/* */
   Sunday,  Sep 23, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

রাসুল আগমনের সুসংবাদে ‌‘মুহাম্মাদ’ নামকরণ

তারিখ: ২০১৫-১২-২৪ ০১:২২:৩৭  |  ৪৮৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ধর্ম ডেস্ক   রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের পূর্বেই মা আমিনা তাঁর গর্ভস্থিত সন্তানের নাম কি রাখবেন সে ব্যাপারে আদিষ্ট হয়েছিলেন। ‘মুহাম্মাদ’ নামটি তৎকালীন আরব বিশ্বে একটি অভিনব নাম ছিল। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পূর্বে আরো তিনজন ব্যক্তি তাদের সন্তানের এ নামটি রেখেছিলেন। যা বিখ্যাত সীরাতগ্রন্থ ইবনে হিশামের টীকায় স্থান পেয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পূর্বে যে তিন জনের এ নাম রাখা হয়। তাদের পরিচয় ও নামকরণের কারণ তুলে ধরা হলো-

তারা হলেন-
ক. কবি ফারাজদাকের দাদার দাদা ‘মুহাম্মাদ’ ইবনে সুফিয়ান বিন মুজাশি
খ. ‘মুহাম্মাদ’ ইবনে উহাইহা ইবনে আল জাল্লাহ
গ. ‘মুহাম্মাদ’ ইবনে হিমরান ইবনে রাবিয়াহ।

এ নাম রাখার কারণ-
১. এ তিন জনের প্রত্যেকের পিতা জানতে পারেন যে, আল্লাহর এক রাসুলের আবির্ভাবের সময় ঘনিয়ে এসেছে এবং তিনি হিজাযে জন্ম গ্রহণ করবেন। লোকমুখে এ কথা শুনে তাদের প্রত্যেকের আকাঙ্ক্ষা জন্মে যে, এ সন্মানিত রাসুল যেন তাদেরই সন্তান হন।

২. একবার তারা আসমানি কিতাবের জ্ঞান রাখে এমন এক বাদশাহর কাছে যান। তিনি তাদেরকে জানান যে, মুহাম্মাদ নামে একজন নবীর আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে। এ সময় তারা বাড়ীতে নিজ নিজ স্ত্রীকে গর্ভবর্তী দেখে এসেছিলেন। ফলে প্রত্যেকেই সিদ্ধান্ত নেন যে, তাঁদের পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তার নাম রাখবেন মুহাম্মাদ। তাদের তিন জনেরই পুত্র সন্তান হয়। এবং সিদ্ধান্ত অনুসারে তারা তাঁদের তিন ছেলের নাম রেখেছিলেন মুহাম্মাদ।

প্রাক ইসলামী যুগের কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের মানুষগুলোও বুঝতে পেরেছিলেন তাওহিদ ও রিসালাতের মর্যাদা। শুধুমাত্র দুনিয়ার নেতৃত্ব ও সম্পদের জন্য অন্ধকার যুগের মানুষরা ইসলাম ও মুসলমানের দুশমনি করেছিল। তাদের উত্তরসূরীরা এখনও বিদ্যমান।
সুতরাং রবিউল আউয়াল মাসে ইসলামের দুশমনদের নিকট রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ প্রচার এবং প্রসারই হোক ঈমানের দাবি। আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুহাম্মাদীকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আলোক উজ্জ্বলময় জীবনী প্রচার এবং এ থেকে উত্তম শিক্ষা লাভের সৌভাগ্য দান করুন। আমিন।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে প্রশিক্ষণ গ্রহণ অপরিহার্য : ধর্মমন্ত্রী •আমতলীতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা পরিষদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত •প্রত্যেক উপজেলায় মসজিদ-মন্দিরসহ সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প •রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন •ওমরাহ পালনের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে দামী ফুটবলার এখন মক্কায় •খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী •বিয়ে বাঁচাতে যখন অচেনা লোকের সাথে রাত কাটাতে হয় •যুক্তরাজ্যে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় দেড়'শ মসজিদ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document