/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   10:51 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বেগম জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ১২ নভেম্বর

তারিখ: ২০১৫-১১-০৭ ১৬:১০:৩৬  |  ২৭৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার সাক্ষীদের জেরা শেষে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী ১২ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশি বাজার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে মামলার পরবর্তী এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া দুটি আবেদন করেন। পরে আবেদন দুটি মঞ্জুর শেষে খালেদার পক্ষে উক্ত আইনজীবী মামলার ১৮তম সাক্ষী সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানকে জেরা শুরু করেন। এছাড়া ১৯ নম্বর সাক্ষী মেট্রো মেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের এমডি এএফএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও ২০ নম্বর সাক্ষী ডিএমডি মাইনুল ইমরান চৌধুরীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

খালেদা জিয়ার পক্ষে সাক্ষীদের জেরা করেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুর রেজাক খান। দুদকের পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল। এছাড়া আদালতে আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এবং মুনিরুল ইসলামের পক্ষে জেরা করেন আখতারুজ্জামান।

সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, যে টাকা নিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের জমি কেনা হয়েছে, তা সরকারি টাকা নয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের টাকা দিয়ে এই জমি কেনা হয়েছে। এখানে কোনো দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদিও বলেছেন যে, এখানে সরকারি কোনো টাকার লেনদেন হয়নি। আজকের সাক্ষীরাও একই কথা বলেছেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

গত ১৯ মার্চ দুই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় দুদক মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এডিবি রূপসা পাওয়ার প্লান্টে ৫০১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিবে •ভুটানের জনগণের জন্য ২০ কোটি টাকার ওষুধ পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ •কমলো স্বর্ণের দাম •মহেশখালীতে ৩৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর •বিশ্বব্যাংক মিয়ানমারে প্রকল্প অনুমোদন বন্ধ করেছে : অর্থমন্ত্রী •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document