/* */
   Wednesday,  Dec 12, 2018   4 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

রাজন হত্যা মামলা: কামরুলসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড -

তারিখ: ২০১৫-১১-০৮ ১৫:৪৫:২৭  |  ২৬৪ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 বাংলার বর্ণমালা    সিলেট সদর উপজেলার কুমারগাঁওয়ে নির্মম নির্যাতন করে ১৩ বছরের শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলমাসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি ৩ জন হচ্ছে- সাদিক আহমদ ময়না ওরফে বড় ময়না ওরফে ময়না চৌকিদার (৪৫), শেখপাড়া তাজউদ্দিন আহমদ ওরফে বাদল (২৮) ও মো. জাকির হোসেন পাভেল ওরফে রাজু (১৮)। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পাভেল পলাতক রয়েছে।

এদিকে আলোচিত এই হত্যা মামলায় ভিডিওচিত্র ধারণকারী নূর আহমদ ওরফে নূর মিয়াকে (২০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া প্রধান হোতা  কামরুল ইসলামের মেজো ভাই মুহিদ আলম (৩২), বড়ভাই আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও ছোটভাই শামীম আলমকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো ২ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

এছাড়া মামলায় ফিরোজ আলী, আজমত উল্লাহ ও রুহুল আমিনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

রোববার দুপুর পোণে ১২টায় সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে ১৩ আসামির মধ্যে ১১ জন উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দ্রুত ফাঁসির কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান। তিনি বলেন- আমি চেয়েছিলাম সকল আসামীর ফাঁসির রায় হোক কিন্তু আমার সে চাওয়া পূর্ণতা পায়নি। তবে যাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে তাদের ফাঁসির দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই চুরির মিথ্যা অপবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখপাড়ায় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয় সবজি বিক্রেতা শিশু সামিউল রাজনকে। তার বাড়ি সিলেটের জালালাবাদ থানা এলাকার বাদেয়ালি গ্রামে। তার লাশ গুম করার সময় স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়ে একজন। রাজনকে হত্যার পর তাকে নির্যাতন করার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

দেশ-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ ঘটনায় ওই দিনই রাজনের বাবা শেখ আজিজুল আলম বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় ১৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

রাজন হত্যায় পুলিশের বিরুদ্ধে আসামিদের পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগ ওঠে। জালালাবাদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম, এসআই জাকির হোসেন ও জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর হোসেনকে ২৫ জুলাই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ঘটনার ৩৮ দিন পর গত ১৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার ১৩ জনের বিরুদ্ধে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ৭ সেপ্টেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য মুখ্য হাকিম আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে কামরুলসহ দুজনকে পলাতক দেখানো হয়। গত ১৫ অক্টোবর কামরুলকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে পরদিন আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৮ অক্টোবর কামরুলের পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে তার উপস্থিতিতে সব আসামির সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন জানান। এরপর গত রোববার থেকে ১১ সাক্ষীর যুক্তিতর্ক শুরু হয়।
 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •হলি আর্টিজান মামলার অভিযোগপত্র দাখিল •আমতলীতে ৫শ’পিচ ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল •বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document