/* */
   Monday,  Sep 24, 2018   4 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বিগত চার বছরে এসএসসি বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

তারিখ: ২০১৬-০১-৩০ ১১:০৬:২৮  |  ২৭৯ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা ডেস্ক;  শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, গত চারবছরে এসএসসি পর্যায়ে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের নানামুখী উন্নয়ন পদক্ষেপের ফলে দেশে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পাওয়া ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। 
নুরুল ইসলাম নাহিদ শুক্রবার ঢাকার উত্তরায় স্কলাসটিকা স্কুলে দু’দিনব্যাপী আন্তঃস্কুল বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। 
স্কলাসটিকা স্কুলের উত্তরা শাখার অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) কাওসার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সিরাজ, দৈনিক সমকালের নির্বাহী সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী এবং এসিআই’র বিজনেস ডিরেক্টর কামরুল হাসানও বক্তব্য রাখেন। 
উদ্বোধন শেষে শিক্ষামন্ত্রী বিজ্ঞান মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।
সারা দেশ থেকে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের ৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫শ’ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন সহযোগিতা দিচ্ছে দৈনিক সমকাল এবং বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন। 
বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন পরিচালিত জরিপে এসএসসি পর্যায়ে বিভাগ অনুযায়ী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, ২০১১ সালে ২১ দশমিক ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশুনা করতো, যা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৫ সালে শতকরা ২৭ ভাগ অতিক্রম করেছে।
শিক্ষামন্ত্রী অনুষ্ঠানে আরও বলেন, সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার খাত হচ্ছে কারিগরি ও প্রযুক্তিমুখী শিক্ষা। আর এই শিক্ষার ক্ষেত্র তৈরির জন্য বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। 
নুরুল ইসলাম নাহিদ দেশের অনগ্রসর এলাকায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের অংক, বিজ্ঞান ও ইংরেজিতে ভয় দূর করতে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতায় অস্থায়ী ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা তুলে ধরেন। 
শিক্ষামন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, প্রথম দিকে ক্লাসের সংখ্যা অনুয়ায়ী পারিশ্রমিক দেয়া হলেও প্রকল্পের সফলতা বিবেচনা করে বর্তমানে এসব শিক্ষক সম্মানজনক হারে মাসিক বেতন পাচ্ছেন। সারাদেশে যেসব স্কুলের অংক, বিজ্ঞান ও ইংরেজির বিশেষজ্ঞ শিক্ষককে বেতন দেয়ার সামর্থ্য নেই, সেসব স্কুলকে সরকার এই সুবিধা দিচ্ছে। এতে দরিদ্র অভিভাবকগণ সন্তানকে প্রাইভেট পড়ানোর চাপ থেকে স¦স্তি পাচ্ছেন। শিক্ষার্থী পর্যায়ে ধনী -দরিদ্র ব্যবধান দূর করতেও সরকারের এ অস্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন তিনি। 
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সারা দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের বিজ্ঞান গবেষণাগার উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার, যুগোপযোগী পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে প্রদান, মাল্টিমিডিয়াসহ আকর্ষণীয় ক্লাসরুমে গড়ে তোলা, বিপুল সংখ্যক মেধাবৃত্তি ও উপবৃত্তি প্রদানের কর্মসূচিও বিজ্ঞান শিক্ষার্থী বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান শিক্ষার্থী বৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকলে মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকের বেশি কারিগরি ও প্রযুক্তিমুখী শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। আর যার মাধ্যমে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচিত।বাসস


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও ভুক্তির কাজ চলছে : নাহিদ •রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document