/* */
   Sunday,  Dec 16, 2018   07:54 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

গুজরাটে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গেষ্ট ১৮০০০ বিধবা, ৫০০ জন পেলেন একটি করে গাভী

তারিখ: ২০১৬-০১-২৮ ১৬:৫৯:১৫  |  ২৫৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 বাংলার বর্ণমালা ডেস্ক;  গুজরাটে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ব্যবসায়ী জিতেন্দ্র প্যাটেল। সমাজে অবহেলিত যেসব বিধবা তিনি ছেলের বিয়েতে তাদের আমন্ত্রণ করছেন। দু’এক শ নয়, ১৮ হাজার বিধবা। গ্রাম এলাকার ওই সব বিধবাকে তিনি দাওয়াত করলেন যেন তারা তার ছেলে ও পুত্রবধুকে আশীর্বাদ করতে পারেন।

এখানেই শেষ নয় আমন্ত্রিত বিধবাদের মধ্যে সবচেয়ে দরিদ্র এমন ৫০০ জনকে একটি করে দুধেল গাভী দান করলেন। প্রতিজনকে দিলেন একটি করে কম্বল। পরামর্শ দিলেন বাড়ির পাশে ফাঁকা জায়গায় গাছ লাগিয়ে তার যতœ নিতে। তিনি বললেন, এসব বিধবাকে সমাজের বোঝা ভাবা হয়। সেই কুসংস্কারকে তিনি কাটিয়ে তাদেরকে সমাজে জায়গা করে দেয়ার জন্য এমন উদ্যোগ নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জিতেন্দ্র প্যাটেল মেহসানাভিক্তিক ব্যবসায়ী। তিনি জিতুভাই নামে স্থানীয়ভাবে বেশি পরিচিত। বুধবার ছিল তার ছোটছেলে রবির বিয়ে। এজন্য উত্তর গুজরাটের ৫টি জেলার ১৮০০০ বিধবাকে দাওয়াত করলেন তিনি।

বাঁশকন্ঠ, মেহসানা, সাবারকণ্ঠ, পাটান ও আরাভালি জেলার বিধবারা আনন্দের সঙ্গে উপস্থিত হলেন স্পেশাল গেস্ট হিসেবে। হিমান্তনগর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে ডেরোলে আয়োজন করা হয় বিয়ের। সেখানে বিধবাদের উপস্থিতি বেশ উপভোগ করলেন জিতেন্দ্র। তাদের মাঝে সামান্য হলেও আনন্দ আনতে পেরেছেন এ জন্য জিতেন্দ্র যেন প্রাণ ফিরে পেলেন।

তিনি বললেন, আমার হৃদয় জুড়ে এমন আশা ছিল যে, বিধবারা আমার ছোট ছেলে ও তার স্ত্রীকে আশীর্বাদ করুন। এই বিধবারা সমাজে সবচেয়ে নিগৃহীত। বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি হয়তো কারো কারো কাছে খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু আমি সেই কুসংস্কার ভাঙতে চাই। আমি বলতে চাই, এমন বিশ্বাসের কোন অর্থই নেই। এটা স্রেফ কুসংস্কার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিধবারে সবাইকে দিলেন একটি করে কম্বল উপহার। সঙ্গে প্রতিশ্রুতি নিলেন তাদের কাছ থেকে যাতে তারা বাড়ি গিয়ে চারপাশের ফাঁকা জায়গায় গাছ লাগিয়ে তার পরিচর্যা করেন।

৫০০ সবচেয়ে দরিদ্র বিধবাকে দিলেন একটি করে দুধেল গাভী, যাতে তারা আর্থিকভাবে কিছুটা সুবিধা পান। এমন একটি গাভী উপহার পেয়ে উপস্থিত ৫৫ বছর বয়সী হাসনা ঠাকুর বললেন, আমি এখন ভালভাবে জীবনযাপন করতে পারব। কারণ, আমার এখন একটি গাভী আছে। বিধবা হওয়ার পর জীবনে আমি কখনো এত সম্মান পাই নি। 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে শোক রাষ্ট্রপতির •আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document