/* */
   Tuesday,  Jun 19, 2018   04:56 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

বাংলাদেশে শিশু মৃত্যু কমেছে ৭৩.৬১%

তারিখ: ২০১৫-০৯-১০ ১৬:১৮:৪৮  |  ২৬৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে শিশুমৃত্যুর হার ৫৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ১৯৯০ সালের পর ২০১৫ সালে এসে বাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৭৩.৬১ শতাংশ। ১৯৯০ সালের দিকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ছিল প্রতি বছরে এক কোটি ২৭ লাখ। ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ৫৯ লাখে নেমে এসেছে। এই প্রথম বিশ্বব্যাপী শিশুমৃত্যু হার ৬০ লাখের নিচে পৌঁছেছে। যদিও বিশ্বে ৫ বছরের কম বয়সী ১৬ হাজার
শিশু মারা যাচ্ছে প্রতিদিন। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ গতকাল বুধবার এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে প্রতি এক হাজারে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪৪। ২০১৫ সালে সে হার দাঁড়িয়েছে ৩৮-এ। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে ৫ বছরের বয়সী শিশুর মৃত্যুহার কমেছে ৭৩.৬১ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং নেপাল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জন করেছে। যদিও তা এমডিজির চতুর্থ লক্ষ্য অর্জনের খুব কাছাকাছি।
বিশ্বের মোট ১৯৫টি দেশের ওপর এই জরিপ পরিচালিত হয়। 'দ্য লেভেলস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন দ্য চাইল্ড মর্টালিটি রিপোর্ট ২০১৫' শীর্ষক প্রতিবেদনটি তৈরিতে ইউনিসেফ, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ এবং জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক অধিদপ্তর সহায়তা করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ৫ বছরের কম বয়সী ৫০ ভাগ শিশুর মৃত্যুর কারণ অপুষ্টি ও ক্ষুধা। যদিও এই জরিপের তালিকায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। প্রতিবেদনের এক অংশে বলা হয়, ২০১১ সালে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে প্রসবকালীন শিশুমৃত্যু হার ছিল ৪৪ জন। ২০১৫ সালে সে হার এখন ৪৮ জন এবং ৫ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যু হার রোধে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য অর্জন করেছে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের মতে, সফল টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন, ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং ভিটামিন 'এ' সম্পূরক ওষুধের সফল ব্যবহারের কারণে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয় সাব-সাহারার আফ্রিকার দেশগুলোতে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এ সংখ্যা প্রতি ১০ জনে ৩ জন।
এর মধ্যে জন্মের ২৮ দিনের মধ্যে ৪৫ শতাংশ শিশুর মৃত্যু হয়। ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় প্রতি বছর বিশ্বে ১০ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়। জন্মের পর প্রথম সপ্তাহে মারা যায় ২০ লাখ শিশু। জরিপে অন্তর্ভুক্ত নিম্ন আয়ের ১২টি দেশের মধ্যে যে ১০টি দেশ শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে এনেছে তার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই আফ্রিকার দেশ।
তবে সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, এখনও অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে। কারণ, শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশের নিচে নামিয়ে আনার ব্যাপারে জাতিসংঘের লক্ষ্য এখনও অর্জিত হয়নি। ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক গীতা রাও গুপ্তা বলেন, ২০০০ সালের পর থেকে শিশুমৃত্যু হার কমানোর ক্ষেত্রে এটি নিঃসন্দেহে অনেক বড় অর্জন। কিন্তু এখনও অনেক শিশু এমন সব রোগে মারা যাচ্ছে, যা আসলে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই এখনও আমাদের অনেক কাজ করতে হবে।
ইউনিসেফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সী ১৬ হাজার শিশু প্রতিদিন মারা যাচ্ছে। তাদের বেশিরভাগই অপুষ্টি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। তাদের অন্তত ৪৫ শতাংশই এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যাচ্ছে। সাহারা মরুভূমির আশপাশের দেশগুলোর শিশুরাই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, ইথিওপিয়া, লাইবেরিয়া, মালাওয়ি, নেপাল এবং তাঞ্জানিয়ার মতো কয়েকটি নিম্ন আয়ের দেশে শিশুদের জীবনরক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জোরালো অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
এসব দেশে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের আগেই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত দুই দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগগুলোর কারণে প্রায় নয় কোটি শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, কার্যকর এবং সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং অব্যাহত রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কারণে বিশ্বে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুমৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়েছে।
তবে ইউনিসেফের উপপ্রধান গীতা রাও গুপ্তা হুঁশিয়ার করে বলেছেন, আরও দ্রুত অগ্রগতি অর্জন সম্ভব না হলে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এমডিজি নির্ধারিত শিশুমৃত্যুর হার দুই-তৃতীয়াংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ২০২৮ সালের আগে অর্জন সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চার নম্বর লক্ষ্য অর্জনের অঙ্গীকার পূরণের মাধ্যমে বিশ্ব সম্প্রদায় এই ট্র্যাজেডি এড়াতে পারে এবং তার জন্য হাতে সময় আছে আর মাত্র দুই বছর। অবশ্যই, ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজির চার নম্বর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চ্যালেঞ্জ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গীতা রাও বলেন, ২০১৫ সালের মধ্যে আমাদের আরও ৩৫ লাখ শিশুর জীবন বাঁচাতে হবে। সুতরাং, এ ক্ষেত্রে আমাদের জরুরিভিত্তিতে সফলতা অর্জনের গতি বাড়াতে হবে।

সূত্র. সমকাল


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ •বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব কর্পূরের মতো দূর হয়ে যাবে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document