/* */
   Monday,  Jun 25, 2018   9 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

বেগম জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী কার্যক্রম ১২ নভেম্বর

তারিখ: ২০১৫-১১-০৭ ১৬:১৭:৩১  |  ২৫৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিজস্ব প্রতিবেদক 

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার সাক্ষীদের জেরা শেষে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী ১২ নভেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশি বাজার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে মামলার পরবর্তী এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

এ সময় খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া দুটি আবেদন করেন। পরে আবেদন দুটি মঞ্জুর শেষে খালেদার পক্ষে উক্ত আইনজীবী মামলার ১৮তম সাক্ষী সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানকে জেরা শুরু করেন। এছাড়া ১৯ নম্বর সাক্ষী মেট্রো মেকার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের এমডি এএফএম জাহাঙ্গীর হোসেন ও ২০ নম্বর সাক্ষী ডিএমডি মাইনুল ইমরান চৌধুরীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।

খালেদা জিয়ার পক্ষে সাক্ষীদের জেরা করেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুর রেজাক খান। দুদকের পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল। এছাড়া আদালতে আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্নার পক্ষে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এবং মুনিরুল ইসলামের পক্ষে জেরা করেন আখতারুজ্জামান।

সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, যে টাকা নিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের জমি কেনা হয়েছে, তা সরকারি টাকা নয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের টাকা দিয়ে এই জমি কেনা হয়েছে। এখানে কোনো দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদিও বলেছেন যে, এখানে সরকারি কোনো টাকার লেনদেন হয়নি। আজকের সাক্ষীরাও একই কথা বলেছেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাষ্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

গত ১৯ মার্চ দুই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় দুদক মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল •বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ •প্রথমে ছেলে, পরে বাপ এসে আমার ওপর নির্যাতন করে' •ঝিনাইদহে সার কারখানা থেকে বিপুল পরিমান সালফিউরিক এ্যাসিড জব্দ, লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা •হাইড্রোলিক হর্ন ১৫ দিনের মধ্যে থানায় জমা দিতে হবে : হাইকোর্ট
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document