/* */
   Tuesday,  Jun 19, 2018   05:13 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

১০ লাখ গরু আসছে ভারত থেকে

তারিখ: ২০১৫-০৮-২৫ ১২:৫৫:১৫  |  ২০১ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গবাদি পশু সঙ্কটের শঙ্কা কেটে যাচ্ছে। ঘাটতি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আসবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাব ও পদক্ষেপের ফলে।

ইতোমধ্যে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নজরদারি শিথিল করা হয়েছে। বাড়ছে গরু আমদানি। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার সীমান্ত দিয়ে গরু আসা শুরু হয়েছে। শীঘ্রই ভারত সীমান্তের ৩১টি করিডোর দিয়েই অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যে গরু আমদানি পুনরায় চালু করা হবে। গরু বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে যাতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে গোলাগুলি না ঘটে সে বিষয়েও সতর্ক থাকবে উভয় দেশ।

এ ছাড়া কোরবানি সামনে রেখে দেশীয় গরু মোটাতাজাকরণে বিষাক্ত রাসায়নিক ওষুধ ব্যবহার করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওইসব গরু হাটে আনা হলে জরিমানাসহ বেপারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

জানা গেছে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের বর্তমান সরকারের কঠোর নীতিমালার কারণে সে দেশ থেকে গরু আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। আশঙ্কা ছিল, এ কারণে আগামী কোরবানি ঈদের সময় এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে অভ্যন্তরীণ বাজারে। কিন্ত সেই শঙ্কা কেটে যাচ্ছে উভয় সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের কারণে। কোরবানির চাহিদা মেটাতে ভারত থেকেই গরু আমদানি করা হবে।

বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, আগামী কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গরু সঙ্কটের কোন আশঙ্কা নেই। ওই সময় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের প্রয়োজন, কিন্তু আমাদের রয়েছে ৬০ লাখ। বাকি ১০ লাখ গরু ভারত থেকে আনা হবে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। এই বাণিজ্য ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। ভারত থেকে গরু আসা শুরু হয়ে

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা ২ কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। সূত্রগুলো বলছে কোরবানি ঈদে প্রায় ৭০ লাখ গরু ও মহিষের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এখন দেশে কোরবানি দেয়ার মতো গরু ও মহিষের মজুদ রয়েছে ৬০ লাখ। সেই হিসাবে ১০ লাখ গরুর ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে কোরবানির সময় গরু আমদানির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

জানা গেছে, ভারত থেকে গরু আমদানির জন্য সীমান্তে ৩১টি করিডর স্থাপিত রয়েছে। সবচেয়ে বেশি করিডোর আছে রাজশাহী অঞ্চলে, ১২টি। এছাড়া যশোর, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামেও গরু আমদানির করিডোর রয়েছে। এসব করিডোর থেকেই অবৈধপথে আসা পশু বৈধ করা হয়। সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রতিটি গরু মহিষের জন্য ৫০০ টাকা, দুম্বা বা ছাগলের জন্য ২০০ টাকা এবং উট, গাধা বা ঘোড়ার জন্য ৬ হাজার টাকা রাজস্ব দিতে হয়। তবে এ অর্থ আদায় করা হয় পশু বিক্রির মূল্য হিসাবে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document