/* */
   Tuesday,  Sep 25, 2018   4 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

জয়ের মুখ দেখল জিম্বাবুয়ে।

তারিখ: ২০১৫-১১-১৫ ২০:৪৩:৩২  |  ২৫৪ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সফরে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল জিম্বাবুয়ে। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে এল্টন চিগুম্বুরার দল।

 

রোববার মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে এনামুল হক বিজয়ের ৪৭ রানের সুবাদে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ১ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটের নাটকীয় জয় পায় জিম্বাবুয়ে।

 

জয়ের জন্য শেষ ওভারে ১৮ রান প্রয়োজন ছিল জিম্বাবুয়ের, হাতে ৬ উইকেট। তবে শেষ ওভারের প্রথম বলেই ম্যালকম ওয়ালারকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জল করেছিলেন নাসির হোসেন। কিন্তু পরের চার বলে দুটি ছক্কা ও এক চারের সাহায্যে ১৮ রান নিয়ে জিম্বাবুয়েকে নাটকীয় জয় এনে দেন নেভিল মাদজিভা।  

 

ছোট পুঁজি নিয়েও স্বাগতিকদের বোলিংয়ের শুরুটা অবশ্র দুর্দান্তই হয়েছিল। ইনিংসের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারে পর পর দুই বলে জিম্বাবুয়ের ২ উইকেট তুলে নেন আল-আমিন হোসেন। ওই ওভারের প্রথম বলে সিকান্দার রাজাকে মুশফিকুর রহিমের ক্যাচে পরিণত করেন আল-আমিন। পরের বলে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে শন উইলিয়ামসকে বোল্ড করেন বাংলাদেশের এই পেসার।

 

আল-আমিনের পর আরেক পেসার মুস্তাফিজুর রহমানও তার প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন। রেগিস চাকাভাবে সাব্বির রহমানের ক্যাচে পরিণত করেন ‘কাটার মুস্তাফিজ’ খ্যাত এই তরুণ তুর্কি। ফলে ১৫ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে।

 

এরপর দলীয় ৩৩ রানে মাশরাফি-নাসিরের নৈপুণ্যে রান আউটে কাটা পড়েন ক্রেইগ আরভিন (১৫)। মাশরাফির থ্রো থেকে স্টাম্প ভেঙে দেন বোলার নাসির। স্কোরবোর্ডে আর ৬ রান যোগ হতেই আরাফাত সানীর বলে ‘ডাক’ মেরে বিদায় নেন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরা।

 

৩৯ রানে ৫ উইকেট হারালেও পঞ্চম উইকেটে লুক জংউই ও ম্যালকম ওয়ালারের ব্যাটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। ফিফটি রানের জুটি গড়েন দুজন। তবে এর পরই বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আল-আমিন। জংউইকে (৩৪) ফিরিয়ে ৫৫ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। স্কয়ার লেগে অসাধারণ এক ক্যাচ নেন ইমরুল কায়েস।  

 

এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলেও বড় স্কোর গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। এনামুল হক বিজয়ের ৪৭ রানের সুবাদে কোনোমতে ১৩৫ রান করে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

 

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রানে আসে এনামুলের ব্যাট থেকেই। এ ছাড়া তামিম ইকবাল ২১, সাব্বির রহমান ১৭ ও ইমরুল কায়েস ১০ রান করেন। দলের আর কোনো ব্যাটসম্যানই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।

 

২০১১ সালের পর টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাওয়া ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবাল মিলে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালোই করেছিলেন। ৩ ওভারে স্কোরবোর্ডে ২৬ রান জমা করেন দুজন। তবে মাত্র ১ রানের ব্যবধানে দুজনই সাজঘরে ফেরেন।

 

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তামিমের বিদায়ে ভাঙে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। নেভিল মাদজিভার বলে এল্টন চিগুম্বুরার হাতে ক্যাচ দেওয়া তামিম ১৫ বলে ২টি ছক্কা ও এক চারে ২১ রান করেন।

 

পরের ওভারে শন উইলিয়ামসের দুর্দান্ত এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল। এই বাঁহাতির ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। তার ইনিংসে ছিল ২টি চারের মার।

 

এরপর এনামুল হকের সঙ্গে জুটি বাঁধেন মুশফিকুর রহিম। তবে ২৪ রানের জুটি গড়ার পর সাজঘরে ফিরে যান মুশফিক। গ্রায়েম ক্রেমারের বলে সুইপ করতে গিয়ে ডিপে উইলিয়ামসের হাতে ধরে পড়েন মুশফিক (৯)।

 

মুশফিকের বিদায়ের পর চতুর্থ উইকেটে এনামুলের সঙ্গী হন সাব্বির রহমান। দলকে ভালোই এগিয়ে নিতে থাকেন দুজন। তবে ক্রেমারের একটি বল সুইপ করতে গিয়ে সাব্বির এলবিডব্লিউ হলে ভেঙে যায় ৩৯ রানের ভালো জুটি। সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান।

 

সাব্বির ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রেখে দলের স্কোর ১০০ পার করেন এনামুল। কিন্তু তাকে যোগ্য সঙ্গ ব্যর্থ হন নাসির হোসেন। দলীয় ১১৩ রানে মাত্র ৩ রান করেই বিদায় নেন নাসির।

 

এরপর মাহমুদউল্লাহ (৮) ও মাশরাফিও দ্রুতই বিদায় নিলে ১৭.৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১২৪ রান। দলীয় ১৩০ রানে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেন আরাফাত সানী (৫)।

 

আর শেষ ওভারের চতুর্থ বলে এনামুল রান আউটে কাটা পড়লে ১৪০ রানের কোটাও আর পূরণ হয়নি স্বাগতিকদের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৫ রান করে বাংলাদেশ। ৫১ বলে ৩টি চারের সাহায্যে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন এনামুল।

 

৩০ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার তিনাশে পানিয়াঙ্গারা। এ ছাড়া গ্রায়েম ক্রেমার ও নেভিল মাদজিভার ঝুলিতে জমা পড়ে ২টি করে উইকেট। 

 

বাংলাদেশ দলে আজ দুটি পরিবর্তন এসেছে। দলে এসেছেন ইমরুল কায়েস ও আরাফাত সানী। বাদ পড়েছেন লিটন দাস ও জুবায়ের হোসেন। জিম্বাবুয়ে দলে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

 

ওয়ানডে সিরিজের জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার পর প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।

 

বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, ইমরুল কায়েস, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা, আল-আমিন হোসেন, আরাফাত সানী ও মুস্তাফিজুর রহমান।

 

জিম্বাবুয়ে দল: সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাভা, ক্রেইগ আরভিন, শন উইলিয়ামস, এল্টন চিগুম্বুরা, তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, নেভিল মাদজিভা, লুক জংউই, গ্রায়েম ক্রেমার, ম্যালকম ওয়ালার ও তেন্ডাই চিসোরো। 



এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে কোয়ার্টারফাইনালে স্বাগতিক রাশিয়া •ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র করে শেষ ষোলোতে ডেনমার্ক •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •হঠাৎ রিয়াল ছাড়লেন জিদান •ফুটবল খেলা আমাদের কাছে স্বাধীনতা': কলকাতায় মুসলিম মহিলাদের ফুটবল ম্যাচ •মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার টাইগার উডস
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document