/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   08:29 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

৫৭ বছরের চেষ্টায় পাহাড় কেটে ৪০ কিমি রাস্তা

তারিখ: ২০১৫-০৮-২৫ ১২:৫০:৪৯  |  ১৫২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: আর এক ‘মাউন্টেন ম্যান’ দশরথ মানঝি। পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করে খ্যাতি কুড়িয়েছেন মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর জেলার ৮৪ বছরের রাজারাম ভাপকার। সাত সাতটা পাহাড় কেটে প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা গড়েছেন কার্যত একক প্রচেষ্টায়। গত ৫৭ বছর এই কাজই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। এই কৃতিত্বের জন্য প্রাক্তন এই শিক্ষককে এক ডাকে চেনে সমগ্র অঞ্চলই। তিনি এলাকায় ভাপকার গুরুজি নামেই পরিচিত। আটপৌরে পোশাকের এই বৃদ্ধকে দেখতে আর পাঁচটা গ্রামের লোকের মতোই। এক ঝলক দেখলে আলাদাভাবে কিছুই বোঝা যাবে না। সাদ পাজামা-জামা আর গাঁধী টুপি পরেন তিনি। আর এই সারল্যের আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে ইস্পাত কঠিন সংকল্প।

সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা। তাঁর জেদের সামনে বাধা হয়ে উঠতে পারেনি কোনও প্রতিকূলতা। জিলা পরিষদের অধীনে কোলেগাঁও-এর একটি স্কুলে কাজ করেছেন ১৯৯৫৭ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত। তিনটি গ্রাম ঘুরে তাঁর গ্রামের লোকজনকে আসতে হতে কোলেগাঁও-এ। ভাপকারের কথায়, স্বাধীনতার সময় গুডেগাঁওয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী অন্যান্য গ্রামের মধ্যে যাতায়াতের কোনও রাস্তা ছিল না। মাঝে ছিল ৭০০ মিটার উঁচু সন্তোষা পাহাড়। ওই পাহাড় বরাবর একটি রাস্তা তৈরির জন্য তিনি প্রশাসনের দোরে দোরে ঘুরেছেন। কিন্তু কোনও সাহায্য পাননি তিনি। অগত্যা নিজেই উদ্যোগ নেন তিনি। দীর্ঘ  ৫৭ বছরের প্রচেষ্টা ও তাঁর দৃঢ়তায় সাতটি রাস্তা তৈরি হয়েছে। মোট দৈর্ঘ্য ৪০ কিলোমিটার। আর এই রাস্তাগুলি তাঁর গ্রামের সঙ্গে অন্যান্য গ্রামগুলির সংযোগ সাধন করেছে।

এর আগে দেউলিগাঁও হয়ে কোলেগাঁওয়ের দুরত্ব ছিল ২৯ কিলোমিটার। কিন্তু ভাপকারের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় পাহাড় কেটে কাঁচা সড়ক গড়ে ওঠার পর সেই দুরত্ব কমে হয়েছে ১০ কিলোমিটার।

রাস্তা তৈরির জন্য শ্রমিকদের মজুরি নিজের পকেট থেকে দিয়েছেন ভাপকার। ভাপকার জানিয়েছেন,  তাঁর বেতনের অর্ধেক মজুরি দিতে ব্যয় হয়েছে। আর এই কাজে সরকারের কাছ থেকে একটি পয়সাও পাওয়া যায়নি।

১৯৯৭-এ রাস্তা নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ভাপকার জানিয়েছেন, চাকরি থেকে অবসর সূত্রে পাওয়া অর্থ ও পেনশন রাস্তা নির্মানের কাজেই ব্যয় হয়েছে। চিরাচরিত কোদাল ও শাবল ছাড়াও কাজ দ্রুতগতিতে করার জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও ভাড়া করেছেন ভাপকার।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা • ১৫ আগষ্ট’ ২০১৭ ইং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিলখী ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরে তোবারক বিতরন।
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document