/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   12:40 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

মা-বাবা হত্যায় ঐশীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

তারিখ: ২০১৫-১১-১২ ১৫:০১:০১  |  ২৭৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

              পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় ঐশীর দুই বন্ধুর মধ্যে মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও আসাদুজ্জামান জনিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ৪ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই আদালত রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

ঐশীর দুই বন্ধু আসাদুজ্জামান জনি ও মিজানুর রহমান রনিকে এ মামলায় হত্যাকাণ্ডে সহায়তাকারী হিসেবে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে জনি শুরু থেকেই কারাগারে ছিলেন। আর রনি ছিলেন জামিনে।

অপর এক আসামি গৃহকর্মী খাদিজা আক্তার সুমি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার মামলাটির বিচার চলছে শিশু আদালতে। গত বছরের ২০ মে সুমির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে সুমিকে জামিন দেন শিশু আদালতের বিচারক জাকিয়া পারভিন। গত বছরের ১ জুন গাজীপুরের কিশোর সংশোধন কেন্দ্র থেকে মা সালমা বেগমের জিম্মায় জামিনে মুক্তি পেয়েছে সে।

গত ২০ অক্টোবর ও ৪ নভেম্বর পক্ষে-বিপক্ষে আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন উভয়পক্ষের আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মাহবুবুর রহমান ও আসামিপক্ষে মাহবুব হাসান রানা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

এ মামলায় ৫৭ সাক্ষীর মধ্যে বাদী ঐশীর চাচা মো. মশিউর রহমান রুবেলসহ ৩৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

গত ১৩ অক্টোবর মামলাটির প্রধান আসামি ঐশীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেন আদালত। আত্মপক্ষ সমর্থনকালে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তার বক্তব্য লিখিতভাবে আদালতে দাখিল করেন ঐশী। অন্য দুই আসামি জনি ও রনিও নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর মালিবাগের চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় পরদিন ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ভাই মশিউর রহমান পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করে। পরে গ্রেফতার করা হয় অন্য দুই আসামি রনি ও জনিকে। গত ৩১ মার্চ আসামি রনির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ ডিবির ইন্সপেক্টর মো. আবুয়াল খায়ের মাতুব্বর মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গত বছরের ৬ মে ঐশীসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।

       

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •হলি আর্টিজান মামলার অভিযোগপত্র দাখিল •আমতলীতে ৫শ’পিচ ইয়াবাসহ মাদক বিক্রেতা আটক •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল •বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document