/* */
   Sunday,  Jun 24, 2018   6 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

বাংলাদেশের শীর্ষ মুসা বিন শমসের

তারিখ: ২০১৫-১১-১৫ ১৯:৫০:৫০  |  ২৬৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক :

ফোর্বস ম্যাগাজিন অনুযায়ী বাংলাদেশে সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি মুসা বিন শমসের ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান যিনি বাংলাদেশের বিজনেস মোগল নামে পরিচিত।

তাকে প্রিন্স মুসা বলা হয়। তিনি অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক পরিচিত। ফোর্বস ম্যাগাজিন অনুযায়ী বর্তমানে তিনিই বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।

ড. মুসা ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে অনুদান দিতে চেয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন। লেবার পার্টির টনি ব্লেয়ার নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য তার পাঁচ মিলিয়ন ডলার অনুদান প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৫০ সালের ১৫ অক্টোবর ফরিদপুরের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। চার ভাই এবং দুই বোনের মাঝে তিনি পিতা-মাতার তৃতীয় পুত্র সন্তান। তার বাবা শমসের আলী মোল্লা ব্রিটিশ সরকারে স্থানীয় সরকারের বড় কর্মকর্তা ছিলেন। পড়াশুনা করেছেন ক্যালিফর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে। ফোর্বসের হিসেব অনুযায়ী তাঁর মূল সম্পত্তি প্রায় ১২ বিলিয়ন ইউএস ডলারের উপরে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিমের বিয়াই হিসেবে পরিচিত মুসা তরুণ বয়সেই ব্যবসা শুরু করেন। তার প্রথম ব্যবসয়িক জীবনে ড্যাটকো নামের এক বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। মুসা জনশক্তি রপ্তানিতে দেশের একজন দিকপাল হিসেবে পরিচিত। পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যক্তিগত বিনিয়োগের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন ড. মুসা বিন শমসের।

মুসা বিন শমসের বলেন, ৩ বিলিয়ন ডলার আমার জন্য বড় কোনো টাকা নয়। যতদিন পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন না হবে ততদিন আমি সরকারকে সহায়তা দেব, তাদের সঙ্গে জড়িত থাকব।

এছাড়া সরকারকে জনশক্তি রফতানিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মুসা বিন শমশের বলেন, প্রথম যখন আমি বঙ্গবন্ধুর সহযোগিতায় জনশক্তি রফতানি শুরু করেছিলাম, তখন জনশক্তি রফতানির একমাত্র প্রাণকেন্দ্র ছিল মধ্যপ্রাচ্য। এখনো তেমনটি আছে। এটি শুধু জনশক্তি রফতানি নয়, এটাকে বলা যায় অফুরন্ত সম্পদ। যে সম্পদ কখনো শেষ হবার নয়। অথচ রাজনৈতিক বৈষম্য ও অদক্ষতার কারণে তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

   

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document