/* */
   Sunday,  Dec 16, 2018   12:50 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

তারিখ: ২০১৫-১২-১৪ ০১:৪৮:৪৭  |  ২৬৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

নিউজ ডেস্ক;  আজ১৪ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে রক্তেভেজা একটি বেদনাবিধূর দিন। পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এবং তাদের সহযোগীরা এই দিনে দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় প্রক্কালে মাত্র দু’দিন আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে বুদ্ধিজীবীদের উপর হত্যাযজ্ঞ চলে।

হায়েনারা রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে হামলা চালিয়ে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে নিয়ে হত্যা করে। পরাজয়ের অন্তিম মুহুর্তে দখলদার বাহিনীর নির্মম-নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ গোটা মানুষকে স্তম্ভিত করে তুলেছিল। গোপন অজ্ঞাত স্থানে হত্যাকাণ্ড চালানোর পর অনেকের লাশ ফেলে রাখা হয়েছিল মিরপুরসহ রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে।

লাশের স্তুপে কারও চোখ ছিল না, কারও মাথা ছিল না, কারও হাত-পা ছিল না। বেয়নেটের খোঁচায় অনেকের পেটের নারী-ভুরি বেরিয়ে গিয়েছিল। এ কারণে অনেকে তাদের প্রিয়জনের লাশ সনাক্ত করতে পারেননি।

ইতিহাসে এ নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিলেন, অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, অধ্যাপক জিসি দেব, অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, সন্তোষ ভট্টাচার্য, সাংবাদিক সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুদ্দীন হোসেন, আনম গোলাম মোস্তাফা, নাজমুল হক লাতু ভাই, খন্দকার আবু তালেব, আবুল খায়ের, রাশিদুল হাসান, ডা. আলীম চৌধুরী, ডা. রাব্বী, ডা. আজাদ, চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান প্রমুখ।

এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর১৪ ডিসেম্বর পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত হয়বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ। এটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী, রাজাকার ও আল-বদর বাহিনীর সহায়তায় বাংলাদেশের বহুসংখ্যক বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে তাদের মিরপুর এলাকায় ফেলে রাখে। সেই সকল বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে সেই স্থানে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। এছাড়া জাতির সূর্যসন্তানদের স্মরণে ঢাকার রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ’।

প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর বিনম্র শ্রদ্ধায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেন। 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আইপিইউ এসেম্বলী শেষে জেনেভা থেকে দেশে ফিরলেন স্পিকার •কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document