/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   12:21 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

প্যারিসের মুসলমানরা আতঙ্কে

তারিখ: ২০১৫-১১-১৫ ১৯:২৬:০৮  |  ৩৪৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্যারিসে শুক্রবার রাতের গোলাগুলি শুরু হয় যখন তখন কাসা নস্ত্রা রেস্তোরাঁর পেছনের এক বারে কাজ করছিলেন সাফের। তিনি বলেন, ''আমি কাউন্টারে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বিস্ফোরণের শব্দ শুনলাম, প্রচণ্ড শব্দ। সবাই চিৎকার করতে শুরু করল।

আমাদের ওপর ঝুরঝুর করে কাচ ভেঙে পড়লো। আমাদের মুখে এসে কাচের টুকরো লাগছে। খুবই ভীতিকর লাগছিল,'' ওই সময়ের ঘটনা প্রবাহের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলছিলেন সাফের। ''আমি দেখলাম বারান্দায় দাঁড়ানো দুটি মহিলা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। একজনের কবজিতে লেগেছে, আরেকজনের কাঁধে। প্রচণ্ড রক্তপাত হচ্ছে।'' বিপদ হতে পারে জেনেও সাফের তাদেরকে সাহায্য করবেন বলে মনস্থ করেন।

তিনি গোলাগুলি একটু স্তিমিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, তারপর তাদের কাছে ছুটে যান। ''আমি তাদের নিয়ে নিচতলায় ভূগর্ভস্থ প্রকোষ্ঠে নিয়ে গেলাম। তাদের পাশে বসলাম এবং রক্তপাত বন্ধে সচেষ্ট হলাম। গোলাগুলি থামার পর বাইরে এসে দেখলাম, ভয়াবহ পরিস্থিতি। রাস্তায় বহু মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। বহু মানুষ আহত।'' বলছিলেন সাফের। এই কাসা নস্ত্রা রেস্তোরাঁটি যেখানে অবস্থিত সেখানে বহু মুসলিম এবং আরব বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস। এইটিন্থ অ্যারোডিসমেন্টে প্যারিসের মুসলিমদের অন্যতম একটি আবাসস্থল। এখানের মানুষ এখন আতঙ্ক বোধ করছে।

জামাল নামে ৪৪ বছর বয়স্ক এক বাসিন্দা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন এই হামলার পর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর কি ধরনের প্রভাব এসে পড়বে সেটা নিয়ে। ''আমরা হামলাকারীদের মতো নই। তাদের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু ফরাসিরা আমাদেরকে আর আপন করে নেবে না।'' চলতি বছরের গোড়ার দিকে শার্লি হেবদো পত্রিকায় চালানো হামলায় ফরাসি নাগরিকেরা জড়িত আছে এটা প্রতীয়মান হবার পর প্রশ্ন ওঠে ফ্রান্সে বসবাসরত তরুণ মুসলিমদের জীবনযাত্রায় এর কি প্রভাব নেমে আসবে সেটা নিয়ে।

সাফেরের কাছে এর কোনো জবাব নেই। সে একজন আলজেরীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম। তার গল্পটা অনেকটাই লাসানা ব্যাথিলির সাথে মিলে যায়। মালির এই তরুণী অভিবাসী জানুয়ারি মাসে একটি সুপারমার্কেটে হামলা চলাকালে ভীত সন্ত্রস্ত্র ক্রেতাদেরকে তার দোকানের ভেতর লুকিয়ে রেখেছিলেন। সাফের এবং লাসানা দুজনই মুসলিম। দুজনই মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। কিন্তু এই মুসলিমদেরই একটি দল আবার সৃষ্টিকর্তার নামে মানুষ হত্যা করছে কেন? জানতে চাইলে সাফের বলেন, ''এর সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। সত্যিকারের মুসলমানেরা কখনো মানুষ হত্যা করবে না। এরা অপরাধী।''


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের •মেক্সিকোর জন্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বছর ২০১৭ •ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমঝোতা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে জাতিসংঘে রাশিয়ার আহবান •রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে নমপেনের সহযোগিতা কামনা ঢাকার •মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত •বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী: “আঁর পোয়াইন্দার বাপ ইঞ্জিনিয়ার আছিল” •বাবা-মাকে ছাড়াই বাংলাদেশে তেরোশো রোহিঙ্গা শিশু
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document