/* */
   Sunday,  Sep 23, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মাংস খাওয়ার সম্পর্ক কী

তারিখ: ২০১৫-১১-৩০ ১৮:৫৭:৪২  |  ২৩৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   ; জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে প্যারিস সম্মেলনকে ঘিরে যে কথাবার্তা চলছে সেটি অতীতের যে কোন আলোচনাকে হার মানিয়েছে।

পৃথিবীর উষ্ণতা যাতে বৃদ্ধি না পায় সেজন্য কার্বন নি:সরনের মাত্রা কমানোর উপর জোর দেয়া হচ্ছে। এর নানা দিক নিয়ে অনেকেই কথা বলছেন।

কিন্তু এতো সব কিছুর ফাঁকে একটি বিষয় হয়তো অনেকর দৃষ্টি এড়িয়ে যাচ্ছে। সেটি হচ্ছে মাংস খাওয়া।

পৃথিবীতে যে পরিমান গ্রিনহাউজ গ্যাস উৎপন্ন হয় ,তার ১৫ শতাংশ আসে পশুপালন খাত থেকে।

প্রতিবছর প্রাইভেট কার, ট্রেন, জাহাজ এবং বিমান থেকে যে পরিমান দূষন তৈরী হয়, এই পশুপালন খাত থেকেও একই পরিমান গ্রিনহাউজ গ্যাস উৎপন্ন হয়।

লন্ডন-ভিত্তিক গবেষনা প্রতিষ্ঠান চ্যাটাম হাউজ বলছে যদি মাংস খাওয়ার পরিমান না কমালে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হবে না।

বিশ্ব মাংস খাওয়ার পরিমান সবচেয়ে বেশি আমেরিকায়। সেখানে প্রতিদিন একজন ব্যক্তি গড়ে ২৫০গ্রাম মাংস খায়। একজন মানুষের স্বাস্থ্যবান হবার জন্য যে পরিমান মাংস খাওয়া প্রয়োজন এটি তার চারগুন।

  পৃথিবীর অনেক দেশে নানাভাবে মাংস খাওয়ার পরিমাণ বাড়ছে।

পৃথিবীর অনেক দেশে যেখানে অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে সেখানে মাংস খাওয়ার পরিমান বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে ২০৫০ সাল নাগাদ এই মাংস খাওয়ার পরিমান এখনকার চেয়ে ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

কিন্তু এখনো পর্যন্ত দেশগুলোর কাছ থেকে মাংস খাওয়া কমানোর বিষয়ে তেমন কোন প্রতিশ্রুতি দেকা যাচ্ছেনা।

এর কারন হচ্ছে এ ব্যাপারে প্রতিশ্রতি দিয়ে সরকারগুলো তাদের দেশের জনগনের কাছে বিরাগভাজন হতে চায়না।

মাংস খাওয়ার সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের যে সম্পর্ক আছে সে বিষয়টি অনেক মানুষই জানে না।

তাহলে এখন কী করা যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে সবার আগে এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

এজন্য খাদ্যাবাসে পরিবর্তন আনা জরুরী। শুরুতেই জনগনের উপর বিষয়টি চাপিয়ে দেয়া যাবে না।

প্রথম দফায় বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের খাবারের তালিকায় মাংস বাদ দিয়ে শাক-সবজীর প্রচলন করতে হবে।

এর ফলে সাধারন মানুষের মধ্যে এক ধরনের সচেতনতা তৈরী হবে। পরবর্তী ধাপে মাংশের দামের ক্ষেত্রে সমন্বয় আনতে হবে।

  অনেকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাংস খাচ্ছেন।

মাংস খাবার বিপক্ষে যখন শক্ত যুক্তি তৈরী হবে তখন সাধারন মানুষ সেটিকে গ্রহন করবে।

মানুষের অভ্যাসে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সচেতনতা তৈরী এবং দাম বাড়ানোর বিষয়টি যে ভালো ফল দেয়, সেটির প্রমান এর আগেও হয়েছে।

বিশেষ করে ধুমপান এবং মদ্যপান এর দুটি উদাহরন।

একদিকে সচেতনতা তৈরী এবং অন্যদিকে দামবৃদ্ধির কারণে অনেকে সেটি হয়তো কমিয়েছেন নতুবা চেড়ে দিয়েছেন।

মাংস খাবার অভ্যেস কমিয়ে আনার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকরী হবে বলে অনেকের ধারনা।বিবিসি বাংলা


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের •মেক্সিকোর জন্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বছর ২০১৭ •ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমঝোতা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে জাতিসংঘে রাশিয়ার আহবান •রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে নমপেনের সহযোগিতা কামনা ঢাকার •মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত •বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী: “আঁর পোয়াইন্দার বাপ ইঞ্জিনিয়ার আছিল” •বাবা-মাকে ছাড়াই বাংলাদেশে তেরোশো রোহিঙ্গা শিশু
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document