/* */
   Friday,  Jun 22, 2018   11:02 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

আইফোনের সেরা ৭ ফটো অ্যাপ

তারিখ: ২০১৫-১২-১৫ ১০:১১:১২  |  ২৮৪ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

  নিউজ ডেস্ক; আইফোন যাত্রা করে মাত্র ২ মেগাপিক্সলের ক্যামেরা দিয়ে। বর্তমান সিক্সএস ও সিক্সএস প্লাস ডিভাইসে তা দাঁড়িয়েছে ১২ মেগাপিক্সলে। আর এ ক্যামেরার জন্য রয়েছে দারুণ দারুণ সব অ্যাপ। অ্যাপ মার্কেটে যাদের প্রভাব কোনো কোনো ক্ষেত্রে অকল্পনীয়।

তালিকা বানাতে গেলে এ ধরনের অ্যাপের নাম আসবে শ’খানেক। সেখান থেকে জেনে নিন ৭ প্রভাবশালী অ্যাপের কথা—

৭. গুগল ফটোস : আইফোনের জন্য অনেক ধরনের ফটো অ্যাপস আছে। নানা বিবেচনায় গুগল ফটোস অনন্য। এটি দিচ্ছে ফটো ও ভিডিওর জন্য আনলিমিটেড স্টোরেজ সুবিধা। ফটোর আকার নিয়ে খুঁতখুঁতে হলেও আয়তন কমিয়ে দেয় না। যা অন্যান্য ক্লাউড সার্ভিস বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পাবেন না। এর বড় জাদু হলো সার্চ টেকনোলজি। ইভেন্ট, ইভেন্টের বিষয় ও চেহারা অনুযায়ী ছবি সাজাতে পারবেন। এ ছাড়া এর ফটো স্ক্রলিং ও সিলেকশন টুলস আইফোনের নিজস্ব ফটো অ্যাপসকে লজ্জা দেবে।

৬. পিক স্টিচ : ফটো কোলাজের জন্য দারুণ এক অ্যাপস পিক স্টিচ। এতে রয়েছে কয়েক ডজন লে আউট অপশন, কাস্টম বর্ডার, ফিল্টার ও অন্যান্য ইফেক্ট সুবিধা। অবশ্য আজকাল ইনস্টাগ্রাম ও অন্যান্য কিছু অ্যাপসে এ ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়। তারপর নিজের জায়গায় অনন্য পিক স্টিচ।

৫. ভিএসসিও : ভিএসসিও ক্যাম অ্যাপটি আসে ২০১২ সালে। এতে আছে প্রিসেটস ও এডিটিং কন্ট্রোল অপশন। যার কারণে আইফোনে তোলা ছবিকে মনে হবে ফিল্মে শুট করা। নবিসদের তোলা ছবিতেও দেয় পেশাদারের গভীরতা। এটি আইফোনে ব্যবহৃত সর্বোচ্চ অ্যাপগুলোর একটি। ইনস্টাগ্রামে ৭ কোটির বেশি ভিএসসিও ট্যাগ রয়েছে।

৪. হাইপারল্যাপস : ভিডিওকে স্পিডি করার দারুণ এক অ্যাপ হাইপারল্যাপস। এটা অ্যালগারিদম ভিত্তিক অ্যাপ। ফলে আইফোনের ডেটা বিচার করতে পারে সহজে। ছবির অ্যাঙ্গেল ধরে ভিডিও সাজায়। শ্যাকি ফ্রেমগুলো মুছে দেয়। সিনেমাটিক ভিডিওগুলোকে মনে হবে অনেক দামি গিয়ারে ধারণ করা হয়েছে।

৩. ক্যামেরা+ : আইফোনে থাকা অ্যাপলের ডিফল্ট অ্যাপগুলো বেশ কাজের। তবে অনেক ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি অ্যাপ দেবে দারুণ অভিজ্ঞতা। তার একটি হলো ‘ক্যামেরা+’। ২০১০ সালে অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সরিয়ে দেওয়া হয়। কারণ এর মাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী আইফোনের ভলিউম বাটনকে ফিজিক্যাল ক্যামেরা শাটারে রূপান্তর করেন। পরে অ্যাপল নিজেই আইওএস ফাইভে একে ডিফল্ট ক্যামেরা অ্যাপ হিসেবে যোগ করে।

২. হিপস্টামেটিক : অনেকে মনে করেন হিপস্টামেটিক ক্যামেরা ফিল্টার ছাড়া ইনস্টাগ্রাম হয় না। এর মাধ্যমে স্কয়ার আকারে ছবি তোলা যায়। তাতে অনেকগুলো সফটওয়ার ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের ইফেক্ট ব্যবহার করা যায়। যাতে থাকে লেন্স, ফিল্ম বা ফ্ল্যাশের ছাপ।

১. ইনস্টাগ্রাম : এর মতো প্রভাবশালী অ্যাপ আইফোনে এখনো পাওয়া যায়নি। খুব সাধারণ এ অ্যাপ দেয় ফটো ফিল্টারের দারুণ সুবিধা। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারে এর জুড়ি নেই।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করা যাবে! •ফেসবুক ব্যবহারে সারা পৃথিবীতে দু'নম্বরে ঢাকা •এক হলো রবি-এয়ারটেল •বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের অর্ধেক কাজ সমাপ্ত. তারানা হালিম। •বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা •পৌ‌নে ২ ঘণ্টা সময় দিলেন প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম। •সিম নিবন্ধন, শেষ সময় ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা তারানা হালিম • যে ভাবে নাম্বার গোপন রেখে কল করবেন
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document