/* */
   Tuesday,  Jun 19, 2018   06:36 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

শ্রীনির ভাগ্য স্থির হবে কোর্টে

তারিখ: ২০১৫-০৮-২৯ ১৫:১৫:০২  |  ২৭৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতার পাঁচতারা হোটেলের নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসনের মুখচোখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে একগাদা অস্বস্তিতে ভরপুর। পরিস্থিতির ওপর সেই পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ নেই, নিয়ম করে যা ভারতীয় ক্রিকেটমহল দেখে এসেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই দণ্ডমুণ্ডের কর্তাকে কলকাতার বোর্ড বৈঠক থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সভায় তার যোগ দেওয়া উচিত নয়, এই নিয়ে আইনি বিতণ্ডায় সভা মুলতুবি করে দেওয়া হয়।
 
কার্যনির্বাহ কমিটির সদস্যদের যাতায়াত ভাড়া, টিএ-ডিএ নিয়ে শুধু এই বৈঠকের জন্য খরচ হয়েছে অন্তত পঞ্চাশ লাখ টাকা। শুক্রবারের বহুপ্রতীক্ষিত এই সভা শেষ হয়ে গেল মাত্র চল্লিশ সেকেন্ডে। শুরুও হয় ৩৬ মিনিট দেরিতে। দেরির কারণ শ্রীনির অংশগ্রহণ নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা।
 
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডালমিয়া আগেই ঠিক করেছিলেন তিনি শ্রীনিকে সভায় ঢুকতে দেবেন না। বোর্ডের কাছে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারকদের পরামর্শ নেওয়া ছিল যে শ্রীনিকে ঢুকতে দিলে আদালত অবমাননা হবে। সভাও অবৈধ ঘোষণা হবে। কিন্তু শ্রীনি আবার তাঁর তুরুপের তাস হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শ্রীকৃষ্ণর আইনি মতামত নিয়ে শহরে হাজির হন। যেখানে বিচারপতি বলছেন, শ্রীনির বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে কোনও আইনি বাধা নেই।
 
পরস্পরবিরোধী আইনি মতামতের জাঁতাকলে পড়ে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয় তারা নিজেরা বৈঠক করবে না। সর্বোচ্চ আদালতকেই আবেদন করবে যে আপনারা নিষ্পত্তি করে নিন শ্রীনি তামিলনাড়ুর প্রতিনিধি হিসেবে সভায় থাকতে পারবেন কি না? বোর্ডের তরফে আইনজীবী ঊষানাথ বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিচারপতি ঠাকুর ও খলিফুল্লাহর বেঞ্চে আবেদন করবেন দ্রুত রায় দেওয়ার জন্য। ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতায় বার্ষিক সাধারণ সভা হবে। তার আগে ওয়ার্কিং কমিটি করতেই হবে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেতে দেরি হলে বোর্ডের এজিএম পিছিয়ে অক্টোবরে চলে যেতে পারে।
 
শ্রীনি বৈঠকে প্রবেশ নিয়ে এমন অনমনীয় জেদ দেখাতে পারেন তাঁর ঘনিষ্ঠরাও ভাবেননি। সকালে তিনি হোটেল পৌঁছনোর পরে ঘনিষ্ঠরা বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন, আপনি হলেন আইসিসি চেয়ারম্যান। এই ছোট বৈঠকে ঢোকা নিয়ে ঝামেলা করা আপনার শোভা পায় না। ছেড়ে দিন না ওরা যদি জোরজার করে। শ্রীনি শুনতেই রাজি হননি। বলতে থাকেন, 'এখানে যদি ওরা আমাকে আটকে দেয়, তা হলে এজিএমের দিনেও একই অসভ্যতা করবে। যে করে হোক আমাকে আজ ঢুকতেই হবে।'
 
ডালমিয়াও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। শ্রীনি ইস্যুতে এত দূর চলে এসেছেন যে ফেরার রাস্তা নেই। রাস্তা নেই সমঝোতারও।
 
সুপ্রিম কোর্টের এজলাস আপাতত স্থির করবে রক্তপাতহীন অথচ নৃশংস বোর্ড রাজনীতির শেষ দৃশ্য কী হবে। শ্রীনি যদি বৈঠকে ঢোকার অনুমতি পেয়ে যান, তা হলে অনেক হিসেব সেপ্টেম্বরে উল্টে যাবে। আর যদি তাঁকে আদালত আটকে দেয়, তা হলে বোর্ডে এতো দিনের শ্রীনি রাজ্যপাট শুক্রবারের সভার মতো স্থগিত হবে না। স্রেফ নিশ্চিহ্ন হওয়ার দিকে এগোবে। এজলাসই এখন শ্রীনির চূড়ান্ত বাইশ গজ। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকা


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •হঠাৎ রিয়াল ছাড়লেন জিদান •বিপিএল : দর্শকপূর্ণ সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উৎসব মুখর পরিবেশ •ফুটবল খেলা আমাদের কাছে স্বাধীনতা': কলকাতায় মুসলিম মহিলাদের ফুটবল ম্যাচ •মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার টাইগার উডস •আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি •রামগঞ্জে আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শর্ট পিচ ক্রিকেট টুনামেন্ট উদ্বোধন • মামলায় জামিন পেলেন ক্রিকেটার আরাফাত সানি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document