/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   01:56 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

প্রতিবেশীদের সঙ্গে সদাচরণ রসুল (সা.)-এর সুন্নাত

তারিখ: ২০১৫-১২-১০ ১৯:৫৭:৫৭  |  ২৯৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

       নিউজ ডেস্ক:   রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বলেছেন, ‘আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়।’ সাহাবায়ে কিরাম আরজ করলেন, ইয়া রসুলুল্লাহ, কে মুমিন নয়? তিনি বলেন, যার দুষ্টামি থেকে প্রতিবেশী শঙ্কাহীন নয়। মুসলিম।

হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী বাড়ির চারদিকের ৪০ বাড়ির সবাই প্রতিবেশীর অন্তর্ভুক্ত। পরিবারের সদস্যদের পর তাদের সঙ্গে আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ বেশি হয়। বিপদে-আপদে এক প্রতিবেশী অন্য প্রতিবেশীর সহায় হওয়াকে ইসলাম কর্তব্য বলে নির্ধারণ করেছে। প্রতিবেশীর দুঃখ-কষ্টে সমব্যথী হওয়ারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসে। ধনী প্রতিবেশীর কর্তব্য গরিব প্রতিবেশীর কেউ বিপদগ্রস্ত হলে তাকে সাহায্য করা, অভাবী হলে খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করা। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে প্রতিবেশীকে ক্ষুধার্ত রেখে নিজে পেট পুরে আহার করে, সে প্রকৃত মুসলমান নয়।’ 

মানুষ মাত্রই সবাই সমান নয়। প্রতিবেশী বদরাগি যদি হয় তবে সে ক্ষেত্রেও পাল্টা আচরণ না করে সবর করতে হবে। ভালো আচরণের মাধ্যমে তার আস্থা অর্জনে যত্নবান হতে হবে। প্রতিবেশী যেন আমাদের কোনো ধরনের আচরণে কষ্ট না পায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিবেশীর বাড়ির পাশে কিংবা রাস্তায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলাও এর অন্তর্ভুক্ত।

হাদিসে আছে : হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন- এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রসুলুল্লাহ অমুক মহিলা এমন যে, তার অধিক নামাজ, রোজা, সদকার কথা মানুষের মুখে মুখে আলোচিত। কিন্তু সে আপন প্রতিবেশীদের মুখ দিয়ে কষ্ট দেয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে দোজখে যাবে। এরপর লোকটি আরজ করল, ইয়া রসুলুল্লাহ অমুক মহিলা সম্পর্কে মানুষ বলাবলি করে যে, সে নাকি নফল রোজা, নফল সদকা ও নফল নামাজ কমই আদায় করে এবং পনিরের সামান্য খণ্ড দান করে। কিন্তু মুখে প্রতিবেশীদের কষ্ট দেয় না। এ কথা শুনে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে জান্নাতে যাবে। আহমাদ, বায়হাকি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রতিবেশীদের হক আদায় করার তওফিক দান করুন। আমিন।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে প্রশিক্ষণ গ্রহণ অপরিহার্য : ধর্মমন্ত্রী •আমতলীতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •প্রত্যেক উপজেলায় মসজিদ-মন্দিরসহ সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প •রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন •ওমরাহ পালনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলার এখন মক্কায় •খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী •বিয়ে বাঁচাতে যখন অচেনা লোকের সাথে রাত কাটাতে হয় •যুক্তরাজ্যে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় দেড়'শ মসজিদ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document