/* */
   Thursday,  Jun 21, 2018   11 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

নিজস্ব অর্থে পদ্মাসেতু অর্থনৈতিক সক্ষমতারই প্রকাশ কৌশিক বসু।

তারিখ: ২০১৫-১২-১৬ ০২:০৮:৫৯  |  ২২৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

অর্থনীতি  ডেস্ক; নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতারই প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু।


তিনি নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণের কাজ শুরুকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “এটা আমরা সবাই জানি, ইট ইজ নট গুড হিস্ট্রি। এখন যেটা হচ্ছে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাই। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, অনেক সময় ব্যাড হিস্ট্রি থেকে গুড নিউজ সৃষ্টি হয়।” 

২ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণে ১২০ কোটি ডলার দেওয়ার কথা ছিল বিশ্ব ব্যাংকের। তারা প্রকল্পে ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ তুললে দীর্ঘ জটিলতার পর বাংলাদেশ সরকার ওই অর্থায়ন ফিরিয়ে দিয়ে নিজেদের অর্থে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে।


সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক বসু বলেন, “পদ্মা সেতু, যেটা সরকার এখন নিজস্ব অর্থে নির্মাণকরছে… এইতো কাল না পরশু প্রধানমন্ত্রী এর মূল কাজ উদ্বোধন করলেন। সেটা একটা বিরাট সুখবর। এ কাজকে আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাই।”



তিনি বলেন, সামনে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে। এ দেশের অর্থনীতি সুন্দরভাবে এগোচ্ছে। আগামীতে যে কয়টি দেশকে দ্রুত প্রবৃদ্ধির দেশ হিসেবে দেখা যাবে বাংলাদেশ তাদের অন্যতম। বাংলাদেশের উন্নয়ন কাজে আগামীতেও বিশ্বব্যাংকের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে কৌশিক বসু এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের জন্য সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের সামগ্রিক দায়িত্ব সরকার নিতে পারে না। এ জন্য এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে সরকার যে কাজটি করতে চায় সেটি বেসরকারিখাত করতে পারে। এ জন্য সেই অনুযায়ী নীতি প্রণয়নও করতে হবে। দেশের প্রতি দরদ ও পেশাদারিত্বের সংমিশ্রণে সেই নীতি হতে হবে।

বাংলাদেশের অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধি ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনিয়োগ ও সঞ্চয় বাড়ানোর পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন বিশ্ব ব্যাংকের এই অর্থনীতিবিদ।


সামনে এসেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের এই কর্মকর্তা। 

“গত ৩-৪ দিন আমি বাংলাদেশে ঘুরে দেখেছি। অনেকের সঙ্গে আলাপ করেছি, সরেজমিন ঘুরে দেখেছি। চারদিকে ঘুরে দেখেছি। আসলে স্ট্যাটিসটিকালি বাংলাদেশ যতটুকু এগিয়েছে দেখা যাচ্ছে, বাস্তবপক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়েছে।”

বাংলাদেশ ‘চড়চড় করে’ এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে কৌশিক বসু বলেন, “আমি সবসময় আশাবাদী মানুষ নই। আমি জানি, বাংলাদেশের অনেক অর্থনীতিবিদ-বিশ্লেষকরাও অর্থনীতির সমালোচনা করে থাকেন। সেটা ভালো। কিন্তু এখন বাংলাদেশ যে জায়গায় চলে এসেছে তাতে সবাইকে কনফিডেন্স রাখতে হবে।”

লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকসে অর্থনীতি শেখা এই বাঙালির মূল্যায়ন, ১০ বছর আগে যে বাংলাদেশ ছিল- তা এখন নেই। - See more at: http://www.dhakatimes24.com/2015/12/15/94799/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%81-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6#sthash.llf1mwxD.dpufনিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতারই প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু।


তিনি নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মাণের কাজ শুরুকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “এটা আমরা সবাই জানি, ইট ইজ নট গুড হিস্ট্রি। এখন যেটা হচ্ছে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাই। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, অনেক সময় ব্যাড হিস্ট্রি থেকে গুড নিউজ সৃষ্টি হয়।” 

২ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণে ১২০ কোটি ডলার দেওয়ার কথা ছিল বিশ্ব ব্যাংকের। তারা প্রকল্পে ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ তুললে দীর্ঘ জটিলতার পর বাংলাদেশ সরকার ওই অর্থায়ন ফিরিয়ে দিয়ে নিজেদের অর্থে প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে।


সংবাদ সম্মেলনে পদ্মা সেতু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক বসু বলেন, “পদ্মা সেতু, যেটা সরকার এখন নিজস্ব অর্থে নির্মাণকরছে… এইতো কাল না পরশু প্রধানমন্ত্রী এর মূল কাজ উদ্বোধন করলেন। সেটা একটা বিরাট সুখবর। এ কাজকে আমরা অবশ্যই স্বাগত জানাই।”



তিনি বলেন, সামনে বাংলাদেশের জন্য অপার সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে। এ দেশের অর্থনীতি সুন্দরভাবে এগোচ্ছে। আগামীতে যে কয়টি দেশকে দ্রুত প্রবৃদ্ধির দেশ হিসেবে দেখা যাবে বাংলাদেশ তাদের অন্যতম। বাংলাদেশের উন্নয়ন কাজে আগামীতেও বিশ্বব্যাংকের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে কৌশিক বসু এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারের জন্য সামনে চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের সামগ্রিক দায়িত্ব সরকার নিতে পারে না। এ জন্য এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে সরকার যে কাজটি করতে চায় সেটি বেসরকারিখাত করতে পারে। এ জন্য সেই অনুযায়ী নীতি প্রণয়নও করতে হবে। দেশের প্রতি দরদ ও পেশাদারিত্বের সংমিশ্রণে সেই নীতি হতে হবে।

বাংলাদেশের অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধি ২০২০ সালের মধ্যে ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনিয়োগ ও সঞ্চয় বাড়ানোর পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন বিশ্ব ব্যাংকের এই অর্থনীতিবিদ।


সামনে এসেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন বিশ্ব ব্যাংকের এই কর্মকর্তা। 

“গত ৩-৪ দিন আমি বাংলাদেশে ঘুরে দেখেছি। অনেকের সঙ্গে আলাপ করেছি, সরেজমিন ঘুরে দেখেছি। চারদিকে ঘুরে দেখেছি। আসলে স্ট্যাটিসটিকালি বাংলাদেশ যতটুকু এগিয়েছে দেখা যাচ্ছে, বাস্তবপক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি এগিয়েছে।”

বাংলাদেশ ‘চড়চড় করে’ এগিয়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে কৌশিক বসু বলেন, “আমি সবসময় আশাবাদী মানুষ নই। আমি জানি, বাংলাদেশের অনেক অর্থনীতিবিদ-বিশ্লেষকরাও অর্থনীতির সমালোচনা করে থাকেন। সেটা ভালো। কিন্তু এখন বাংলাদেশ যে জায়গায় চলে এসেছে তাতে সবাইকে কনফিডেন্স রাখতে হবে।”

লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকসে অর্থনীতি শেখা এই বাঙালির মূল্যায়ন, ১০ বছর আগে যে বাংলাদেশ ছিল- তা এখন নেই।  


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document