/* */
   Tuesday,  Jun 19, 2018   4 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

৫৬ বছর শয্যাশায়ী স্ত্রীর পাশে

তারিখ: ২০১৫-১২-১০ ১৯:৫১:৫৩  |  ২৫৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

    নিউজ ডেস্ক:   অনেকে বলে পৃথিবীতে এখন আর সত্যিকারের ভালবাসা নেই। তাদেরকে মিথ্যা প্রমাণিত করবে এই স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ একজন স্বামীর সৌভাগ্যবান স্ত্রীকে নিয়ে বাস্তব এক গল্প জেনে নিন আজ। যা হয়ত রুপকথা কেউ হার মানায়।

৮৪ বছর বয়সী একজন চায়নার নাগরিক তার অসুস্থ স্ত্রীকে গত ৫৬ বছর ধরে দেখাশোনা করছেন। যতদিন তিনি বেঁচে আছেন এভাবেই তিনি তার স্ত্রীর দেখাশোনা করতে চান।

চায়নার শানডং প্রদেশের সুনজিয়ায়ো প্রদেশে ডু ইউয়ানফা তার স্ত্রীর সাথে বসবাস করেন। একসময় তার স্ত্রী বিছানায় পড়ে গেলে তিনি তার চাকরী ছেড়ে দিয়ে তার স্ত্রী জু এর সেবায় নিয়োজিত হন। ১৯৫৯ সালে তিনি হঠাৎ একটি অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে যান। এরপর থেকে তার শরীর অচল হয়ে যায়। জু এর বয়স তখন মাত্র ২০ বছর ছিল।

ইউয়ানফা এবং জুয়ের বিয়ের মাত্র ৫ মাসের সময় জু এই রোগে আক্রান্ত হন। তারপর তার সম্পূর্ণ শরীর অকেজো হয়ে যায়। কিন্তু ইউয়ানফা তাকে ত্যাগ করেন নি। তখন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি তার স্ত্রীর দেখাশোনা করছেন।

ইউয়ানফা তার স্ত্রীকে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। তবে সকল স্থান থেকে একই উত্তর এসেছে যে, জু কখনও হাঁটতে পারবে না। তাদের পরিবার তাদের টাকা দিয়ে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইউয়ানফা নিজেই তার দেখভাল করেন।

সে তার স্ত্রীকে সারাজীবন দেখার ওয়াদা করেছেন। দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে তিনি তার দেখাশোনা করছেন। ঘরের সকল কাজ রান্না করা, ঘর গুছানো এবং সকল কাজ তিনি নিজেই করেন। জুয়ের খাবার খাওয়ানো থেকে শুরু করে সকল কাজ করেন তিনি।

তাদের ভালবাসার গভীরতা সম্পর্কে এলাকার সকলে জানান। তাদের প্রতিবেশীরা বিভিন্ন সময় তাদের জন্য বিভিন্ন দ্রব্য নিয়ে যান। সকলে তাদের অনেক সাহায্য করেন। জু নিজের শরীর একটুও নাড়াচাড়া না করতে পারলেও তিনি নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ব্যক্তি।–সূত্র: ইন্ডিয়া টাইম্‌স।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •কলাপাড়ায় শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির স্মারকলিপি প্রদান ॥ •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •তুর্কি বাহিনীর সিরিয়ায় প্রবেশ •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document