/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   07:29 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

ঈদের ছুটিতে সুসং দুর্গাপুরে

তারিখ: ২০১৫-০৯-২২ ১৪:২১:২৩  |  ১০৮৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক: ঈদের ছুটি প্রায় শেষ পর্যায়ে। হাতে আর সময় আছে দুদিন। ছুটির এই সময়টায় ঘরবন্দী থেকে থেকে বন্ধুরা সবারই বিরক্তির মাত্রা চরম পর্যায়ে। তবে এই বিরক্তির যাত্রা ভাঙ্গে সন্ধ্যার আড্ডায়। হঠাৎই সিদ্ধান্ত, যাবো নেত্রকোনা বিরিশিরি।

বিরিশিরি বলতেই সামনে চলে আসে সুসং দুর্গাপুর। এটি নেত্রকোনা জেলার উত্তর প্রান্তে গারো পাহাড়ের পাদদেশের অবস্থিত একটি জনপদ। আমাদের যাত্রার মূল উদ্দেশ্য এই জনপদে বয়ে যাওয়া টলটলে জলের সোমেশ্বরী নদী আর আকাশ ছোঁয়া সবুজ পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে। সেই সৌন্দর্যের হাতছানিতে আমরা সন্ধ্যার পর রাজধানীর মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে উঠলাম নেত্রকোনার গাড়িতে।

সোমেশ্বরী পেরিয়ে


নেত্রকোনা পৌঁছালাম ভোরে। তখনো ঠিকমতো আলো ফোটেনি। বাস স্ট্যান্ডে নেমে নাশতা সেরে আমরা চললাম সোমেশ্বরী নদীর ধারে। দেখলাম টলমলে পানি আর দিগন্ত হারিয়ে যাওয়া আকাশ ছোঁয়া সবুজ পাহাড়। ছোটো নৌকায় পার হলাম ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় থেকে সৃষ্ট এই নদী। এখানে প্রকৃতি যেন তার সৌন্দর্য পুরোপুরি মেলে ধরেছে। নীল পানি আকাশের রংয়ের সঙ্গে মিশে একাকার। আর এই সৌন্দর্যে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে পাহাড়ের সবুজের খেলা।     

লোকমুখে শোনা যায়, সোমেশ্বর পাঠক নামে এক সিদ্ধপুরুষ এই অঞ্চলের দখল নেওয়ার পরেই এই নদীটির নাম হয় সোমেশ্বরী। একেক ঋতুতে এ নদীর সৌন্দর্য একেক রকম হলেও সারা বছরই এর জল টলটলে স্বচ্ছ থাকে বলে জানা যায়।

দুর্গাপুরের জমিদার বাড়ি



এখানে ঘুরতে আসলে সবাই এই জমিদারবাড়ি দেখে যায়। লোকমুখে এমন কথা শোনার পর আমাদের জমিদারবাড়ি দেখার আগ্রহ বেড়ে গেলো। তাই আমরা সোমেশ্বরী ছেড়ে চলে এলাম জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত সুসং দুর্গাপুরের জমিদার বাড়িতে। এই বাড়িটি তৈরি করেছিলেন সোমেশ্বর পাঠকের বংশধররা। বাংলা ১৩০৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বাড়িটি একেবারে ধ্বংস হয়ে গেলেও পরে এটির পুননির্মাণ করেন তারা। জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পূর্ব পর্যন্ত প্রায় তিনশ বছর সোমেশ্বর পাঠকের বংশধররা এ অঞ্চলে জমিদারী করে।


তাছাড়াও, উপজেলার বিজয়পুরে আছে চীনা মাটির পাহাড়, যেটি বিজয়পুর পাহাড় নামে পরিচিত। এখান থেকে চীনা মাটি সংগ্রহ করা হয়। আর এই চীনামাটি সংগ্রহের  ফলে পাহাড়ের গায়ে সৃষ্টি হয়েছে গভীর জলাধার। যেগুলো বাড়িয়ে তুলেছে পাহাড়ের সৌন্দর্য।

যেভাবে যাবেন

ঢাকার মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সরাসরি দুর্গাপুর যাওয়ার বাস ছাড়ে। ভাড়া কমবেশি ২৫০-৪০০ টাকা। এ ছাড়া বাস কিংবা রেলে ময়মনসিংহ গিয়েও সেখান থেকে বাসে বিরিশিরি যাওয়া যায়।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা • ১৫ আগষ্ট’ ২০১৭ ইং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নিলখী ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পরে তোবারক বিতরন।
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document