/* */
   Monday,  Jun 18, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

দেশের গ্যাস ২০৩১ সালের আগে শেষ হবে

তারিখ: ২০১৫-১১-১৫ ১৮:৫৮:৪৯  |  ২৫২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দেশের মজুদকৃত গ্যাস আরো প্রায় ১৬ বছর অর্থ্যাৎ ২০৩১ সাল পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে । তবে নতুন কোন গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার না হলে এই সময়ের আগে দেশের গ্যাসের মজুদ শেষ হয়ে জাবে। আজ রোববার জাতীয় সংসদে পাবনা-১ আসনের সাংসদ সামশুল হক টুকুর এক প্রশ্নোর জবাবে তিনি এসব তথ্র জানান।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশে দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। গ্যাস উত্তোলন বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। ২০২০ সাল নাগাদ ২৯টি কূপ থেকে দৈনিক ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

‘অপরদিকে ২০২১ সালের মধ্যে বাপেক্স কর্তৃক স্থলভাগে ১৬টি ও ২০১৮ সালের মধ্যে আইওসি কর্তৃক অফশোরে চারটি অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এসব অনুসন্ধান কূপ খননের মাধ্যমে স্থলভাগে দৈনিক ১৩০ এমএমসিএফ গ্যাস প্রাপ্তি আশা করা হচ্ছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা সকলের জানা যে, দেশে গ্যাসের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না। অপরদিকে গ্যাসের মজুদও পর্যাপ্ত না হওয়ায় জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার এখনই গ্যাসের তরলজাত এলএনজি আমদানির জন্য কাতারের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করেছে। এফএসআরইউ ক্রয় ও এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আমেরিকাভিক্তিক একটি কোম্পানিকে দায়িত্ব প্রদান করেছে।’

আগামী ২০১৬-২০১৭ নাগাদ এলএনজি আমদানি করা সম্ভব হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আপাতত দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সমতুল্য এলএনজি আমদানি করা হবে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে (১জানুয়ারি ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত) ছয়টি স্ট্রাকচারে গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তার মধ্যে তিনটি (সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও রূপগঞ্জ) গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। সুন্দলপুর ও শ্রীকাইলে একত্রে ১৯৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে।

সুন্দলপুর থেকে দৈনিক গড়ে ৩ দশমিক ৬ এমএমসিএফ এবং শ্রীকাইল হতে দৈনিক গড়ে ৩৭ দশমিক ১ এমএমসিএফ থেকে ৪০ দশমিক ৭ এমএমসিএফ গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। এ ছাড়া মার্চ ২০১৫ থেকে বেগমগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড থেকে দৈনিক প্রায় ৪ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি হারে গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, খুব শিগগিরই রূপগঞ্জ গ্যাসফিল্ড উৎপাদনে আসবে। সর্বোপরি বর্তমান সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখন দৈনিক উৎপাদন ছিল প্রায় ১ হাজার ৭৪৪ এমএমসিএফডি। সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের ফলে তা ৯৮৬ এমএমসিএফডি বেড়ে বর্তমানে প্রায় ২৭৩০ এমএমসিএফডিতে উন্নীত হয়েছে।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময় •ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলধারার গণমাধ্যমকে নিরাপত্তা দেবে •সাম্প্রদায়িক অপশক্তি নির্মূলের অন্যতম হাতিয়ার চলচ্চিত্র : তথ্যমন্ত্রী •বাংলাদেশে সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের •সংসদে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী সদস্য দেখতে চায় সিডব্লিউপি স্টিয়ারিং কমিটি •শূকরের দেহের অংশ মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপনে অগ্রগতি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document