/* */
   Monday,  Jun 18, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দলীয় জোট ছাড়ছে

তারিখ: ২০১৫-১২-০৭ ১৭:১৭:২৬  |  ২৩৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

  নিউজ ডেস্ক: এনএনপি, ন্যাপ ভাসানী, এনডিপি-দলগুলোর একাংশ বিএনপি জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এবার এই তালিকায় যোগ হতে পারে জোটের পুরোনো মিত্র ইসলামী ঐক্যজোট। জোটে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সর্বশেষ পৌর নির্বাচনে মূল্যায়ন না পাওয়ার অসন্তোষে ২০ দলীয় জোট ত্যাগের ঘোষণা দিতে পারে মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীর ইসলামী ঐক্যজোট।

 

জোটের একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে এই তথ্য। তবে জোট ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার না করলেও পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোটে যে একধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তার ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ।

 

জোট ছাড়ছেন কি না, জানতে চাইলে রাইজিংবিডিকে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গুঞ্জন।’

 

পৌর ভোটে ইসলামী ঐক্যজোটকে ছাড় না দেওয়ার কারণে কোনো টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে কি না- প্রশ্নে ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘পৌর নির্বাচনের একটি ব্যাপার তো আছেই। পরে সব জানাব।’

 

জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামীও রাইজিংবিডিকে পৌর নির্বাচনে তার প্রার্থী দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান।

 

তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে ইসলামী ঐক্যজোট প্রার্থী দিতে চেয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তো তা হলো না।’

 

জোট ছাড়ছেন কি না, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘না এমন কিছু না।’

 

এদিকে জোটের ওই সূত্রটি বলেছে, জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত রয়েছে ইসলামী ঐক্যজোটের। কারণ তারা আশা করেছিল পৌর নির্বাচনে অন্তত একটি পৌরসভা হলেও তাদের ছাড় দেওয়া হবে। প্রয়াত কাজী জাফরের জাতীয় পার্টি এবং কর্নেল (অব.) অলির দল এলডিপিকে ছাড় দিলেও জোটের অন্য শরিকদের তা দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে জোটের মধ্যে অসন্তোষ আছে।

 

বিএনপির শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে জোটের বিভিন্ন নেতাই অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন যে, সরকার বিএনপি জোটকে ভাঙার ষড়যন্ত্র করছে। তবে শত প্রতিকূল পরিবেশেও জোট অটুট থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আসছেন তারা।

 

এর আগে সম্পর্কের টানাপোড়েনে ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যান শেখ শওকত হোসেন নিলুর নেতৃত্বে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), শেখ আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে ন্যাপ-ভাসানীর একাংশ।

 

১৯৯৯ সালের ৩০ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সমন্বয়ে চারদলীয় জোট গঠন করা হয়। পরে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল চারদলীয় জোট সম্প্রসারিত হয়ে ১৮ দলীয় জোট হয়। এরপর ২০ দলীয় জোটে রূপ নেয়।

 

২০ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে ৮টি দলের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন নেই। এসব দলের কয়েকটি ‘সাইনবোর্ড বা নামসর্বস্ব’। ভাঙন আর দলাদলিতে জড়িয়ে পড়া এসব দলকে জোটে সম্পৃক্ত করায় বিএনপির ভেতরে যেমন অস্বস্তি আছে, তেমনি অসন্তোষ রয়েছে জোটের উল্লেখযোগ্য শরিকদের মধ্যেও।

 

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময় •ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলধারার গণমাধ্যমকে নিরাপত্তা দেবে •সাম্প্রদায়িক অপশক্তি নির্মূলের অন্যতম হাতিয়ার চলচ্চিত্র : তথ্যমন্ত্রী •বাংলাদেশে সন্ধান মিলেছে নিখোঁজ সাংবাদিক উৎপল দাসের •সংসদে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী সদস্য দেখতে চায় সিডব্লিউপি স্টিয়ারিং কমিটি •শূকরের দেহের অংশ মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপনে অগ্রগতি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document