/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   08:26 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

এবারের বিশ্ব ইজতেমায় গোয়েন্দা নজরদারি বেশি থাকবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তারিখ: ২০১৫-১২-৩০ ০০:৪৩:৩২  |  ২৫৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

   বাংলার বর্ণমালা ; বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের নিরাপত্তা প্রদানে ১৪টি ওয়াচ-টাওয়ার স্থাপন করা হবে। পুরো ইজতেমা ময়দান থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতায়।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। 

তিনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের বিশ্ব ইজতেমায় গোয়েন্দা নজরদারি বেশি থাকবে। ওয়াচ-টাওয়ার থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

মন্ত্রী জানান, ইজতেমার নিরাপত্তা দিতে পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে সরকারের। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত এলাকায় ঢুকতে হলে ‘আর্চওয়ে’ (নিরাপত্তার জন্য নির্মিত বিশেষ গেট) দিয়ে যেতে হবে। নৌ, সড়ক এবং রেলপথে মুসল্লিদের জন্য বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থা রাখা হবে।
 
ফায়ার সার্ভিস এবং মেডিক্যাল টিম থাকবে সার্বক্ষণিকভাবে। ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শন করবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব চৌধুরী মোহাম্মদ বাবুল হাসান, পুলিশ প্রধান একেএম শহীদুল হক, র্যা বের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর প্রধান এবং বিশ্ব ইজতেমার আয়োজনকারীরা।

প্রসঙ্গত, আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দুই পর্বে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হজ্বের পর মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্মেলন হিসেবে বিশ্ব ইজতেমা মর্যাদা পায়। এতে দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন। 

আগে এক পর্বে এই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হতো। অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন সেটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার অদূরে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করা হয়।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document