি বাহিনীর সিরিয়ায় প্রবেশ •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document