/* */
   Monday,  Dec 10, 2018   12:34 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরির ৪ সদস্য আটক

তারিখ: ২০১৫-০৯-১৪ ১৫:৫৮:০৯  |  ৩১৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক: নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরির চক্রের সঙ্গে জড়িত চাকরিচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ চার জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আটককৃতরা হলেন- মো. সিরাজুল ইসলাম জিন্নাত, মো. বজলুর রহমান, মো. সাইদুর রহমান শিমুল ও মো. আব্দুর রাজ্জাক। এর মধ্যে দুই বজলুর রহমান চাকরিচ্যুত পুলিশ এবং সাইদুর রহমান শিমুল চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি এলজি কোম্পানির কম্পিউটার মনিটর, একটি সিপিইউ, একটি কার্ড প্রিন্টার, ৭টি ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড, ৬টি নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড, ২১টি অসম্পূর্ণ পিবিসি সাদা কার্ড, দু’টি হলোগ্রাম রিবন (গোল্ডেন), ৭টি সিলভার ও দু’টি কালো রঙের কালির কৌটা উদ্ধার করা হয়। এ সব দিয়ে নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করা হতো।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এ ব্যাপারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের যুগ্ম-কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বিআরটিএ’র কর্মকর্তা সেজে নকল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে সরবরাহ করতো আটককৃতরা। ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেই দীর্ঘদিন এ কাজ করছিলেন তারা।
 
মনিরুল বলেন, প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্স ৭৫০ টাকা, নকল ফিটনেস সার্টিফিকেট ৫০০ টাকা, নকল ইন্স্যুরেন্স সার্টিফিকেট ৩৫০ টাকায় সরবরাহ করতো এই প্রতারকরা। এজন্য মক্কেল জোগাড় করতে বিআরটিএ কার্যালয় এলাকায় বেশি ঘোরাফেরা করতো তারা। গ্রাহক খুঁজে আনার জন্য তাদের দালালরাও মাঠে কাজ করে বলে আমরা জানতে পারি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য বজলুর রহমান ট্রাফিক বিভাগে কাজ করতেন। ২০ বছর আগে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ থেকে তিনি চাকরিচ্যুত হন। ট্রাফিক বিভাগে কাজ করার জন্যই ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কে ভালো ধারণা ছিল তার।

এদিকে, চাকরিচ্যুত সেনাসদস্য সাইদুর রহমান শিমুল মেশিন টুলস ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। এ জন্য স্মার্টকার্ড সম্পর্কে তার ভালো ধারণা ছিল। চার বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

তিনি বলেন, এদের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য দালালদের গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান চলছে। তবে এর সঙ্গে বিআরটিএ’র কোনো কর্মকর্তার জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। যদি পাওয়া যায় তবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•ভাঙ্গায় ডাক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ •কলাপাড়ায় জমির সীমানা নির্ধারনকে কেন্দ্র করে ভাই ভাই সংঘর্ষ,আহত ১ ॥ •নাশকতার মামলায় শেখ হাসিনা উইমেন্স কলেজের প্রভাষক গ্রেফতার। •কলাপাড়ায় ইউপি মেম্বারসহ দুইজন গ্রেফতার ॥ ৩৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার •কলাপাড়ায় মাদকসহ তিন জন অটক ॥ •তালতলীতে মাদক সহ আটক দুই •লন্ডনে হাইকমিশনের ওপর হামলা বাংলাদেশের ওপর হামলার সমতুল্য : পররাষ্ট্রমন্ত্রী •ঝিনাইদহে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কর্তৃক ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document