/* */
   Sunday,  Sep 23, 2018   11 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

এসপি কামালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

তারিখ: ২০১৫-০৯-০৭ ১৫:১১:৫১  |  ২৪৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: হাইকোর্টের রায়ে খালাস পাওয়া রেলওয়ে পুলিশের সাবেক এসপি মোস্তফা কামালকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে বাদীপক্ষকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার এ আদেশ দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

এস এ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমদকে অবৈধভাবে আটক করে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে দুর্নীতির মামলায় মোস্তফা কামালকে যাবজ্জীবন ও ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালত। পরে হাইকোর্টে আপিল করে খালাস পান তিনি।

২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি মামলার ওই রায়ে হবিগঞ্জের তৎকালীন এসপি মোস্তফা কামালকে সব মিলিয়ে ৩৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোতাহার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় সরকারি কর্মকর্তা হয়েও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন (৩০ বছর) এবং দণ্ডবিধির ১৬১ ও ১৬৭ ও দুর্নীতি দমন আইনের ৫(২) প্রমাণিত হওয়ায় আরও ৫ বছরের সাজা দেওয়া হয়।

মোস্তফা কামালকে আদালত ৩৫ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন। জরিমানার টাকার মধ্যে ৫ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা ও বাকি ২৫ লাখ টাকা মামলার বাদীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার অবসরপ্রাপ্ত এসআই ওয়াহেদ মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন বিচারিক আদালত।

২০০৩ সালের ২০ নভেম্বর এস এ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমদ পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল ও নীলফামারীর পার্বত্যপুর রেলওয়ের এসআই ওয়াহেদ মিয়ার বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

বাদী মামলায় অভিযোগ করেন, ২০০২ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি নিজ গাড়িতে ২০ লাখ টাকা নিয়ে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তল্লাশির নাম করে পুলিশ গাড়িটি আটক করে।

বাদী তার পরিচয় দিলে রাতে টাকা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে থানায় জিডি করতে বলে পুলিশ।

জিডি করতে থানায় গেলে হবিগঞ্জের তৎকালীন এসপি মোস্তফা কামাল এসএ পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী সালাহ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যদের হাজতে ঢোকাতে ওয়্যারলেসে থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, এরপর তাকে আটক করে তার নামে মানিলন্ডারিং, মাদক ও নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে পৃথক ৩টি মামলা করে পুলিশ।

বাদী আরও উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে আসামিরা বাদীর হেড অফিসে খবর পাঠান, আটককৃত ২০ লাখ টাকাসহ ৫০ লাখ টাকা দিলে সকলকে ম্যানেজ করে মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

২০১০ সালের ৪ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •হলি আর্টিজান মামলার অভিযোগপত্র দাখিল •আমতলীতে ৫শ’পিচ ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল •বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document