/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

নারীদের শহর বুরকিনা ফাসো

তারিখ: ২০১৫-১২-০৫ ১৪:১৬:৫৯  |  ২৫০ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  পশ্চিম আফ্রিকার অন্যতম একটি দ্ররিদ্র রাষ্ট্র হিসেবে বুরকিনা ফাসো বেশ পরিচিত। গতকাল দেশটিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাধারণ নির্বাচন। স্বাধীনতা লাভের পর দ্বিতীয়বারের মতো এখানে বেসামরিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলো। কিন্তু তেমন কোন উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না এই রাষ্ট্রের শহরগুলোতে। শহরগুলোর জমিগুলো অনুর্বর হওয়ার কারণে কৃষিকাজ এখানে তেমন একটা ফলপ্রসূ হয় না বললেই চলে। তাই অর্থনীতিতে পিছিয়ে থাকা এই শহরের বিবাহিত পুরুষেরা উন্নত কাজের সন্ধানে বেছে নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোকে। কেউ বা যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ঘানা কিংবা নাইজারে।

কাজের সন্ধানে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালিকেই বেছে নিচ্ছে বেশিরভাগ বিবাহিত পুরুষ। কাজের সন্ধানে তারা নতুন দেশে পাড়ি জমালেও পিছনে ফেলে রেখে যাচ্ছে তাদের সদ্য বিয়ে করা স্ত্রীকে। বিয়ের পর বিদেশ যাওয়ার জন্য সবকিছু বিক্রি করে দিয়ে স্বামীর বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থা করে স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা। এই শহরে এমন অনেক নারী আছেন যারা বিয়ের পর মাত্র ছয় মাস দেখেছিল প্রিয় স্বামীর মুখ। এরপর পার হয়ে গেছে অনেক মাস, বছর এমনকি এক যুগ। বিদেশে যাওয়ার জন্যই তারা মূলত বিয়ে করে থাকে এরপর আর কোন প্রকার খোঁজ খবর থাকে না প্রিয়জনের সঙ্গে। এমন অনেক নারী আছে যারা সঠিক করে বলতেও পারবে না শেষ কবে কথা হয়েছিল স্বামীর সঙ্গে।

 

তবে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার এই যুগে এমনটি হওয়ার কথা মোটেও নয়। তাহলে কেন তারা ইউরোপে গিয়ে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে তাদের পরিবারগুলো থেকে। এই প্রশ্নের সোজা উত্তর বেশিরভাগ পুরুষই ইউরোপে যেয়ে নতুন করে সম্পর্কে আবদ্ধ হচ্ছেন। কিন্তু এ কথা মানতে নারাজ তাদের বিয়ে করা স্ত্রীরা। এসব শহরগুলোতে এমন অনেক শিশু আছে যারা জন্মের পর একবারের জন্য দেখেনি প্রিয় বাবার মুখটিকে। অনেকের আবার বয়সের ভাড়ে বার্ধক্য চলে এসেছে তবুও একবারের জন্য দেখতে পাচ্ছে না স্বামীকে। ভৌগোলিক দূরত্ব থেকেও তাদের মনের দূরত্ব যেন আরো বেশি।

এর বাইরেও ব্যাতিক্রম কিছু পরিবার আছে যারা স্বামীকে না পেলেও মাস পার হলে স্বামীর কাছে থেকে সংসার চালানোর জন্য অর্থ পেয়ে থাকে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি সামান্য। কেউ কেউ আবার বেশ ভালো অবস্থাতেই আছেন। স্বামীর দেয়া টাকা দিয়ে উন্নত ঘড়বাড়ি সবই পাচ্ছে শুধুমাত্র কাছে পাচ্ছে না হারিয়ে যাওয়া স্বামীকে। তাই এই শহরগুলো ঘুরলে দেখা যাবে প্রতিটি পরিবারে যেখানে চার থেকে পাঁচজন নারী সদস্য আছে তার বিপরীতে মাত্র একজন কি দুজন পুরুষ সদস্য। এভাবেই চলছে সুদূর আফ্রিকার বুরকিনা ফাসোর মতো রাষ্ট্রের শহরগুলোর অবস্থা। যেখানে প্রশাসনের তেমন কোন নজর নেই বললেই চলে। আর এভাবে চলতে থাকলে সেই শহরগুলো একদম পুরুষশূণ্য হয়ে পড়বে, এ আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কালকিনিতে ডিকে আইডিয়াল কলেজের হোস্টেল সিট বরাদ্দের অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদের অনশন। •আমতলীর আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণা •আমতলীতে ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তির স্মরণ সভা। •পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী কাল • (জ্যাক) এর বিজ্ঞপ্তি , সাংবাদিক গাজী রহমত উল্লাহ. বহিস্কার •শোক সংবাদ গোলাম মোস্তফা • ঝিনাইদহে খালার সঙ্গে অভিমানে স্কুল শিক্ষার্থীর বিষপানে আত্মহত্যা •শৈলকুপায় আবারো বাবা-মাকে মারধর ও খেতে না দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document