/* */
   Friday,  Dec 14, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

বাবার অপরাধে ১১ মাসের শিশুর হাজতবাস

তারিখ: ২০১৫-০৯-২০ ১৩:১২:২২  |  ২৭৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ডেস্ক নিউজ: ১১ মাস বয়সের রয়েল। বুধবার রাতে তার বাবাকে ধরতে গিয়েছিল পুলিশ। না পেয়ে ধরে নিয়ে আসে তার মাকে, সঙ্গে তাকেও। এরপর মা ও শিশুপুত্রকে ১৯ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় থানাহাজতে।

ঘটনাটি ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার। রয়েলের বাবা রাজু আহম্মদের অভিযোগ, স্ত্রী-সন্তানকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসতে ৪২ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে পুলিশকে। তবে পুলিশের অভিযুক্ত কর্মকর্তা এ ব্যাপারে স্পষ্ট কিছুই বলছেন না।

মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা রাজু আহম্মদ সময় সংবাদকে বলেন, তাঁর নামে একটি মামলা ছিল। তবে ১৬ দিন আগে তিনি ওই মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। বুধবার রাতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে একই উপজেলার লাটিমা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান তিনি।

রাত আটটার দিকে মহেশপুর থানার টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) আমির হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই বাড়িতে যায়। পুলিশ তাঁর নাম ধরে ডাকাডাকি করতে থাকলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। তারা তাঁকে আটক করতে না পেরে তাঁর স্ত্রী ও ১১ মাসের ছেলে রয়েলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

রাজুর অভিযোগ, আটকের সময় তাঁর স্ত্রীকে মারধর করা হয়। নারী পুলিশ না থাকায় পুরুষ পুলিশরা সন্তানসহ তাঁর স্ত্রীকে টেনেহিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যান। বুধবার রাতে তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে থানাহাজতে আটকে রাখা হয়। এরপর গতকাল সকালে থানার টিএসআই আমির হোসেন তাদের ছাড়তে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে ৪২ হাজার টাকা দিয়ে বেলা তিনটার দিকে তাদের মুক্ত করেন। ধারদেনা করে টাকার জোগাড় করে চাচা আবদুল আজিজের হাত দিয়ে টাকা পৌঁছে দেন।

আবদুল আজিজ বলেন, রাজু মুঠোফোনের মাধ্যমে পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকার চুক্তি করেন। তিনি টাকা নিয়ে থানায় যান। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তা আমিরের হাতে টাকা তুলে দিয়ে বৌমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টিএসআই আমির হোসেন বলেন, ‘রাজু আহম্মদ মামলায় জামিন নিলেও তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। যে কারণে তাঁকে আটক করতে গিয়েছিলাম। পুলিশ দেখে রাজু পালিয়ে যান। এরপর তাঁর স্ত্রীকে একা অন্যের বাড়িতে রেখে আসলে কেমন হয়, তাই নিরাপত্তার জন্য মা-ছেলেকে থানায় এনে রাখা হয়।’

টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আমির হোসেন পরে কথা বলবেন বলে জানান। বারবার প্রশ্ন করলেও তিনি ব্যস্ততার অজুহাতে এড়িয়ে যান।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির •আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document